প্রক্সি দিয়ে চাকরি
সেই চার যুবকের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

সংগৃহীত ছবি
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় নিজেরা অংশ না নিয়ে প্রক্সির মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘অফিস সহায়ক’ পদে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার চার যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল গাফফার হিমেল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন করেন।
এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আগামীকাল বুধবার দিন ধার্য করেন। চার আসামি হলেন- মো. রাসেল রানা লিটন, মো. আলিম, মো. আলী হায়দার এবং মো. মাসুদ ফকির।
মামলার অভিযোগ বিবরণে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে গত ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান করে রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে মেলানো (ফেস ভেরিফিকেশন) হয়।
এ সময় চেহারায় মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়লে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় পরীক্ষা সম্পন্ন করে নিয়োগপত্র পান। পরর সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




