চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্ব, শিক্ষার্থীদের ওপর যুবদলের হামলা

অভিযুক্ত যুবদল নেতা কে.এম. চঞ্চলে ও আহত শিক্ষার্থী মো. সুমন সিকদার
রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় চাঁদা আদায়ে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের অনুসারীদের বিরুদ্ধে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিউমার্কেটের বলাকা সিনেমা হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ হামলায় ঢাকা কলেজের অন্তত ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন সন্ধ্যায় বলাকা সিনেমা হলের সামনে বিভিন্ন দোকান ও ভ্যানগাড়ি থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ ওঠে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে.এম. চঞ্চলের অনুসারী সোহেল ও আজিম ওরফে ‘গুন্ডা আজিমের’ বিরুদ্ধে। তারা ইউনিট যুবদল নেতা।
এ সময় খবর পেয়ে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে গিয়ে চাঁদা তুলতে বাধা দেন। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি জানতে পেরে যুবদল নেতা কে.এম. চঞ্চল সেখানে ৪০-৫০ জন অনুসারী নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে শিক্ষার্থীদের ওপর ধারাল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।
হামলায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী প্রিন্স খন্দকার, মো. সুমন সিকদার, শাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহমানসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তাদের মধ্যে সুমন সিকদার বলেছেন, বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে নিউমার্কেট এলাকায় কয়েকজনকে দোকানদার ও ভ্যানচালকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে দেখা যায়। এতে বাধা দিলে তারা প্রথমে আমাদের সঙ্গে গালাগালি করে। এর ১০–১৫ মিনিট পর নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে এম চঞ্চলের নেতৃত্বে ৫০–৬০ জন লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আমরা ১০–১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছি। আহতদের মধ্যে ৮–১০ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং দুজন পপুলার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আত্মরক্ষার সময় আমার ডান হাতে কোপ লাগে।
নিউমার্কেট থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেছেন, মারামারির বিষয়ে অবগত আছি। কিন্তু কতজন আহত হয়েছেন সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারিনি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






