Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
সুলতানার উঠানের বীজ ছড়িয়েছে ১৩ গ্রামে
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেল, দূরত্ব বাঁচবে ৮১ কিলোমিটার

সজিব ঘোষ
সজিব ঘোষ
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪০
ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেল, দূরত্ব বাঁচবে ৮১ কিলোমিটার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সমতলেই ডানা মেলতে যাচ্ছে উচ্চগতির উড়াল রেলপথ। রাজধানী থেকে চট্টগ্রামের যোগাযোগে দূরত্ব কমাতে নেওয়া হয়েছে এমন উদ্যোগ। ঢাকার শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত হতে যাচ্ছে নতুন রেলপথ। এতে শুধু দূরত্বই কমবে না, বদলে যাবে দেশের পণ্য পরিবহন ও যাতায়াতের চিত্র। ঢাকা-কুমিল্লা নতুন এই কর্ড রেলপথ নির্মাণে উড়াল কাঠামো বেছে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বৈদ্যুতিক ট্রেন চলাচলের সুযোগ রেখেই তৈরি করা হবে রেলপথটি— যেন বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ট্রেন চালানো যায়। প্রায় ৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেলপথ নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। তবে পুরো পথ উড়ালে করা হবে কি না, চূড়ান্ত সে সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাই রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। পুরো পথ উড়াল না হলেও হবে ৫৭ কিলোমিটার। সেক্ষেত্রে নির্মাণব্যয় কমে আসবে ১০ হাজার কোটি টাকা।   

মূলত জমি অধিগ্রহণ কমাতে পুরো পথ উড়াল করার পরিকল্পনা করা হয়। যদিও উড়াল রেলপথ করতে গিয়ে সাধারণ রেলপথের তুলনায় ব্যয় বাড়ছে ১০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। প্রকল্পটি শুরুর আগে জমি অধিগ্রহণের জন্য আলাদা প্রকল্প নেওয়া হবে। এতে প্রায় ৪ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করবে রেলওয়ে। জমি কিনতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ শেষে মূল প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য যাবে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক)। আর নির্মাণকাজ শুরুর পর বাস্তবায়নের জন্য সময় ধরা হচ্ছে ৪ বছর। গতকাল সোমবার ঢাকার রেলভবনে অংশীজনদের কর্মশালায় প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, নকশা ও কারিগরি পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। কর্মশালায় উপস্থাপিত তথ্য এবং প্রকল্পসংশ্লিষ্ট নথি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

কর্ড লাইনের (সংক্ষিপ্ত পথ) অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, শুরু থেকেই ভবিষ্যতের বৈদ্যুতিক ট্রেন চলাচলের বিষয়টি নকশায় রাখা। উড়াল কাঠামোর প্রয়োজনীয় উচ্চতা ও ক্লিয়ারেন্স এমনভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে ওভারহেড বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা স্থাপন করা যায়। রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এটি হবে ২৫ টন এক্সেল লোডের পূর্ণ ব্রডগেজ ডাবল ট্র্যাক। নকশাগত সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার এবং পরিচালনগত গতি ১৪০ কিলোমিটার ধরা হয়েছে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে দ্রুতগতির যাত্রীবাহী ট্রেনের পাশাপাশি পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের উপযোগী করেই করিডরটি তৈরি করার পরিকল্পনা হচ্ছে।

বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রেলপথ টঙ্গী ও ভৈরব হয়ে ঘুরে যাওয়ায় দূরত্ব প্রায় ৩২০ দশমিক ৮ কিলোমিটার। কর্ড লাইন চালু হলে এ দূরত্ব কমে প্রায় ২৪০ দশমিক ৬৩ কিলোমিটারে নেমে আসবে। অর্থাৎ প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ কমে যাবে। রেলওয়ের হিসাব অনুযায়ী, কর্ড লাইন চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রার সময় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা কমতে পারে। বর্তমানে সুবর্ণ এক্সপ্রেসে এ যাত্রায় সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা ৫০ মিনিট; প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় তা প্রায় ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।  নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লার মধ্যবর্তী এলাকায় জালকুড়ি, সোনারগাঁ, তিতাস, দেবিদ্বার ও বুড়িচংয়ে পাঁচটি নতুন মধ্যবর্তী স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাবও রয়েছে।

রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘এই রেলপথ হলে এখানে যাত্রীবাহী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে পদ্মা রেল লিংকের মাধ্যমে খুলনার সঙ্গে এই রেলপথকে যুক্ত করা যাবে। ফলে বিদ্যমান পথে চাপ কমবে। সেখানে পণ্যবাহী ট্রেন বাড়ানো যাবে। সব মিলিয়ে একটি বিকল্প করিডর তৈরি হতে যাচ্ছে।’

