বিএনপি নেতা বাদশা হত্যায় বহিষ্কৃত নেতা লেদু গ্রেপ্তার

মনোয়ার হাসান ওরফে লেদু হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মনোয়ার হাসান ওরফে লেদু হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
গ্রেপ্তার লেদু আদাবর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন; সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে তাকে দুইবার বহিষ্কার করা হয়।
রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়ায় সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-২ এর অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
তিনি বলেছেন, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে আটক করা হয়। লেদুর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মোট ৩২ টি মামলা রয়েছে।
গ্যাংস অব মোহাম্মদপুর
২৬ জুলাই ২০২৬
র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, গত ১ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানার নবোদয় হাউজিং এলাকায় জাপান ও ব্রাজিলের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হন নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা। ওই হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত লেদু। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজনের ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে লেদুই মূল হামলাকারী পারভেজের কাছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন বলে উঠে এসেছে।
র্যাব জানায়, পিসিপিআর যাচাইয়ে দেখা গেছে, লেদুর বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও দারুস সালাম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একাধিক মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ২০১০ সালের আলোচিত ওহিদুজ্জামান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত কারাগারে ছিলেন। এছাড়া ২০২১ সালে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ র্যাব-৪ তাকে গ্রেপ্তার করে। একটি অস্ত্র মামলায় তার ১০ বছরের কারাদণ্ডও হয়েছে।
র্যাবের আরও জানায়, স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে লেদুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং কিশোর গ্যাংকে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ করে আসছিলেন। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগীদের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।









