Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সুমির উদ্যোগে ১৯২ নারীর ভাগ্যবদল
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কাজললেখা

ঝরাপাতার সংসার

আইজ্যাক রবিনসন (ভাষান্তর : সুমন কায়সার)
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৮
ঝরাপাতার সংসার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

ওকেলো বলেছিলেন, সবাই যুদ্ধে মানুষ মারতে বা এক কারণে যায় না। কেউ হয়তো যুদ্ধে যোগ দেয় শুধু নিজের শহর. স্বজনরা আক্রান্ত হয়েছিল বলে।

এবার আমাকে একটু খোলাসা হতেই হলো ওকেলোর কাছে।

আমি: প্রশ্নটা আমার নিজের একান্ত ব্যক্তিগত জীবনের কথা। ব্যাপারটা খুব স্পর্শকাতর। আশা করবো, আপনি এটা গোপন রাখবেন।

আসলে আমার বয়ফ্রেন্ড ইগর…ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের শিবিরে যোগ দিয়েছে। তিনমাসের ট্রেনিং শেষ। ওকে ফ্রন্টে পাঠানো হয়েছে যুদ্ধ করতে। ইগর নিজে থেকেই গেছে যুদ্ধে।

আর…এটা স্বীকার করতে আমার কষ্টই হচ্ছে… আপনি যে শান্তিপ্রিয় মানুষটির কথা বললেন, যে হয়তো বাধ্য হয়ে নিজের মানুষদের রক্ষা করতে যুদ্ধে গেছে… ইগরের ব্যাপারটা তেমন নয়। যুদ্ধটা ওদের পক্ষই শুরু করেছিল।

ওকেলো: কথাটা জেনে আমার সত্যিই খুব খারাপ লাগছে মাশা। তোমার জন্য এমন বোঝা বয়ে বেড়ানোটা ভয়ঙ্কর। আচ্ছা, ইগর কি কখনো বলেছে, কেন ও যুদ্ধে গেল?

আমি: ও যা বলেছে, সবই রুশ মিডিয়ায় শোনা সেই চেনা কথা—রুশ জাতিগত পরিচয়, ভাষা, সংস্কৃতি রক্ষা করতে হবে… এসবই আর কী!

আমি ওর কথা বিশ্বাস করার চেষ্টা করছি। তবে এখনো বুঝে উঠতে পারছি না, যে মানুষটা মারদাঙ্গা সিনেমা পর্যন্ত এড়িয়ে চলতো সে কীভাবে এখন মানুষ মারার জন্য একপায়ে খাড়া। কীভাবে ও আরেকজন ভীতসন্ত্রস্ত,বিভ্রান্ত মানুষকে ঠাণ্ডা মাথায় মারবে যে সম্ভবত নিজের ইচ্ছায় যুদ্ধে নামেনি।

ওকেলো: ইগরের যুদ্ধে যাওয়ার পেছনে কারণ খোঁজার চেষ্টা করে লাভ নেই সাশা। বিশ্বাসযোগ্য কোন কারণ পাবে না। বরং বৃহত্তর ছবিটা দেখার চেষ্টা করো।

তোমার আমার মতোই কোটি কোটি – হয়তো শত কোটি – মানুষ আছে যারা যুদ্ধে উস্কানি দেয়, এর পক্ষে সাফাই গায়, সহ্য করে কিংবা নীরব থাকার মাধ্যমে কার্যত মেনে নেয়।

আমি: তাহলে আমরা সবাই দায়ী, এই তো? এমনকী যারা হাতে অস্ত্র তুলে নেয়নি তারাও?

ওকেলো হাসলেন। জানতে চাইলেন আরেক কাপ কফি বা একটা বিয়ার চাই কিনা। আমি না করলাম। ওকেলো উঠে গিয়ে নিজের জন্য একটা বিয়ার নিয়ে আসলেন।

