Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
১২ লাখ চারা বিতরণ প্রকৌশলী টুটুলের
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজধানী

পানিবন্দি সারা দিন ভোগান্তি চূড়ান্ত

agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৫
শেয়ার করুন:
পানিবন্দি সারা দিন ভোগান্তি চূড়ান্ত

সংগৃহীত ছবি

আষাঢ় শেষ হতে চলল। আর মাত্র দুদিন পরই শ্রাবণ শুরু। বর্ষার এ সময় আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে কয়েক দিন ধরে দেশ জুড়ে যে টানা বর্ষণ হচ্ছে, একে পুরোপুরি ‘স্বাভাবিক’ বলা যায় না। ফলে এমন ভারী বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। অবশ্য ঢাকাবাসীর জন্য এমন ঘটনা নতুন নয়। প্রতি বর্ষায় চেনা রূপেই ফেরে এই জলদুর্ভোগ।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ১৭৫ মিলিমিটার। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের ভাষ্য, বর্ষাকালে সাধারণত দুই ধরনের আবহাওয়া বিন্যাস বা সিস্টেমের কারণে বাংলাদেশে এ সময় বেশি বৃষ্টিপাত। একটি হলো স্থায়ী এবং অন্যটি ক্ষণস্থায়ী সিস্টেম। এই দুই পদ্ধতি যুগপৎ বা যৌথ প্রভাব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই মূলত দেশ জুড়ে চলছে এই অতি ভারী বর্ষণ।

‘বৃষ্টিপাতের প্রথম কারণ মৌসুমি বায়ুর অক্ষ। এটি ভারতের উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এই অক্ষ যে অঞ্চল দিয়ে যায়, সেখানে বাড়ে বৃষ্টিপাত। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকলে বৃষ্টি বাড়ে এবং নিষ্ক্রিয় থাকলে তা কমে। এ ছাড়া এই স্থায়ী সিস্টেমের অংশ হিসেবে রয়েছে বঙ্গোপসাগর বরাবর উচ্চ গতিসম্পন্ন পুবালি জেট (ইস্টার্লি জেট), বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ঊর্ধ্বাকাশে প্রবাহিত পশ্চিমা জেট (ওয়েস্টার্লি জেট), তিব্বতীয় ঊর্ধ্বাকাশের উচ্চ চাপবলয় এবং মাদাগাস্কারের পূর্বপাশের মাস্কারিন হাই (উচ্চ চাপবলয়)। বর্ষাকালে এর সব কয়টি স্থায়ী উপাদানই সক্রিয় থাকে এবং এবার এই পার্মানেন্ট সিস্টেম একদম সঠিক অবস্থানে রয়েছে’— ব্যাখ্যা করলেন তিনি।

এই আবহাওয়াবিদ যোগ করলেন, দ্বিতীয় কারণটি হলো ক্ষণস্থায়ী সিস্টেম। এটি চিরকাল থাকে না, দেখা যায় মাঝেমধ্যে। এর ফলে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সুস্পষ্ট লঘুচাপ, মৌসুমি ঘূর্ণাবর্ত, নিম্নচাপ কিংবা গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। গত ৫ জুলাইয়ের দিকে ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূল বরাবর ঠিক এমনই একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। এ ধরনের নিম্নচাপ উপকূল অতিক্রম করে যখন স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়, তখন বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয় বায়ুচাপের আধিক্য বা উচ্চ চাপবলয়। এর ফলে প্রচুর জলীয় বাষ্পসমৃদ্ধ বাতাস বাংলাদেশের দিকে প্রবেশ করতে শুরু করে, যা ঘন মেঘমালা তৈরি করে এবং ঘটায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও শেয়ার করে বনানী থেকে কামাল হোসেন জানালেন, সকালের পানি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নামেনি বনানী কবরস্থান রোডে। অন্যদিকে ইসিবি চত্বরে পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। বসুন্ধরা, নতুন বাজার, রামপুরা, পল্টন, মতিঝিল, গুলিস্তান, পুরান ঢাকা, ধানমন্ডি, মিরপুরসহ ঢাকার বেশিরভাগ এলাকাই এখন পানির নিচে।

