এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

খুনের ঘটনায় জব্দকৃত বাস ও উদ্ধারকৃত আলামত। ছবি: সংগৃহীত
জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুর ফিরছিলেন ইসমাইল হোসেন (৫০)। স্বজনদের কাছে ফেরার বদলে ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর মিলল তার নিথর দেহ। বাসের মধ্যে শ্বাসরোধে হত্যার পর তার লাশ এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১ ও পুলিশ।
গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে ইসমাইলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। ইসমাইল জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
হত্যার রহস্য উদঘাটনে ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাব-১। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে বাসচালক সোহেল রানাকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয় মহাখালী এলাকা থেকে। পরে পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় বাসটির সুপারভাইজার সাজু (২৮) ও হেলপার মনিরকে (১৮)।
শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (অপস্ ও মিডিয়া অফিসার) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটিও জব্দ করা হয়েছে। বাসটির নিবন্ধন নম্বর সিরাজগঞ্জ-হ-১১-০০৮৫।
গ্রেপ্তার তিনজনকে বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।