ওকেলো: আজকের পৃথিবীতে তিনটা শক্তি বারবার যুদ্ধের জন্ম দিচ্ছে—জাতিরাষ্ট্রের ছাতার নিচে চিন্তার কেন্দ্রীকরণ, পুঁজিবাদ আর ফিয়াট মুদ্রা। উগাণ্ডায় আমরা বলি, —‘থাকিলে ডোবাখানা, হবে কচুরিপানা।’ পানি নষ্ট হতে শুরু করলেই কচুরিপানা এসে জোটে। উজ্জ্বল বেগুনি ফুলসহ জলজ আগাছাটা দেখতে বেশ সুন্দর। কিন্তু দাবানলের মতো বেড়ে চলে পুকুর ছেয়ে ফেলে।  নিচে যা আছে তার প্রায় সবকিছুকে দম বন্ধ করে মেরে ফেলে।

আমি এভাবেই বিষয়টাকে দেখি। জাতিরাষ্ট্র, বিশ্ব অর্থনীতি আর আধু­নিক মুদ্রাব্যবস্থা যেভাবে গড়ে উঠেছে, তাতে যুদ্ধ এখন আর কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটা স্বাভাবিক পরিণতি মাত্র।

আমি: আচ্ছা, তা না হয় বুঝলাম। কিন্তু ‘চিন্তার কেন্দ্রীকরণ’ বলতে আপনি কী বোঝাচ্ছেন? মানে, তত্ত্বের কথা বাদ দিলাম—বাস্তবে ব্যাপারটা কী?

ওকেলো: আচ্ছা, উদাহরণ হিসেবে ঈশ্বরের কথা ধরো। মানব ইতিহাসে এর চেয়ে শক্তিশালী ধারণা তো আর নাই? ঠিক?

একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর উত্থানের আগে হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ পবিত্র শক্তিকে এক জায়গায় দেখত না। সেই শক্তি ছড়িয়ে ছিল প্রকৃতির নানা ক্ষেত্রে—পাহাড়ে, গাছে, নদীতে। এবার তার সঙ্গে এমন একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের তুলনা করো, যিনি একাই সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব করেন।

‘চিন্তার কেন্দ্রীকরণ’ বলতে আমি এটাই বোঝাচ্ছি। ঈশ্বর আর পাহাড়ে, গাছে বা নদীতে থাকেন না। আর এখন সবকিছুরই একজন প্রভু থাকতে হবে। এমনকি আকাশেরও। এমনকি তোমার আত্মারও।

আমি: কী বলেন এসব? ঈশ্বর একসময় পাহাড়, গাছ বা নদীতে থাকতেন?         

ওকেলো: এটা একটা কথার কথা আর কী! আদিম মানুষ যখন শিকার আর ফলমূল সংগ্রহ করে বেঁচে থাকত, তখন সে প্রকৃতি আর পশুপাখির মধ্যেই আধ্যাত্মিক শক্তি খুঁজে পেত। পরে কৃষিকাজ শুরু হলো, মানুষের প্রয়োজনও বদলে গেল। তখন এলো উর্বরতার দেবদেবী। বৃষ্টি, ভালো ফলন বা বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করতে শুরু করল।

এখান থেকেই বুঝতে পারো, মানুষের আধ্যাত্মিক বিশ্বাস আসলে তার জীবনের প্রয়োজনেরই প্রতিফলন ছিল। আর প্রয়োজন যখন নানা রকম, দেবদেবীও তখন নানা রকম।

আমি: আচ্ছা। মনে হচ্ছে বিষয়টা ধরতে পারছি। তাহলে আপনি বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার ধারণাটা কেন্দ্রীভূত হয়ে গেল—পরিণত হলো একক, সর্বময় এক শক্তির ধারণায়। কিন্তু বাস্তবে এটা কীভাবে ঘটল?

ওকেলো: অনেকটাই শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে উত্তর আফ্রিকা থেকে পশ্চিম এশিয়া পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঈশ্বরের ধারণাটাও ধীরে ধীরে কেন্দ্রীভূত হতে শুরু করে। মিশর থেকে লেভান্ত, আরব অঞ্চল হয়ে প্রাচীন পারস্য পর্যন্ত—এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তখন শক্তিশালী, কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র আর সাম্রাজ্য গড়ে উঠছিল। একজন সম্রাটের হাতে বিপুল ক্ষমতা। আইন আছে, আমলাতন্ত্র আছে, সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার একটা কেন্দ্র আছে।

সমাজও তখন আগের চেয়ে অনেক জটিল। কোথাও পানি কম, কোথাও চাষের জমি সীমিত। এত মানুষকে একসঙ্গে রাখতে হলে শৃঙ্খলা দরকার, নিয়ন্ত্রণ দরকার। ধীরে ধীরে মানুষের আধ্যাত্মিক জগতেও যেন সেই একই ছবি ফুটে উঠল। পৃথিবীতে যদি একজন সর্বময় শাসক থাকতে পারে, স্বর্গেই বা থাকবে না কেন?

