Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের পরমবন্ধু রায়হান
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় আদালত

শিশুবান্ধব আদালত কাগজে আছে, বাস্তবে নেই

মাসুদ রানা
মাসুদ রানা
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৪
শিশুবান্ধব আদালত কাগজে আছে, বাস্তবে নেই

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কাগজ-কলমে শিশু আইন, শিশু আদালত— সবই আছে; কিন্তু বাস্তবে নেই শিশুবান্ধব বিচারের ন্যূনতম পরিবেশ। শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী, পৃথক ও ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে বিচারের কথা বলা হলেও ঢাকার অধস্তন আদালতে শিশুদের জন্য আলাদা হাজত, বসার জায়গা, এমনকি টয়লেটও নেই। এ অবস্থায় সারা দেশে ৪৪ হাজারের বেশি বিচারাধীন মামলায় শিশুদের বিচার কার্যক্রম চলছে। শিশুদের আদালতে হাজিরে নিজস্ব কোনো পরিবহনব্যবস্থা নেই, ভাড়া করা লেগুনা বা গণপরিবহনই ভরসা।

সরেজমিনে ও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, গাজীপুর কিশোর উন্নয়নকেন্দ্রে থাকা শিশুদের সেখান থেকে লেগুনা ভাড়া করে বা গণপরিবহনে ঢাকার আদালতে উপস্থিত করা হয়। এক্ষেত্রে একটি শিশু হলে পুলিশের তিন সদস্যের তত্ত্বাবধানে গণপরিবহনে, পাঁচটি শিশু হলে লেগুনা ভাড়া করা হয়। এভাবে সকাল ৭টার দিকে শিশুদের নিয়ে ঢাকার আদালতে রওনা করা হয়। পৌঁছানোর পর তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

তবে তাদের আলাদা বসার বা অপেক্ষার কক্ষ না থাকায় ভাড়া করা লেগুনাতেই রাখা হয়। আর গণপরিবহনে আনা হলে তখন তাদের বসার জায়গায়ও থাকে না। এভাবেই শিশুদের বিভিন্ন আদালতে নেওয়া হয়। পাশাপাশি নতুন গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণ করা শিশুদের আলাদা একটি গাড়িতে করে গাজীপুর কিশোর উন্নয়নকেন্দ্রে পাঠানো হয়। তবে সাধারণ আসামিদের মতো তাদের রাখার কোনো নির্দিষ্ট জায়গা বা হাজতখানা নেই। এমনকি শিশুদের ব্যবহারে আলাদা টয়লেট বা ওয়াশরুমের কোনো ব্যবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে সাধারণ আসামিদের হাজতখানার টয়লেট ব্যবহার করতে হয়। এ ছাড়া শিশুরা আদালতে এসে বিশৃঙ্খলা করলে তখন তাদের সাধারণ আসামিদের সঙ্গেও রাখা হয়।

ভারত-পাকিস্তানের চিত্র 

বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ভারতের আদালতগুলোতে সম্পূর্ণ আলাদা ওয়েটিং জোন রয়েছে। এই কক্ষগুলো রঙিন দেয়ালচিত্র, কার্টুন, খেলনা, কমিকস বই এবং আরামদায়ক সোফা দিয়ে সাজানো। ভুক্তভোগী শিশু যেন কোনোভাবেই অভিযুক্ত ব্যক্তির মুখোমুখি না হয়, সেজন্য বিশেষ স্ক্রিন (আড়াল) বা ভিডিও কনফারেন্সিং ও ওয়ানওয়ে মিরর প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুর জবানবন্দি নেওয়া হয়। আদালত ভবনের ভেতরেই শিশুদের জন্য আলাদা ওয়াশরুম এবং হালকা খাবারের জন্য প্যান্ট্রির ব্যবস্থা থাকে।

পাকিস্তানের আদালতে শিশুদের জন্য বসার ও খেলার আলাদা ব্যবস্থা থাকে। শ্রীলঙ্কার আদালতের কক্ষগুলোতে শিশুদের জন্য রয়েছে বসার আরামদায়ক ব্যবস্থা। পাশাপাশি বই, টেলিভিশন, কম্পিউটার এবং খেলার সামগ্রী বা প্লে এরিয়া রাখা হয়, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে পারে।

