ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হচ্ছে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
আয়কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা দুটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আগের দিন ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গ্রামীণ কল্যাণের করা দুটি রিট খারিজ করেছিলেন হাইকোর্ট। ওই রিটে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য আরোপিত ৬৬৬ কোটি টাকার আয়করের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল।
পরে ওই রায় প্রত্যাহার করা হয়। মামলাগুলো প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হলে নতুন একটি বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠানো হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ঢাকার কর অঞ্চল-১৪ ২০১৭ সালের ৭ ও ১১ সেপ্টেম্বর পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর দাবি করে। শুনানির জন্য দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়।
গ্রামীণ কল্যাণ প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহে এক মাস সময় চাইলেও তা নাকচ করে কর কর্তৃপক্ষ। পরে পুনর্বিবেচনার আবেদনও খারিজ হলে প্রতিষ্ঠানটি হাইকোর্টে দুটি রিট করে।
রিটের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৬ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন এবং আয়কর দাবির নোটিসের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে কয়েক দফায় সেই স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ কর কর্তৃপক্ষের দুটি আদেশ বাতিল করে রুল নিষ্পত্তি করেন। তবে ওই রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ আপিল বিভাগ রুলটি মেরিটের ভিত্তিতে পুনরায় শুনানি ও নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।





