ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল দলটি, ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫

সংগৃহীত ছবি
আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল সোমবার বিকালে যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় তাদের।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. লিটন জব্বার (৫২), ইসমাইল হোসেন মামুন (৫৫), মো. বাবুল বাবু (৪৫), আইয়ুব ভূইয়া (৩০) ও মো. রোমান (৩৫)। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, সাত রাউন্ড গুলি, ২ কেজি ২০০ গ্রাম বিস্ফোরক, একটি চাপাতি ও দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
ডিবি বলছে, ঈদকে সামনে রেখে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন বিকাশ ও নগদের এজেন্টের কাছ থেকে টাকা লুট ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল গ্রেপ্তারদের। তবে এর আগেই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিবির ওয়ারি বিভাগ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ঈদ সামনে রেখে ডাকাতির পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল দলটি। গতকাল মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ ও নগদের এজেন্টদের কালেকশনের টাকা ডাকাতি করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। পরবর্তীতে ঢাকার পার্শ্ববর্তী একটি জেলায় স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি করার পরিকল্পনাও ছিল।
তিনি জানালেন, গ্রেপ্তাররা যশোর জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে অস্ত্র, গান পাউডার ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহ করে হাতবোমা তৈরি করত। সেগুলো ব্যবহার করে ডাকাতি ও অন্য দলের কাছে বিক্রিও করত তারা। পরিচয় গোপন করতে ব্যবহার করত অভিনব কৌশল।
তিনি আরও জানালেন, পাঁচজনের মধ্যে চারজনই ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা আর একজন নারায়ণগঞ্জের। তারা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচয় দিতেন। এর আগে যখন ডিএমপিতে ধরা পড়ে, তারা ভিন্ন নাম ব্যবহার করেছিল বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযানের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেছেন, আমরা এখন পর্যন্ত ৫৬৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তার ভিতর ডিএমপির তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজের সংখ্যা ১৫৪ জন এবং ১৩২ জন চাঁদাবাজদের সহযোগী, ছিনতাইকারী ২৬১ জন এবং ১৮ জন মাদক কারবারি।




