সম্ভবত

একেই বলে ‘কলিকাল!’ আরও কত কী দেখতে হবে মানুষকে, কে জানে? মানুষের বানানো রোবটের গর্ভেই নাকি জন্মাবে মানুষ! শুধু এটুকুই? না; প্রাণহীন ইস্পাত-অ্যালুমিনিয়ামের ওই গর্ভেই নাকি জন্ম নেবে ‘জীবন্ত রোবট!’ গালগল্প নয়, এটাই নাকি পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। তাও আবার নিকট ভবিষ্যৎ; দূরের নয়। বর্ষপঞ্জিকার হাট ঘুরলে ২০৫০ সালের মোড়েই নাকি মিলবে এই দৃশ্য! ২০১৭ সালেই এই ঢোল পিটিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ভবিষ্যৎবিদ থোমাস ফ্রে। ‘উইল ফিউচার রোবটস বি অ্যাবেল টু গিব বার্থ টু দেয়ার ওউন চিলড্রেন’ নিবন্ধে এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। নাম দিয়েছেন ‘সারোগেট রোবট’।
‘রোবটের বাচ্চা’ জন্মানোর এ খবরে ঝড়ে তুলকালাম ইন্টারনেট জগৎ। হাসির ফোয়ারা উঠেছে নেটিজেন চত্বরে। কিন্তু ভবিষ্যৎবিদদের কাছে আবার এটাই আমাদের আগামী পৃথিবীর বাস্তবতা। কৃত্রিম গর্ভ তৈরির গবেষণায় যেভাবে আদাজল খেয়ে লেগেছে চীন; সারোগেট রোবট এই বাজারে এলো বলে!
এরই মধ্যে চীনের গবেষকরা দাবি করেছেন ‘প্রেগন্যান্সি রোবট’ আবিষ্কারে তারা সফল। কিন্তু ভেতরে ঢুকে জানা গেল ‘খবর ভুয়া’। প্রযুক্তি বিশ্বে সমালোচনায় আবার শুরু হয় অন্তঃসত্ত্বা রোবটের চর্চা।
ফ্রের মতে, জীববিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং ও রোবোটিকসের মিশ্রণে বাচ্চা জন্ম দেবে রোবট। পাশাপাশি মানুষের কাছেও ভাড়া দেবে নিজেদের গর্ভ। এক কথায় মনুষ্যকুলের প্রচলিত সারোগেসির মাধ্যমে নাকি মানুষের সন্তান জন্ম দেবে রোবট। সারোগেসি হলো— একজন নারী অন্য ব্যক্তি বা দম্পতির হয়ে গর্ভধারণ করেন, জন্ম দেন সন্তান। আর্থিকভাবে সারোগেসি অনেক ব্যয়বহুল। রোবট সারোগেট সে ক্ষেত্রে কম খরচে হতে পারে। চাইলে রোগবালাই ছেঁটে ফেলে, দম্পতির সুস্থ জিন দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করে জন্ম দেওয়া যাবে সন্তান।




