মা খুব যত্ন করে
ছবিগুলো কাচের ফ্রেম থেকে খুলে নিচ্ছিল।
চোখের পানিও মুছছে ফাঁকে ফাঁকে। দেশে যুদ্ধ না
বাধলে আমরা কখনোই হয়তো
বুঝতাম না এ সামান্য
স্মৃতিচিহ্নগুলো আসলে কতটা দামি।
কতটা গভীরভাবে জড়িয়ে আছে সবার জীবনের
সঙ্গে।
মা উৎসব-অনুষ্ঠানে পরার
জন্য কেনা তার সেরা
পোশাক কয়টা আর শখের
সিঙ্গার সেলাই মেশিনটা সঙ্গে নিচ্ছে। আসছে শরতেই কিয়েভের
কিমোতে আমার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পড়া শুরু
হওয়ার কথা। মা ঠিক
করেছে, তার কয়েকটা পুরনো
সুন্দর ড্রেস কেটেছেঁটে আমার মাপের করে
দেবে। তার আশা, পোশাকগুলো
পড়লে...