কিন্তু

একপাড় ভেঙে, একপাড় গড়া— নদীর এ খেলা চলে প্রকৃতির নিয়মে। একইভাবে চলে জীবনের খেলাও। যে মুহূর্তে কোনো নবজাতকের জন্ম হয়, সেই মুহূর্তে মৃত্যুও ঘটে কারও কারও। কিছু কিছু মৃত্যু ব্যক্তিমানুষের গণ্ডি পেরিয়ে সামগ্রিকভাবে ফেলে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। যদিও এমন মৃত্যুভাগ্য হয় না সবার। গতকাল সোমবার প্রয়াত হওয়া বাংলাদেশের জাঁদরেল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুভাগ্যও বোধ হয় অনুকূল হলো না তেমন। কিন্তু কেন? ষাটের দশকে, ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয় রাজনীতিতে তুমুল অবদান রেখেছেন তিনি।
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তার নাম চলে আসে শুরুর দিকে। রাজপথ থেকে জাতীয় সংসদ, জীবনের সিংহভাগ সময় তার ছিল তুমুল সক্রিয়তা। সবাই চিনত এক নামে; অনেকেই করত সমীহ। তার আঙুলের ইশারায় কত কিছুই না যেত ঘটে; যার কিছুটা সত্য আর কিছু মিথ। এমন এক ব্যক্তির মৃত্যুতে পুরো জাতির হয়ে পড়ার কথা ছিল শোকবিহ্বল। কিন্তু কান পাতলে ক্রন্দনধ্বনি অতটা শোনা যায় কি? উৎকণ্ঠা ছাপিয়ে, নিঃসংকোচে কিংবা স্বতঃস্ফূর্তভাবে শোকবার্তা জানাতে পারছেন কতজন