জমি বাঁচাতে উড়াল, খরচ বাড়ছে ১০ হাজার কোটি টাকা: ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইনে জমি অধিগ্রহণের জটিলতা ও পরিবেশগত ক্ষতি কমাতে মাটির বাঁধ ও উড়াল কাঠামোর দুটি বিকল্প পর্যালোচনা হয়েছে। এর মধ্যে পুরো রুট উড়াল করার পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নথি অনুযায়ী, মাটির বাঁধ ও উড়াল কাঠামোর মিশ্রণে রেলপথ নির্মাণে ব্যয় হতো প্রায় ৭৩ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে পুরোপুরি উড়াল রেলপথ নির্মাণে ব্যয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৮৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। অর্থাৎ উড়াল পথ বেছে নেওয়ায় অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা, যা প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি।

এর বিনিময়ে রেল করিডরের জন্য জমির প্রয়োজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। মাটির বাঁধ নির্মাণে প্রায় ৫৬ মিটার প্রশস্ত করিডরের প্রয়োজন হলেও উড়াল কাঠামোয় তা কমে প্রায় ৩০ মিটারে নামবে। এতে প্রায় ৩২২ একর কৃষি ও বসতবাড়ির জমি অধিগ্রহণ থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার গাছ কাটা এড়ানো সম্ভব হবে।

রেলের জন্য ১৩ মিটার উঁচু হবে এক্সপ্রেসওয়ে: কর্ড লাইনের সবচেয়ে জটিল সমন্বয়ের একটি তৈরি হয়েছে প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম আট লেনের উড়াল এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে। সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর এলাকায় একই স্থানে ভূমিতে থাকবে বর্তমান সার্ভিস রোড, তার ওপর রেলওয়ের উড়ালপথ এবং সবচেয়ে ওপর থাকবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত এক্সপ্রেসওয়ে।

নকশা অনুযায়ী, রেলের উড়াল কাঠামোর নিচ দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে এক্সপ্রেসওয়ের উচ্চতা বর্তমান পরিকল্পিত ১৭ দশমিক ৭৩ মিটার থেকে বাড়িয়ে ৩১ দশমিক ১০ মিটার করতে হবে। অর্থাৎ উচ্চতা বাড়াতে হবে প্রায় ১৩ দশমিক ৩৭ মিটার। এ পরিবর্তনের প্রভাব শুধু সড়কের উচ্চতায় সীমাবদ্ধ নয়। এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প ও টোল প্লাজার অবস্থানও পুনর্বিন্যাস করতে হবে। ফলে একটি নতুন রেলপথ নির্মাণের সঙ্গে বিদ্যমান ও পরিকল্পনাধীন বড় সড়ক অবকাঠামোর নকশায়ও পরিবর্তন আনতে হচ্ছে।

কর্ড লাইনের পথে রয়েছে জিটিসিএল, তিতাস ও বাখরাবাদের আওতাধীন অন্তত পাঁচটি প্রধান গ্যাস পাইপলাইন। এসব লাইনে পরিচালন চাপ ক্ষেত্রবিশেষে প্রায় ১ হাজার পাউন্ড প্রতি বর্গইঞ্চি (পিএসআই) পর্যন্ত। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব উচ্চ চাপের গ্যাসলাইনের ওপর দিয়ে বা পাশ দিয়ে উড়াল রেলপথ নিতে হবে। ফলে ভায়াডাক্টের পাইলিং ও ভিত্তি নির্মাণের সময় গ্যাস সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বড় কারিগরি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্যাসলাইনগুলোর নিরাপদ দূরত্ব, ভিত্তি নির্মাণের পদ্ধতি এবং বিদ্যমান সরবরাহব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানি ও পেট্রোবাংলার সঙ্গে সমন্বয় করে বিশেষ নকশা ও কারিগরি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

৮১ কিমিতে ৯ নদী, সমন্বয় করতে হবে ৩ বড় প্রকল্প: প্রস্তাবিত ৮১ দশমিক ১ কিলোমিটার রেলপথে প্রধান ৯টি নদী পার হতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে শীতলক্ষ্যা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা, গোমতীসহ বিভিন্ন নদী। নদীগুলোর ওপর আটটি বড় ট্রাস সেতু এবং একাধিক গার্ডার সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব সেতুর সম্মিলিত দৈর্ঘ্য ৪ কিলোমিটারের বেশি। সবচেয়ে বড় সেতুটি নির্মাণ করতে হবে মেঘনা নদীর ওপর, যার দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ২ দশমিক ২ কিলোমিটারের বেশি।

ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইনের রুট বাস্তবায়নে একাধিক বড় অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে রেলওয়েকে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ঢাকা-চট্টগ্রাম ৮ লেনের এক্সপ্রেসওয়ে এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কর্ড লাইন ও এর স্পার লাইনকে অন্তত তিনটি স্থানে অতিক্রম করবে। বৈদ্যুতিক ট্রেনের নিরাপত্তার জন্য সেখানে ন্যূনতম ৮ দশমিক ৫৮ মিটার ক্লিয়ারেন্স রাখার প্রয়োজন হচ্ছে।

