Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
ফুটবলের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লাইজু
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কাজললেখা

ঝরাপাতার সংসার

আইজ্যাক রবিনসন। ভাষান্তর : সুমন কায়সার
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৬
ঝরাপাতার সংসার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

মা খুব যত্ন করে ছবিগুলো কাচের ফ্রেম থেকে খুলে নিচ্ছিল। চোখের পানিও মুছছে ফাঁকে ফাঁকে। দেশে যুদ্ধ না বাধলে আমরা কখনোই হয়তো বুঝতাম না এ সামান্য স্মৃতিচিহ্নগুলো আসলে কতটা দামি। কতটা গভীরভাবে জড়িয়ে আছে সবার জীবনের সঙ্গে।

মা উৎসব-অনুষ্ঠানে পরার জন্য কেনা তার সেরা পোশাক কয়টা আর শখের সিঙ্গার সেলাই মেশিনটা সঙ্গে নিচ্ছে। আসছে শরতেই কিয়েভের কিমোতে আমার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পড়া শুরু হওয়ার কথা। মা ঠিক করেছে, তার কয়েকটা পুরনো সুন্দর ড্রেস কেটেছেঁটে আমার মাপের করে দেবে। তার আশা, পোশাকগুলো পড়লে কিমোর ‘এলিট’ পরিবারের ছেলেমেয়েদের ভিড়ে আমাকে তেমন বেমানান লাগবে না।

মায়ের গোছগাছ শেষ হলে আমরা একসঙ্গে রাতের খাবার খেতে দাদাবাড়ি গেলাম। মাংস আর সবজিগুলো খামোখা নষ্ট হবে বলে ফ্রিজে যা ছিল নিয়ে নিল মা। দাদাবাড়ি পৌঁছে সেগুলো দিয়েই ঝটপট কিছু একটা রান্না করে ফেলল। আহারে! দাদু-দাদির সঙ্গে হয়তো এটাই আমাদের শেষ একত্রে বসে খাওয়া।

ইগরকে তিনটা মেসেজ দিয়েছিলাম। দেখা গেল, মেসেজগুলো ঠিকঠাক গেলেও ও এখনো পড়েনি। দাদি পিচ্চি সাশার সঙ্গে খুনসুটিতে ব্যস্ত। আমি আর কী করি! সারাটা সন্ধ্যা গেল মেসেজগুলো সিন হয়েছে কি না, তা প্রায় মিনিটে মিনিটে চেক করে।

দাদি আমাকে একটা সোনার চেইন আর ম্যাচ করা কানের দুল দিলেন। ১৪ ক্যারেটের পাতলা চেইনটার সঙ্গে আছে একটা সুন্দর নকশা করা লকেট। লকেটের ঠিক মধ্যিখানে একটা স্যাফায়ার। কানের দুলগুলোর মধ্যেও আছে ওই পাথরের কুচি।

আমি জানি, দাদির সারা জীবনে পরা সবচেয়ে দামি গয়নার সেট এটাই। ‘কিমোতে পড়তে যাচ্ছিস। একটু ভদ্রমতো সেজেগুজে না থাকলে চলবে?’ নিজের অতি শখের গয়নাগুলো আমার হাতে দিতে দিতে বললেন উনি। বাড়ি ফেরার পথে কালকের জার্নির জন্য তেল নিতে তিন-তিনটা পেট্রলপাম্পে যেতে হলো আমাদের। তিন জায়গায় গেলাম কারণ একটাতেও যথেষ্ট তেল নেই। দাচার গেটের চাবি নিতে একবার থামা হলো মায়ের খালার বাড়িতেও। বাসায় ফিরে শুতে যেতে বেশ রাত হয়ে গেল। সকাল ছয়টার দিকে বাসার কলিংবেল আর মোবাইল ফোন একসঙ্গে বেজে উঠল। ইগর! এ সময় কল যে ও ছাড়া আর কেউই করবে না, সেটা জানতাম। তবু বুকের ভেতর একটা আনন্দের ঢেউ আছড়ে পড়ল।