এক ঈশ্বর। এক শাসক। এক সত্য।

আমি: জানেন, আমার দাদা-দাদি আর নানা-নানি—দুই দিকের কেউই ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেন না। তবে আমার মা ধর্মবিশ্বাসী মানুষ। আর ‘ঈশ্বর’ শব্দটা শুনল আমার মাথায় একক, সর্বশক্তিমান এক সত্তার কথাই আসে ।

আরও পড়ুন

ঝরাপাতার সংসার

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওকেলো: এই অঞ্চলের মানুষ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এমনটাই বিশ্বাস করে আসছে। যাই হোক, আগের কথায় ফিরে আসি— জরথুস্ত্রবাদ আর ইহুদি ধর্ম একেশ্বরবাদের একেবারে শুরুর দিকের ধারা। পরবর্তী সময়ে ইহুদি ধর্মের সঙ্গে ঐতিহাসিক যোগসূত্র রেখে খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামের বিকাশ ঘটে।

আমি: আপনি যখন বললেন, সবাই ধীরে ধীরে এক বিশ্বাসের নিচে চলে এলো—তার মানে কি রোমের মতো সাম্রাজ্যগুলো পরে ধর্মকে তাদের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও নিয়ন্ত্রণ করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল?

ওকেলো: হ্যাঁ, ঠিক তাই। মিলানের ফরমান খ্রিস্টধর্মকে রোমান সাম্রাজ্যে বৈধতা দিয়েছিল। এরপর আসে থেসালোনিকার ফরমান যার মাধ্যমে খ্রিস্টধর্ম প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রধর্মেই পরিণত হয়। তখন প্রত্যাশা করা হতো রোমান শাসনের অধীনে থাকা প্রতিটি মানুষ একটি কেন্দ্রীভূত ধর্মীয় কাঠামো অনুসরণ করবে।

রোমান সাম্রাজ্য ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে শুরু করলে আরব সাম্রাজ্যগুলোর উত্থান ঘটে। তারাও আরেকটি কেন্দ্রীভূত ধর্ম ইসলামকে ছড়িয়ে দিলো পূর্বে ভারত থেকে পশ্চিমে স্পেন পর্যন্ত বিশাল এক ভূখণ্ডজুড়ে।

পরে স্পেন ও পর্তুগাল আবার দুই আমেরিকা মহাদেশজুড়ে কঠোরহাতে চাপিয়ে দিলো খ্রিস্টধর্ম। আজকের দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা থেকে উত্তর আমেরিকার আলাস্কা পর্যন্ত চলে তাদের ধর্মবিস্তারের তৎপরতা।

এরপর ব্রিটিশরা  যখন বৈশ্বিক পরাশক্তি হয়ে উঠল —যাদের সাম্রাজ্যে নাকি সূর্য কখনো অস্ত যেত না— তারাও এশিয়া ও আফ্রিকাতে খ্রিস্টধর্মের বার্তা বয়ে নিয়ে যায়। ওইসব অঞ্চলে তখনো এ ধর্মবিশ্বাসটি সেভাবে শেকড় গাড়তে পারেনি।

আমি: আচ্ছা। মনে হচ্ছে আপনার কথা বেশিরভাগই ধরতে পারছি। তবে যুদ্ধের সঙ্গে এসবের সম্পর্ক কী তা কিন্তু এখনো বুঝলাম না।

ওকেলো: আসলে একেশ্বরবাদী ধর্মগুলো জাতিরাষ্ট্র গড়ে ওঠার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। জাতিরাষ্ট্রের ধারণাটাই তেমন পুরোনো নয়—মাত্র চারশ বছরের মতো। গোড়ার দিকের জাতি রাষ্ট্রগুলোতে জাতীয় পরিচয় কীভাবে রূপ নিয়েছিল সেদিকে খেয়াল করলে দেখবে, ধর্ম ছিলো এর সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ারগুলোর একটি।

রোমান সাম্রাজ্য ভেঙে পড়তে শুরু করার পর এর ছিন্নবিচ্ছিন্ন অংশগুলো আত্মপরিচয় গড়ে নিয়েছে মূলত তিনটি উপাদানের ভিত্তিতে: এক অভিন্ন ভাষা, অভিন্ন ধর্ম ও অভিন্ন শত্রু।

ইংল্যান্ড আর ফ্রান্সের কথাই ধরো—যদিও কাগজে-কলমে ইংল্যান্ড একটা রাজ্য, রাষ্ট্র নয়। তবে এ দেশদুটি পরস্পরকে নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রে—ইংরেজি ভাষা, প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্ম আর অভিন্ন শত্রু ফরাসিরা। ফ্রান্সের ক্ষেত্রে—ফরাসি ভাষা, ক্যাথলিক ধর্ম আর অভিন্ন শত্রু ইংল্যান্ড।

আমি আসলে এটাই বোঝাতে চেয়েছিলাম। ভাষা, ধর্ম, শত্রু—এ ধরনের কিছু ধারণাকে যখন কেন্দ্রীভূত করে একটা জাতীয় পরিচয়ের মধ্যে বেঁধে ফেলা হয় তখন একই সঙ্গে অন্তহীন যুদ্ধের উপকরণও তৈরি হয়ে যায়।

(চলবে)

কাজললেখাঝরাপাতার সংসারআইজ্যাক রবিনসন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ক্রয়ক্ষমতা কমায় খাদ্যঝুঁকি

    ক্রয়ক্ষমতা কমায় খাদ্যঝুঁকি

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ১১১৪২ কোটি = ০

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ১১১৪২ কোটি = ০

    মক্কা প্রতিরক্ষা জোট সুযোগ নাকি ঝুঁকি?

    মক্কা প্রতিরক্ষা জোট সুযোগ নাকি ঝুঁকি?

    সবজিতে স্বস্তি, চড়া নিত্যপণ্যের বাজার

    সবজিতে স্বস্তি, চড়া নিত্যপণ্যের বাজার

    দুদকের মামলা পথ হারায় রাজনীতির মারপ্যাঁচে

    দুদকের মামলা পথ হারায় রাজনীতির মারপ্যাঁচে

    বাংলার গাউনে সাজছেন পশ্চিমা কনেরা

    বাংলার গাউনে সাজছেন পশ্চিমা কনেরা

    গাজীপুরে স্বপ্নের আশ্রয়ণের ঘরে ঝুলছে তালা

    গাজীপুরে স্বপ্নের আশ্রয়ণের ঘরে ঝুলছে তালা

    গণপতির শোবার ঘর পরিদর্শনের অনুমতি পেলেন না আইনজীবীরা

    গণপতির শোবার ঘর পরিদর্শনের অনুমতি পেলেন না আইনজীবীরা

    পাকিস্তানিকে বিয়ে করে নিখোঁজ বাংলাদেশি নারী, সন্ধানে হাইকমিশন

    পাকিস্তানিকে বিয়ে করে নিখোঁজ বাংলাদেশি নারী, সন্ধানে হাইকমিশন

    বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    প্রত্যেক ইউনিয়নে মাঠ, উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম

    প্রত্যেক ইউনিয়নে মাঠ, উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম

    বৈঠক থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মী আটক

    বৈঠক থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মী আটক

    বাংলাদেশের হজ কোটা কমে ৭৮ হাজার

    বাংলাদেশের হজ কোটা কমে ৭৮ হাজার

    স্ত্রী-কন্যার উদ্দেশে সাংবাদিক পুলক, ‘ক্ষমা করে দিও’

    স্ত্রী-কন্যার উদ্দেশে সাংবাদিক পুলক, ‘ক্ষমা করে দিও’

    ১৩ হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শিবিরের ‘রোড টু সিরাহ—২৬’ সম্পন্ন

    ১৩ হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শিবিরের ‘রোড টু সিরাহ—২৬’ সম্পন্ন