একদিকে যখন সাধারণ মানুষের ত্রাহি অবস্থা, অন্যদিকে একজন মুমূর্ষু রোগী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকুতি জানাতেও দেখা গেছে। সানসিবিলা নামে এক নারী লিখেছেন, ‘মিরপুর-১ টু পান্থপথ (বিআরবি হাসপাতাল) রোডের আপডেট দেবেন কেউ এখন? আমি সার্জারির পেশেন্ট, আজ রাত ৮টার মধ্যে হাসপাতালে যাওয়া খুবই জরুরি! কিন্তু বাসার সামনে কোমরপানি। বের হব সেই উপায়ও নেই।’

শনির আখড়া থেকে মতিঝিলগামী আরেক চাকরিজীবী নুসরাত জাহান বলেছেন, ‘বৃষ্টি হলে ঢাকায় জলাবদ্ধতা এখন নিয়মিত ঘটনা। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে যায়, তখন অফিসে সময়মতো পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। আজও রিকশা ও সিএনজির ভাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। এ ছাড়া অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি প্রধান সড়কে।’

এত নদী, তবু কেন এই অভিশাপ: একসময় ঢাকায় অসংখ্য খাল ছিল, যা বৃষ্টির পানি দ্রুত নদীতে নিয়ে যেত। বছরের পর বছর ধরে দখল, ভরাট আর অব্যবস্থাপনায় সেই প্রাকৃতিক খালগুলো এখন শুধু নথিতে টিকে আছে। ড্রেনগুলো পলিথিন, প্লাস্টিক ও বর্জ্যে ঠাসা থাকায় সরতে পারছে না পানি। অপরিকল্পিত কংক্রিটের অবকাঠামো বাড়ায় পানি শোষণের ক্ষমতা হারিয়েছে মাটি। তার ওপর যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অল্প সময়ে ভারী বৃষ্টির প্রকোপ।

নগর-পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খানের ভাষ্য, ঢাকার প্রাকৃতিক খাল, জলাধার ও নিচু এলাকাগুলো ক্রমাগত ভরাট হয়ে যাওয়ায় কমে গেছে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যাওয়ার সুযোগ। একই সঙ্গে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে অনেক এলাকায় আরও তীব্র আকার ধারণ করছে জলাবদ্ধতা।

এই পরিকল্পনাবিদের মতে, শুধু ড্রেন বা পাম্প বসিয়ে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। রাজধানীকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করতে হলে সমন্বিত নগর-পরিকল্পনা, খাল পুনরুদ্ধার এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভবিষ্যতে আরও জটিল হয়ে উঠবে পরিস্থিতি।

“বৃষ্টির পানি নদী পর্যন্ত যেতে পারছে না, আবার মাটির তলায়ও ঢুকতে পারছে না। স্বাভাবিক, সুন্দর ও সহজ কথা হলো পানি যাওয়ার রাস্তা এবং মাটির তলায় যাওয়ার ব্যবস্থা— এই দুটোকে সচল করলেই সমাধান হয়ে যায় সমস্যার। কিন্তু মূল বিষয় হচ্ছে, ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে একটি ‘সমন্বিত পরিকল্পনা’ বা মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা প্রয়োজন। খণ্ডিতভাবে কখনো খাল পরিষ্কার করে, আবার কখনো কিছু ড্রেন পরিষ্কার করে এর স্থায়ী এবং টেকসই সমাধান করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশনসহ কেউই একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ব্লু নেটওয়ার্ক’ (জলাধার নেটওয়ার্ক) উদ্ধারের পরিকল্পনার সৎ আবেদন বা বাস্তবায়নমুখী কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করেনি”— ব্যাখ্যা করলেন স্থপতি ইকবাল হাবিব।