ইগর প্রায় কখনোই তিনতলা পর্যন্ত ওঠে না। নিচে থেকেই মিসকল দেয়। আজ আর নিচে অপেক্ষার ধৈর্য নেই ওর।

ইগরকে বাইরেই দাঁড় করিয়ে রেখে দুকাপ কফি বানালাম। তারপর কাপ হাতে দুজনে গিয়ে বসলাম বাড়ির পেছনের লনে। সাশাকে ঘুম থেকে জাগাতে হলো দরজা বন্ধ করার জন্য।

দুই সপ্তাহ পর দেখা হলো ইগরের সঙ্গে। এ কদিনে গালভরা দাড়ি হয়েছে ওর। তবে এমন জীবনমরণ পরিস্থিতির মধ্যে পড়েও চোখ দুটো আগের মতোই সরলতায় ভরা। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দোনেৎস্ক সরকারের প্রশাসনিক ভবনটা দখল করার সময় ইগর ছিল স্রেফ দর্শক। আর এখন সেই বাহিনীরই একজন ও। ইগর রাশিয়ান বাহিনীর তিন মাসের এক সামরিক ট্রেনিং ক্যাম্পে আছে। যুদ্ধ যে শিগগিরই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তা ও ভালো করেই জানে। এক-একবার মন চাইছিল ওকে যুদ্ধে না যেতে আবার জোরাজুরি করি। পরক্ষণেই আবার মনে হচ্ছিল, তাতে লাভটা কী হবে? এ পর্যন্ত তো অনেকবারই বললাম। আমার পীড়াপীড়িতে পাত্তাই দেয়নি ইগর। কাজেই শেষ পর্যন্ত কথাটা আর তুললামই না। যে কাজে কোনো ফায়দা হবে না, তা নিয়ে আর একসঙ্গে কাটানো শেষ মুহূর্তগুলো নষ্ট করা কেন!

চাইলেও যখন তখন ফোন করতে পারবে না ইগর। যুদ্ধক্ষেত্রে নিজের মোবাইল ফোনই নাকি হয়ে উঠতে পারে শত্রু। কারণ, শত্রুপক্ষ ফোন থেকে ওদের অবস্থান জেনে যেতে পারে। একজনের মোবাইলের জন্য বাহিনীর সবাই পড়ে যাবে ঝুঁকিতে। এ ছাড়া সরকারনিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে বিচ্ছিন্নতাকামী কোনো যোদ্ধাকে ফোন করলে আমিও ঝামেলায় পড়তে পারি। মনে করা হতে পারে আমি তাদের সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত। তাই ইগর বলেছে, যা বলার ইরাকে বলতে। বাড়ি এলে কিংবা সুযোগ পেলে ও ইরার কাছ থেকেই খবর জেনে নেবে।

ওহ, ইরার কথা তো বলাই হয়নি। ও ইগরের ‘আইরিশ টুইন’ বোন। জানেন তো, দুই ভাই বা বোনের বয়সের পার্থক্য এক বছরেরও কম হলে তাদের আইরিশ টুইন বলে! আমার কারণে ভাইয়ের মনোযোগ এখন একটু হলেও তো কম পায় ইরা। ভালোবাসার ভাগ ছাড়াটা এখনো সহজভাবে নিতে পারেনি ও। এখন অবশ্য আমরা দুজনই ইগরের ‘আগ্রহ’ থেকে মোটামুটি বঞ্চিত। মেয়েটা হয়তো আমাকে আর আগের মতো হিংসা করবে না।

ইগর আমাকে একবারও ওর সঙ্গে থেকে যেতে বলেনি। এটা যে বাবা-মাকে ছেড়ে থাকতে আমার কতটা কষ্ট হবে তা ভেবে, এমন না। আসলে ওর স্বভাবটাই এমন। একুশে পা দেওয়া ছেলেটা খুব চাপা ধরনের। মনটা কিন্তু মায়াভরা। হুটহাট কারও সম্পর্কে মত দিয়ে বসে না। মানুষের ভালোটাই আগে চোখে পড়ে ওর।

ইগর যেদিন প্রথম বলল ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটিতে যোগ দিচ্ছে কথাটা আমার বিশ্বাস হয়নি। ওর মতো নরম ধাঁচের ছেলে কীভাবে যুদ্ধে গিয়ে মানুষ মারবে? গুলি করতে হাত কাঁপবে না?