আইনে থাকলেও বাস্তবে নেই

২০১৩ সালে শিশু আইন প্রণয়ন করা হয় এবং ২০১৮ সালে তা সংশোধন করা হয়। সংশোধিত আইনে শিশুদের জন্য আলাদা আদালত বা পৃথক এজলাসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ধারা ১৯-এর উপধারা (৪)-এ বলা হয়েছে, শিশু আদালত কর্তৃক শিশুর বিচার চলাকালে আইনজীবী, পুলিশ বা আদালতের কোনো কর্মচারী আদালত কক্ষে তাদের পেশাগত বা দাপ্তরিক ইউনিফরম পরিধান করতে পারবেন না। কিন্তু বাস্তবে আদালত কক্ষে এগুলো মানা হয় না।

ধারা ১৭(৪) অনুযায়ী, যেসব দালান বা কামরায় এবং যেসব দিবস ও সময়ে প্রচলিত আদালতের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়, তা ছাড়া যতদূর সম্ভব অন্য কোনো দালান বা কামরায়; প্রচলিত আদালতের মতো কাঠগড়া ও লালসালুঘেরা বহুল প্রচলিত চিরায়ত আদালত কক্ষের পরিবর্তে সাধারণ কক্ষে এবং অন্য কোনো দিবস ও সময়ে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ছাড়া শুধু শিশুর ক্ষেত্রে শিশু-আদালতের অধিবেশন বসার কথা। কিন্তু সাধারণ আসামিদের কক্ষেই তাদের বিচারকার্যক্রম চলে। বাস্তবে শিশু আদালত নামে পৃথক কোনো এজলাস কক্ষ গড়ে ওঠেনি। বরং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে শিশু আদালত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

শিশু আইন-২০১৩ অনুযায়ী, একটি শিশুর বয়স ১৮ বছর নির্ধারিত। শিশু আইন ১৯৭৪-এ শিশুর বয়স নির্ধারিত ছিল ১৬ বছর। বাংলাদেশের পেনাল কোডের-৮২ ধারা মোতাবেক ৯ বছরের নিচে কোনো শিশুর আইনবহির্ভূত ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। একই আইনে ৮৩ ধারা মোতাবেক, বিচারকের দৃষ্টিতে ৯ বছরের নিচে ১২ বছরের বেশি না হলে কোনো শিশুর যদি ম্যাচিউরিটি শনাক্ত না হয়, সেক্ষেত্রেও শিশুটি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে না।

আইন মোতাবেক, গ্রেপ্তার করার পর কোনো শিশুকে হাতকড়া, কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাবে না। কিন্তু আসামিকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করার সময় অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ হাতকড়া লাগিয়ে নিয়ে আসে। তবে পুলিশের ভাষ্য, পালিয়ে যেতে পারে এ আশঙ্কায় হাতকড়া পরানো হয়। তবে কিশোর উন্নয়নকেন্দ্রে আটক শিশুদের হাতকড়া না পরিয়েই সোপর্দ করা হয়।

বলা আছে, শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তবে শর্ত থাকে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা এরই মধ্যে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে— এমন কোনো শিশু বা অপরাধী এবং আইনের আওতায় আসা কোনো শিশুর সঙ্গে একত্রে রাখা যাবে না। কিন্তু ঢাকার অধস্তন আদালতে শিশুদের আলাদা জায়গায় রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই।

