স্মার্ট বাংলাদেশের পথে ব্রডব্যান্ডই প্রধান শক্তি: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

ছবিঃ আগামীর সময়
ব্রডব্যান্ড এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ই-গভর্নেন্স ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য এক প্রযুক্তি। স্মার্ট বাংলাদেশের পথে এটি প্রধান শক্তি।
আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ-কথা বলছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
তার ভাষ্য, ‘দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ এই এক্সপো, যেখানে তুলে ধরা হয়েছে ফাইবার অপটিক, ক্লাউড, আইওটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক সব প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ।‘
প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া, ব্রডব্যান্ড সাশ্রয়ী করা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।
বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় এআই ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ চালুর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন মন্তব্য করেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। সরকারের বর্তমান তিনটি প্রধান লক্ষ্য— কানেক্টিভিটি, ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’ এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পাবলিক সেক্টরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ। এই লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের মূল ভিত্তিই হলো নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ।
উল্লেখ্য, ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬-এ অংশ নেন দেশের বিভিন্ন ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সভাপতি এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, আইএসপি উদ্যোক্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, তরুণ উদ্ভাবক এবং দেশি-বিদেশি অতিথিরা।

