- ২৯ মিনিট আগে(০১:৫৪)

১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে স্পেন
বিরতির আগে দাপটেই খেলল স্পেন। তবে বিরতির আগে তারা গোল পেয়েছে একটিই। ইনজুরি টাইমে পোস্টে বল লাগার পর গোলরক্ষককে একা পেয়েও লামিন ইয়ামাল মিস না করলে ২ গোলেও এগিয়ে যেতে পারত তারা।
পোস্টে ১১টি শট নিয়ে লক্ষ্যে ৬টি রেখেছিল স্পেন। ৩৬ মিনিটে তাদের একমাত্র গোলটি ওইয়ারসাবালের। এবারের বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় গোল। বিতর্ক হতে পারে কুকুরেয়ার গোল বাতিল নিয়ে। কর্নার থেকে বল আসার সময় স্পেনের একজন খেলোয়াড় গোলরক্ষক আলেকজেন্ডার শ্লাগারকে ফাউল করায় গোল বাতিল করেন রেফারি। - এক ঘণ্টা আগে(০১:৩১)

ওইয়ারসাবালের গোলে স্পেনের লিড
৩৬ মিনিট
এগিয়ে গেল স্পেন। মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলে ৩৬ মিনিটে লিড পেল তারা। কুকুরেয়ার বক্সে বাড়ানো পাসে পা ছুঁইয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। এর কিছুক্ষণ আগে অবশ্য বাতিল হয়েছিল কুকুরেয়ার গোল। তার অ্যাসিস্টেই এগিয়ে গেল স্পেন। - এক ঘণ্টা আগে(০১:২৯)

হাইড্রেশন ব্রেকেও গোল পায়নি স্পেন-অস্ট্রিয়া
২২ মিনিট
স্পেন একের পর এক শট নিলেও অস্ট্রিয়া বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই আছে। এখনও গোল করতে পারেনি কোন দল। স্পেন ৩টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রেখেছিল একটি। - এক ঘণ্টা আগে(০১:১৮)
ইয়ামালের পেনাল্টির আপিল
১১ মিনিট
কনরাড লামের সঙ্গে সংঘর্ষে বক্সে পড়ে গিয়েছিলেন লামিন ইয়ামাল। তিনি পেনাল্টির আপিল জানালেও রেফারি সাড়া দেননি। - ২ ঘণ্টা আগে(০০:৩৯)

বিশ্বকাপে টানা ৪ ম্যাচ গোল হজম করেনি স্পেন
দুই বিশ্বকাপ মিলে টানা ৪ ম্যাচ গোল হজম করেনি স্পেন। এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচ কোন দল তাদের জালে বল পাঠাতে পারেনি। তারা গোল হজম করেনি গত বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তেও। গোলশূন্য ড্রর পর মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে হেরেছিল স্পেন।
অবিশ্বাস্য। টানা ১৬ বছর বিশ্বকাপ নকআউটের কোন ম্যাচ জেতেনি স্পেন। ২০১০ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নেয় স্পেন। পরের দুই বিশ্বকাপে শেষ ১৬-তে তাদের কপাল পোড়ে টাইব্রেকারে। বিশ্বকাপে শুধু ইতালি ও সুইজারল্যান্ড গোল হজম করেনি টানা ৫ ম্যাচ।
এছাড়া ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে টানা ১,১৯২ দিন হারেনি স্পেন। ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ স্কটল্যান্ডের কাছে ২–০ গোলে হেরেছিল তারা। - ২ ঘণ্টা আগে(০০:৩১)
১৬ বছর বিশ্বকাপ নকআউটে জেতেনি স্পেন!
অবিশ্বাস্য। টানা ১৬ বছর বিশ্বকাপ নকআউটের কোন ম্যাচ জেতেনি স্পেন। ২০১০ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নেয় স্পেন। পরের দুই বিশ্বকাপে শেষ ১৬-তে তাদের কপাল পোড়ে টাইব্রেকারে।
২০১৮ বিশ্বকাপে রাশিয়ার সঙ্গে ১-১ সমতার পর টাইব্রেকারে তারা হারে ৪-৩ ব্যবধানে। গত বিশ্বকাপে তাদের টাইব্রেকারেই বিদায় করেছিল মরক্কো। ১৬ বছর পর লামিন ইয়ামালরা কি পারবেন নকআউটে ব্যর্থতার বৃত্তটা ভাঙতে।
স্পেনের ২, অস্ট্রিয়ার একাদশে ৩ পরিবর্তন
শেষ ৩২-এর ম্যাচে দুটি পরিবর্তন নিয়ে একাদশ সাজিয়েছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফূয়েন্তে। উরুগুয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে একাদশ থেকে বাদ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো ও রক্ষণে মার্কোস ইয়োরেন্তে।
তাদের জায়গায় অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ফিরেছেন দানি ওলমো ও পেদ্রো পোরো।
অস্ট্রিয়ান একাদশে বদল আছে তিনটি। তাদের অন্যতম গ্রুপ পর্বে দুই গোল করা ৩৭ বছর বয়সী মার্কো আর্নাউতোভিচ। তার জায়গায় মাইকেল গ্রেগোরিটসকে নাম্বার নাইন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
স্পেনের একাদশ:
উনাই সিমোন ; পেদ্রো পোরো, পাও কুবারসি, এমেরিক লাপোর্তে, মার্ক কুকুরেয়া ; রদ্রি, পেদ্রি, আলেক্স বায়েনা; লামিনে ইয়ামাল, দানি ওলমো, মিকেল ওইয়ারসাবাল।
অস্ট্রিয়া একাদশ
আলেকজান্ডার শ্লাগার, স্টেফান পশ, কেভিন ডানসো, ডেভিড আলাবা, কনরাড লামের ; নিকোলাস সাইভাল্ড, সাভের শ্লাগার; রোমানো স্মিড, পল ভানার, মার্সেল সাবিটসার, মাইকেল গ্রেগরিশ।