ঢাকায় বেশি মামলা, কম রাঙামাটিতে

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের তথ্যমতে, ৬৪ জেলার শিশু আদালতে ৪৪ হাজার ৫১৩টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এর মধ্যে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচার চলছে ২ হাজার ৮৩৩টি মামলার। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে ৪২টি মামলার। ঢাকার অধস্তন আদালতে ৪ হাজার ২২৪টি মামলা বিচারাধীন। পাঁচ বছর ধরে ঝুলে রয়েছে ৪৯০টি মামলা। পাশাপাশি ১১টি মামলার বিচার স্থগিত। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রামের শিশু আদালত। এই আদালতে ২ হাজার ৫৬৪টি মামলা বিচারাধীন। রাজশাহীতে ১৯০৯, কক্সবাজারে ১৮৭০, গাজীপুরে ১৫৫৫, ময়মনসিংহে ১৫৩৫ এবং সিলেটে ১৪৬৬টি মামলা শিশু আদালতে বিচারাধীন। দিনাজপুর, কুমিল্লা, যশোর, বরিশাল ও রংপুরে এক হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। তবে রাঙামাটিতে সবচেয়ে কম ৪৯টি মামলা বিচারাধীন। এ ছাড়া ঝালকাঠিতে ১৩৩, মেহেরপুরে ১৪২, বরগুনায় ১৭৯ ও চুয়াডাঙ্গায় ১৮৩টি শিশু আদালতে মামলা বিচারাধীন।

গাজীপুরের টঙ্গীর শিশু উন্নয়নকেন্দ্রের (বালক) তত্ত্বাবধায়ক মো. এমরান খান বললেন, বর্তমানে এখানে ৯৩৪ জন বালক রয়েছে। দূরে হলে তাদের বাসে করে আদালতে হাজির করা হয়। তবে কাছে হলে মাইক্রোবাস ব্যবহার করা হয়। তাদের ভাড়ার সঙ্গে আপ্যায়ন বিল দেওয়া হয়।

আদালতে শিশুদের রাখার কোনো জায়গা না থাকা উদ্বেগজনক এবং শিশুদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার পরিপন্থী উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বললেন, শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী, শিশুদের জন্য পৃথক ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের সঙ্গে শিশুদের রাখা হলে তাদের মানসিক বিকাশ ও নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই আদালত প্রাঙ্গণে শিশুদের জন্য পৃথক নিরাপদ অপেক্ষাকক্ষ ও প্রয়োজনীয় হেফাজতের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। শিশুদের বিচার হতে হবে ভয়ভীতিমুক্ত, মানবিক ও পুনর্বাসনমুখী পরিবেশে। পৃথক অপেক্ষাকক্ষ, প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা, অভিভাবকের সহযোগিতা এবং মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। শিশু আইন-২০১৩ এবং জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী, শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, শিশু বিচারের উদ্দেশ্য শুধু শাস্তি নয়; বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে তাকে সুন্দর ভবিষ্যৎ দেওয়া।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল আগামীর সময়কে বললেন, শিশুদের জন্য আলাদা কোনো হাজতখানা বা রাখার জায়গা নেই। তবে সাধারণ আসামিদের হাজতখানার মধ্যে আলাদা কক্ষে তাদের রাখা হয়। থানা থেকে গ্রেপ্তার হয়ে আসা শিশুদের মাইক্রোবাসে কিশোর উন্নয়নকেন্দ্রে পাঠানো হয়ে থাকে। তবে কিশোর উন্নয়নকেন্দ্র থেকে শিশুদের হাজিরার জন্য আনা হলে সরাসরি কোর্টে নেওয়া হয়। পরে কাজ শেষ করে তাদের নিয়ে যায়।

বন্দি মায়েদের সঙ্গে কারাগারে ৩০৩ শিশু

বন্দি মায়েদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন কারাগারে রয়েছে ৩০৩ শিশু। হাইকোর্টে সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেওয়া প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। সেখানে বলা হয়, অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির মাধ্যমে এসব শিশুর প্রাথমিক বিকাশ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত খোঁজ-খবর নেওয়া হয় এবং খেলনা, পোশাক ও শিশুখাদ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়মিত সরবরাহ করা হয়।

এসব শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থে পছন্দের নিকটাত্মীয়দের কাছে অথবা সরকারি শিশু পরিবারে রাখার সুপারিশও করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

