মারধরের ভিডিও ভাইরালের পর যুবক আটক, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশও প্রত্যাহার

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে উঠবস করানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এক যুবককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকেও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে ধানমন্ডির মীনা বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত খালিদকে আটক করা হয়। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব। তিনি আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা এএসআই আবদুল হাইকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ওসি জানান, গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডির সাতমসজিদ সড়কে বাংলাদেশ আই হাসপাতালের বিপরীত পাশে আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে উঠবস করানোর ঘটনা ঘটে। এর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে খালিদকে আটক করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত খালিদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন। অন্যদিকে আবদুল্লাহ মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত ১২ অক্টোবর দুপুরে ২৩ বছর বয়সী এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে। এর জেরে তাকে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারার পাশাপাশি কান ধরে উঠবস করাতে দেখা যায় খালিদকে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তবে অভিযোগের বিষয়টি ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে আসে প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনা। মারধরের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যর নিরবতা থাকা নিয়েও হয় সমালোচনা।
ঘটনাস্থলে এএসআই আবদুল হাই ছাড়াও পুলিশের আরও দুই সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে ওই দুই সদস্য পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট শাখার হওয়ায় তাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি ধানমন্ডির থানার ওসি।