তার পরামর্শ, এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রথমে আইন অনুযায়ী সমীক্ষা করতে হবে এবং একই সঙ্গে জিআইএস ম্যাপের মাধ্যমে নিখুঁত পরিকল্পনা করে খাল-জলাশয় পুনরুদ্ধার করতে হবে; প্রয়োজনে নতুন কানেকশন তৈরি। এই কাজগুলো লাগাতার করার পাশাপাশি আরও দুটো কাজ জরুরি। সেটি হলো তরল বর্জ্য এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। কারণ, এই দুটোর সঠিক ব্যবস্থাপনা না হলে, ড্রেন বা খাল উদ্ধার করলেও সেগুলো ঠিক রাখা যাবে না।

 

পানিবন্দিবর্ষাবৃষ্টি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সহজ হলো ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

    সহজ হলো ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

    চীনা যুদ্ধবিমান আসছে আগামী বছরই

    চীনা যুদ্ধবিমান আসছে আগামী বছরই

    জমি মেয়েদের দেওয়ায় ঘরে তালা দিল ভাই, বৃদ্ধের এখন ঠাঁই নাই

    জমি মেয়েদের দেওয়ায় ঘরে তালা দিল ভাই, বৃদ্ধের এখন ঠাঁই নাই

    রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

    রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

    মধ্যরাতে হোম ইকোনমিকস কলেজের অধ্যক্ষকে উদ্ধার, ছাত্রীকে চুল ধরে টেনে নামানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    মধ্যরাতে হোম ইকোনমিকস কলেজের অধ্যক্ষকে উদ্ধার, ছাত্রীকে চুল ধরে টেনে নামানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    পুলিশ গিয়েছিল, যাননি ইউএনও; ‘গার্ড অব অনার’ ছাড়াই হলো বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন

    পুলিশ গিয়েছিল, যাননি ইউএনও; ‘গার্ড অব অনার’ ছাড়াই হলো বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন

    তদন্তে ‘দিশা দেখাচ্ছেন’ দিশা

    তদন্তে ‘দিশা দেখাচ্ছেন’ দিশা

    শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণা দিয়ে ছাত্রলীগের মাইকিং

    শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণা দিয়ে ছাত্রলীগের মাইকিং

    এনসিপিতে অস্থিরতা : নতুন রাজনীতির স্বপ্ন কি ফিকে হচ্ছে

    এনসিপিতে অস্থিরতা : নতুন রাজনীতির স্বপ্ন কি ফিকে হচ্ছে

    ডেঙ্গু: মায়ের কোলে ফিরেই না ফেরার দেশে পড়ুয়া অরূপ

    ডেঙ্গু: মায়ের কোলে ফিরেই না ফেরার দেশে পড়ুয়া অরূপ

    দেয়ালে শেখ হাসিনার ফেরার স্লোগান, ডাকা হলো সেই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের

    দেয়ালে শেখ হাসিনার ফেরার স্লোগান, ডাকা হলো সেই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের

    ‘রোহিঙ্গা সংকট মূলত রাজনৈতিক সমস্যা, মানবিক নয়’

    ‘রোহিঙ্গা সংকট মূলত রাজনৈতিক সমস্যা, মানবিক নয়’

    শ্রমিক আন্দোলনে অর্থের জোগান দেওয়া ২০৪ জনের ব্যাংক হিসাব স্থগিত

    শ্রমিক আন্দোলনে অর্থের জোগান দেওয়া ২০৪ জনের ব্যাংক হিসাব স্থগিত

    পিয়াস মজিদের প্রিয় ৫ বই

    পিয়াস মজিদের প্রিয় ৫ বই

    টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে আহত সেনাসদস্যের মৃত্যু

    টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে আহত সেনাসদস্যের মৃত্যু