সাশা বেনিচকাকে নিয়ে এসেছে। এবার আমাকে ওর সঙ্গে কুকুরটাকে হাঁটাতে যেতে হবে। ওদিকে মা আবার জলদি বাসায় ফিরতে বলছে। যাত্রার প্রস্তুতি শেষ করতে আরও অনেক কাজ নাকি বাকি।

ইশ, মা যদি ইগরকে নাশতায় ডাকত! ওকে দোনেৎস্কে ফেলে যাওয়াটা আমার জন্য কতটা কষ্টের, সেটা কী আর মা বোঝে না! আসলে সে নিজের মনের ঝড় সামলাতেই কাহিল। অন্য কারও দুঃখ-কষ্ট নিয়ে ভাবার অবস্থা নেই। বাইশটা বছর ধরে তিলে তিলে গড়া সংসারটা ফেলে অজানায় পাড়ি দিতে হচ্ছে মাকে। এ বাসার প্রতিটি জিনিসের আছে একেকটা গল্প। কোনটা কিনতে হয়তো দিনের পর দিন হা-পিত্যেশ করতে হয়েছে। কোনটা কেনা হয়েছে ধারকর্জ করে। কোনো কোনো জিনিসের সঙ্গে আবার আছে নববর্ষের ডিনারের ছোট ছোট আনন্দের স্মৃতি। কাঁটাচামচ থেকে শুরু করে ঢাউস ফ্রিজটা পর্যন্ত সবকিছু নিয়েই তো এই সংসার। প্রতিটি জিনিস নিজে পছন্দ করে সংগ্রহ করেছে মা। বাইরে থেকে এগুলো নেহাতই জড়বস্তু। কিন্তু মানুষের স্পর্শে জড় পদার্থের গায়েও স্মৃতি জমতে থাকে। আটপৌরে জিনিসগুলো নিজেরা কিছু বলতে পারে না ঠিকই, তবে মন দিয়ে ছুঁয়ে দেখলে টের পাওয়া যায়— কত মানুষ, কত সম্পর্ক, কত মুহূর্ত জড়িয়ে আছে তাদের সঙ্গে।

একটা ঘণ্টা কেটে গেল দেখতে না দেখতে। সূর্য অনেকটা ওপরে উঠে গিয়ে বেশ রোদ ঢালছে। ভোরের আলোর পেলব ভাবটা আর নেই। পাশের বাড়িগুলোর লোকজন হাই তুলতে তুলতে এসে দাঁড়াচ্ছে ব্যালকনিতে। আধা ঘুম চোখে সকালের টাটকা বাতাস নিচ্ছে বুক ভরে। একটু পরেই যে বাসে-ট্রামে চড়ে পেটের ধান্দায় ছুটতে হবে!

রণাঙ্গনের গোলার শব্দ আস্তে আস্তে কমে এসেছে। কেন জানি না, রাত নামলেই গোলাগুলির মাত্রা বেড়ে যায়। সাশা বাবুর ধারণা, সে এ সামরিক কৌশলের রহস্য ভেদ করেছে। সেটা হচ্ছে: কোনো পক্ষই শত্রুপক্ষের সেনাদের রাতে শান্তিতে ঘুমাতে দিতে চায় না!