এর আগে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ১৫ জুন বিভিন্ন অপরাধে জড়িত বা দণ্ডিত মায়েদের সঙ্গে কত শিশু কারা হেফাজতে আছে, সে বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন চান। সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর ও কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে দুই মাসের মধ্যে এ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

কারাগারে থাকা ওইসব শিশুর নিরাপত্তা, কল্যাণ, শিক্ষা, সঠিক বিকাশ ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুল জারি করে তা জানতে চান আদালত। অবকাশকালীন ছুটির পর এ রিটের চূড়ান্ত শুনানি হবে বলে জানা যায়। বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

রিট আবেদন করা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কামরুন নাহার মাহমুদ দীপা বলেছেন, ‘আমরা হাইকোর্টে একটি পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন করেছিলাম। কারাগারে অবস্থানরত মায়েদের সঙ্গে কতজন শিশু অবস্থান করছে তার একটি তালিকা চেয়ে। শুনানি শেষে আদালত একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে বলেছিলেন কারা কর্তৃপক্ষ ও সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরকে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর থেকে একটি রিপোর্ট পেয়েছি।’

আদালতশিশুবান্ধবশিশু আইনভয়ভীতিমুক্তবাস্তব
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে ঢাবিতে তড়িঘড়ি ভাইভা!

    পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে ঢাবিতে তড়িঘড়ি ভাইভা!

    সিলেটে দা দিয়ে কুপিয়ে কৃষকের কবজি বিচ্ছিন্ন, অভিযুক্ত ৫

    সিলেটে দা দিয়ে কুপিয়ে কৃষকের কবজি বিচ্ছিন্ন, অভিযুক্ত ৫

    শেয়ালের আঁচড়ের পর ঝাড়ফুঁক, দেড় মাস পর মৃত্যু

    শেয়ালের আঁচড়ের পর ঝাড়ফুঁক, দেড় মাস পর মৃত্যু

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা

    আমি চাই, আমার কাজ দেখে মানুষ আমাকে চিনুক: নীহা চৌধুরী

    আমি চাই, আমার কাজ দেখে মানুষ আমাকে চিনুক: নীহা চৌধুরী

    লেনদেনের আড়ালে কারসাজি খুঁজতে হবে: বিএসইসি কমিশনার

    লেনদেনের আড়ালে কারসাজি খুঁজতে হবে: বিএসইসি কমিশনার

    সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    রাস্তা নিয়ে বিরোধে দম্পতিকে মারধর, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    রাস্তা নিয়ে বিরোধে দম্পতিকে মারধর, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    পরিস্থিতি অনুকূল ভেবে চুয়েটে ঢুকে এখন অবরুদ্ধ ভিসি শরীফুল

    পরিস্থিতি অনুকূল ভেবে চুয়েটে ঢুকে এখন অবরুদ্ধ ভিসি শরীফুল

    হাসিনা ফিরলে ‘আইনি ব্যবস্থা’, এমপিদের করা হলো সতর্ক

    হাসিনা ফিরলে ‘আইনি ব্যবস্থা’, এমপিদের করা হলো সতর্ক

    নিজেরাই কমিটি ঘোষণা করলেন বিএনপির পদবঞ্চিত নেতারা

    নিজেরাই কমিটি ঘোষণা করলেন বিএনপির পদবঞ্চিত নেতারা

    সালতার পর্ষদ ও কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা

    সালতার পর্ষদ ও কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা

    ভিসি শরীফুলের কাণ্ড: গেটে পরিচয় দেন শিক্ষক, সঙ্গে ছিলেন ছাত্রদল নেতারা

    ভিসি শরীফুলের কাণ্ড: গেটে পরিচয় দেন শিক্ষক, সঙ্গে ছিলেন ছাত্রদল নেতারা

    সারা দেশে দুই দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা

    সারা দেশে দুই দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা

    সালমানের ‘মাতৃভূমি’ নিয়ে ধ্রুব রাঠির বিস্ফোরক দাবি

    সালমানের ‘মাতৃভূমি’ নিয়ে ধ্রুব রাঠির বিস্ফোরক দাবি