অন্যদিকে পিজিসিবির উচ্চ ভোল্টেজ সঞ্চালন লাইন নতুন রেলপথকে ১০টির বেশি স্থানে অতিক্রম করেছে। ফলে রেলপথের উচ্চতা, বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা ও বিদ্যমান সঞ্চালন অবকাঠামোর মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।

পণ্য পরিবহনে নতুন পথ, বদলাবে গ্রামীণ সড়কের গতিপথ: নতুন রেলপথের প্রভাব পড়বে স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার ওপরও। রেলওয়ের সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জরিপে করিডরের পথে মোট ১৪১টি গ্রামীণ সড়ক ও সংযোগ শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩৫টি সড়ক ও সংযোগ রক্ষা করার পরিকল্পনা রয়েছে। ৯৯টি গ্রামীণ সড়ক সরাসরি উড়াল রেলপথের পিলার বা গার্ডারের নিচ দিয়ে চলাচলের সুযোগ পাবে। আরও ২৭টি স্থানে নির্মাণ করা হবে রোড আন্ডারপাস। তবে ছয়টি গ্রামীণ সড়কের ক্ষেত্রে বিদ্যমান গতিপথ পরিবর্তন করে রেলপথের সমান্তরাল বা বিকল্প সংযোগের সঙ্গে যুক্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে কর্ড লাইনটি শুধু যাত্রী পরিবহনের সময় কমানোর জন্য নয়, দেশের পণ্য পরিবহনব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রেলওয়ে। নতুন এই সরাসরি করিডর ব্যবহার করে চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে ঢাকামুখী কনটেইনার ও মালবাহী ট্রেন পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে। ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের ওপর সড়কপথে পণ্য পরিবহনের চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিমসটেক ও ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইন শুধু নতুন রেলপথ নয়; একসঙ্গে জমি অধিগ্রহণ কমানো, বৈদ্যুতিক ট্রেনের প্রস্তুতি, দ্রুতগতির রেল, নদী পারাপার, উচ্চ চাপের গ্যাসলাইন, উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সঞ্চালন এবং এক্সপ্রেসওয়ের মতো একাধিক অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয়ের একটি বড় প্রকল্প। নিরাপদ ও কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। সমন্বয় ঠিক রাখতে পারলে এটি যোগাযোগব্যবস্থায় মাইলফলক তৈরি করতে পারে।’

 

রেলপথউড়ালইলেকট্রিক ট্রেনপরিবহনযাতায়াতনির্মাণব্যয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি, থানায় জিডি

    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি, থানায় জিডি

    ৩০ ব্যাংকে এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ, গভর্নর ক্ষুব্ধ

    ৩০ ব্যাংকে এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ, গভর্নর ক্ষুব্ধ

    নান্দাইলের দোকানে তৈরি করা হতো ভুয়া এনআইডি

    নান্দাইলের দোকানে তৈরি করা হতো ভুয়া এনআইডি

    ‘আমার বিরুদ্ধে নিউজ করবেন, আবার বিজ্ঞাপন চাইবেন’ সাংবাদিককে এসিল্যান্ড

    ‘আমার বিরুদ্ধে নিউজ করবেন, আবার বিজ্ঞাপন চাইবেন’ সাংবাদিককে এসিল্যান্ড

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ির পথে ‘প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার’?

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ির পথে ‘প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার’?

    কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে গাছ না লাগিয়েই লোপাট ৫০ কোটি টাকা

    কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে গাছ না লাগিয়েই লোপাট ৫০ কোটি টাকা

    চুক্তির সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

    চুক্তির সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

    দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন ছুটি, তবে আগের শনিবার অফিস খোলা

    দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন ছুটি, তবে আগের শনিবার অফিস খোলা

    বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেই শুরু দ্বিতীয় পদ্মা সেতু

    বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেই শুরু দ্বিতীয় পদ্মা সেতু

    এক বছর ধরে মেয়েকে ধর্ষণ, বাবার যাবজ্জীবন

    এক বছর ধরে মেয়েকে ধর্ষণ, বাবার যাবজ্জীবন

    রাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলায় শনাক্ত ছাত্রদলের ৭ নেতাকর্মী জড়িত নানা অপকর্মে

    রাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলায় শনাক্ত ছাত্রদলের ৭ নেতাকর্মী জড়িত নানা অপকর্মে

    শিক্ষক দিবসের ব্যানারে শেখ হাসিনার নাম, প্রধান শিক্ষক আটক

    শিক্ষক দিবসের ব্যানারে শেখ হাসিনার নাম, প্রধান শিক্ষক আটক

    এনসিপি আছে শুধু নগর মহানগরে

    এনসিপি আছে শুধু নগর মহানগরে

    দুই ভারতীয়কে গুলি করে ফেলে গেল বিএসএফ

    দুই ভারতীয়কে গুলি করে ফেলে গেল বিএসএফ

    সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত

    সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত