‘অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়’

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি
অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয় বলে মন্তব্য করেছে রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, অডিট আপত্তি উঠলে নথি যাচাই, জবাবদিহি ও প্রয়োজন হলে তদন্ত করতে হবে। তবে আপত্তি নিষ্পত্তির আগেই সেটিকে দুর্নীতির চূড়ান্ত রায় হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সংগঠনটির নেতারা। এতে সভাপতিত্ব করেন রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে ১৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের দাবি বিভিন্নভাবে সামনে এসেছে। এই হিসাবের ভিত্তি জনগণের সামনে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। চুক্তিমূল্য, সংশোধিত প্রকল্প ব্যয় ও প্রকৃত ব্যয়ের পার্থক্যকে সরাসরি ‘অতিরিক্ত ব্যয়’ বলা হলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাই এ বিষয়ে আবেগ নয়, বরং নথি ও তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধানের আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা বলেন, বড় একটি রাষ্ট্রীয় প্রকল্প একজন ব্যক্তি একা পরিচালনা করেন না। পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পে বিভিন্ন সময়ে একাধিক কর্মকর্তা প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই কোন সময়ে কে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কে কাজের পরিমাণ ও গুণগত মান যাচাই করেছেন, কে বিল ভেটিং ও অর্থ ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছেন— এসব বিষয় অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
বর্তমান মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তদন্তেরও দাবি জানান তারা। তবে অভিযোগ প্রমাণের আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে প্রতিষ্ঠা না করার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘দোষী হলে ব্যবস্থা নিন, নির্দোষ হলে অপপ্রচার বন্ধ করুন।’ তাদের ভাষ্য, ‘অপপ্রচার নয়— প্রমাণ চাই, অভিযোগ নয়— তদন্ত চাই।’