রাতের গোলাগুলির একটা সুবিধাও আছে আমাদের মতো বেসামরিক মানুষের জন্য। গোলার টানা তর্জন-গর্জনের মধ্যেও একসময় ঘুম কিন্তু এসেই যায়। আর কোনোমতে একবার ঘুমটা এসে গেলে সারাক্ষণ তাড়া করে বেড়ানো আতঙ্কটা থেকে অন্তত কিছু সময়ের জন্য রেহাই মেলে। আসল কষ্টটা অনেক সময় বিপদে না, বিপদের ভয়ের মধ্যে। ঘুম এলেই তাই বাঁচোয়া। ইগর জানাল, আমরা রোজ যে গোলার আওয়াজ শুনি তা হচ্ছে ১৫৫ মিলিমিটার কামানের। এগুলোর পাল্লা নাকি ৩০ কিলোমিটার। আমাদের ফ্ল্যাটটা দোনেৎস্কের পশ্চিম অংশে। যুদ্ধের ফ্রন্টলাইন থেকে মাত্র ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে আছি আমরা। সোজা কথায় তার মানে হচ্ছে, দুপক্ষের অবস্থান যতদিন এমন থাকবে ততদিনই সরকার-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে আমাদের ওপর যেকোনো সময় গোলা পড়ার ভয় থেকে যাবে।

বেঞ্চ থেকে উঠে বেনিচকাকে নিয়ে রাস্তার কিনার দিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম আমরা। একটা জিনিস খেয়াল করলাম হঠাৎ। ইগর বা সাশা কারও মুখেই শাখতার দোনেৎস্কের নামটাও শুনছি না। অথচ এই ফুটবল ক্লাব হচ্ছে তাদের দুজনের আলাপের প্রিয় বিষয়। আগে এমন একটা দিন যেত না যখন কি না, ওরা ফুটবল নিয়ে তর্কে মাতেনি। ডগলাস কস্তার অবিশ্বাস্য ড্রিবলিং বা কোনো বিতর্কিত গোলের মতো একটা না কিছু নিয়ে জমে উঠত ওদের গল্প।

ধারাবাহিক উপন্যাসঝরাপাতার সংসার
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ৩
    অস্ট্রিয়া
    ০
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৯:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    আলজেরিয়া
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ১২:০০ টা
    অস্ট্রেলিয়া
    ০
    মিসর
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    কেপ ভার্দে
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৭:৩০ টা
    কলম্বিয়া
    ০
    ঘানা
    ০
    advertisement
    advertisement
    নরওয়ের স্ট্রাইকার নুসা লেখকও, তার বই হয়েছে বেস্টসেলার

    নরওয়ের স্ট্রাইকার নুসা লেখকও, তার বই হয়েছে বেস্টসেলার

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০০

    ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন

    ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩০

    জীবন কোথায় নিয়ে যাবে জানি না

    জীবন কোথায় নিয়ে যাবে জানি না

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭

    কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীকে শোকজ

    কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীকে শোকজ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩১

    ৩৪ হাজারের বেশি হজযাত্রী ফিরিয়েছে বিমান

    ৩৪ হাজারের বেশি হজযাত্রী ফিরিয়েছে বিমান

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫

    বিশ্বকাপ নিয়ে আবার নোরা-সঞ্জয়ের গান

    বিশ্বকাপ নিয়ে আবার নোরা-সঞ্জয়ের গান

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮

    ইরানের নির্দেশ না মানলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি

    ইরানের নির্দেশ না মানলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:১৩

    নারীর রাজনৈতিক বৈধতা ভাঙার চেষ্টা

    নারীর রাজনৈতিক বৈধতা ভাঙার চেষ্টা

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫২

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৭

    জুনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৯, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ৩৫২

    জুনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৯, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ৩৫২

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২২

    অজানা উড়ন্ত বস্তু ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

    অজানা উড়ন্ত বস্তু ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫১

    নৌবাহিনীর বহরে জাপানের ৫ পেট্রোল বোট

    নৌবাহিনীর বহরে জাপানের ৫ পেট্রোল বোট

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৬

    আযমীসহ ১৫০ সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি

    আযমীসহ ১৫০ সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০

    প্রকৃতি ধনী-গরিব দেখে না

    প্রকৃতি ধনী-গরিব দেখে না

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৯

    প্রতিদিন ১০ খুন, অভিযানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল

    প্রতিদিন ১০ খুন, অভিযানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬

    advertiseadvertise