- ৩ মাস আগে(০২:৫৩)

ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন
অবিশ্বাস্যই ছিল পরিসংখ্যানটা। ২০১০ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে এতদিন জয় পায়নি স্পেন। ব্যর্থতার সেই বৃত্তটা তারা ভাঙল আজ। অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-র টিকিট পেল তারা।
স্পেনের হয়ে জোড়া গোল মিকেল ওইয়ারসাবালের। অপর গোলটি পেদ্রো পারোর। লামিন ইয়ামালকে নিয়ে মাতামাতি হলেও ৪ গোল করে এবারের বিশ্বকাপটা যেন নিজের করে নিচ্ছেন ওইয়ারসাবাল।
অস্ট্রিয়া প্রতি আক্রমণে গোলের চেষ্টা করলেও তাদের রক্ষণ ছিল যাচ্ছেতাই। তৃতীয় গোলের সময় ওইয়ারসাবালের ৩০ গজের মধ্যে ছিলেন না কোন ডিফেন্ডার।
স্পেন পোস্টে ২৩টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রেখেছিল ১০টি। সেখানে কোন শটই লক্ষ্যে ছিল না অস্ট্রিয়ার। ম্যাচ জুড়ে পাসের ফুল ফুটিয়ে অস্ট্রিয়াকে অসহায় করে রেখেছিল স্পেন। - ৩ মাস আগে(০২:৩২)
৩ গোলে এগিয়ে স্পেন
৮৯ মিনিট
আবারও বাজিমাত মার্ক ককুরেয়া- মিকেল ওইয়ারসাবাল জুটির। প্রথম গোলের মত এবারও কুকুরেয়ার পাস। আর সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থেকে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল করলেন ওইয়ারসাবাল। এবারের বিশ্বকাপে এটা তার চতুর্থ গোল। - ৩ মাস আগে(০২:২২)

ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন পেদ্রো পারো
৬৬ মিনিট
শেষ ১৬-তে এক পা দিয়েই রাখল স্পেন। ৬৬তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন পেদ্রো পারো। অ্যালেক্স বায়েনার ক্রসে জোরল হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।
সিমনের রেকর্ড
স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন ৫৭ মিনিটের সময় গড়েন বিরল কীর্তি। বিশ্বকাপে টানা ৪৮৬ মিনিট কোনো গোল হজম না করার রেকর্ড গড়েন তিনি। আর্জেন্টিনার সের্হিও রোমেরোকে পেছনে ফেলেন তিনি। - ৩ মাস আগে(০২:২০)

দ্বিতীয় গোলের খোঁজে স্পেন
বিরতির পর দ্বিতীয় গোলের চেষ্টায় আক্রমণের ধার বাড়িয়েছে স্পেন। তবে গোল আসছে না। ৫৭ মিনিট পর্যন্ত তাদের বলের দখল প্রায় ৭০ শতাংশ। পোস্টে ১৪ শট নিয়েও গোল কেবল ১টি।
- ৩ মাস আগে(০১:৫৪)

১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে স্পেন
বিরতির আগে দাপটেই খেলল স্পেন। তবে বিরতির আগে তারা গোল পেয়েছে একটিই। ইনজুরি টাইমে পোস্টে বল লাগার পর গোলরক্ষককে একা পেয়েও লামিন ইয়ামাল মিস না করলে ২ গোলেও এগিয়ে যেতে পারত তারা।
পোস্টে ১১টি শট নিয়ে লক্ষ্যে ৬টি রেখেছিল স্পেন। ৩৬ মিনিটে তাদের একমাত্র গোলটি ওইয়ারসাবালের। এবারের বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় গোল। বিতর্ক হতে পারে কুকুরেয়ার গোল বাতিল নিয়ে। কর্নার থেকে বল আসার সময় স্পেনের একজন খেলোয়াড় গোলরক্ষক আলেকজেন্ডার শ্লাগারকে ফাউল করায় গোল বাতিল করেন রেফারি। - ৩ মাস আগে(০১:৩১)

ওইয়ারসাবালের গোলে স্পেনের লিড
৩৬ মিনিট
এগিয়ে গেল স্পেন। মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলে ৩৬ মিনিটে লিড পেল তারা। কুকুরেয়ার বক্সে বাড়ানো পাসে পা ছুঁইয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। এর কিছুক্ষণ আগে অবশ্য বাতিল হয়েছিল কুকুরেয়ার গোল। তার অ্যাসিস্টেই এগিয়ে গেল স্পেন। - ৩ মাস আগে(০১:২৯)

হাইড্রেশন ব্রেকেও গোল পায়নি স্পেন-অস্ট্রিয়া
২২ মিনিট
স্পেন একের পর এক শট নিলেও অস্ট্রিয়া বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই আছে। এখনও গোল করতে পারেনি কোন দল। স্পেন ৩টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রেখেছিল একটি। - ৩ মাস আগে(০১:১৮)
ইয়ামালের পেনাল্টির আপিল
১১ মিনিট
কনরাড লামের সঙ্গে সংঘর্ষে বক্সে পড়ে গিয়েছিলেন লামিন ইয়ামাল। তিনি পেনাল্টির আপিল জানালেও রেফারি সাড়া দেননি। - ৩ মাস আগে(০০:৩৯)

বিশ্বকাপে টানা ৪ ম্যাচ গোল হজম করেনি স্পেন
দুই বিশ্বকাপ মিলে টানা ৪ ম্যাচ গোল হজম করেনি স্পেন। এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচ কোন দল তাদের জালে বল পাঠাতে পারেনি। তারা গোল হজম করেনি গত বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তেও। গোলশূন্য ড্রর পর মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে হেরেছিল স্পেন।
অবিশ্বাস্য। টানা ১৬ বছর বিশ্বকাপ নকআউটের কোন ম্যাচ জেতেনি স্পেন। ২০১০ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নেয় স্পেন। পরের দুই বিশ্বকাপে শেষ ১৬-তে তাদের কপাল পোড়ে টাইব্রেকারে। বিশ্বকাপে শুধু ইতালি ও সুইজারল্যান্ড গোল হজম করেনি টানা ৫ ম্যাচ।
এছাড়া ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে টানা ১,১৯২ দিন হারেনি স্পেন। ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ স্কটল্যান্ডের কাছে ২–০ গোলে হেরেছিল তারা। - ৩ মাস আগে(০০:৩১)
১৬ বছর বিশ্বকাপ নকআউটে জেতেনি স্পেন!
অবিশ্বাস্য। টানা ১৬ বছর বিশ্বকাপ নকআউটের কোন ম্যাচ জেতেনি স্পেন। ২০১০ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নেয় স্পেন। পরের দুই বিশ্বকাপে শেষ ১৬-তে তাদের কপাল পোড়ে টাইব্রেকারে।
২০১৮ বিশ্বকাপে রাশিয়ার সঙ্গে ১-১ সমতার পর টাইব্রেকারে তারা হারে ৪-৩ ব্যবধানে। গত বিশ্বকাপে তাদের টাইব্রেকারেই বিদায় করেছিল মরক্কো। ১৬ বছর পর লামিন ইয়ামালরা কি পারবেন নকআউটে ব্যর্থতার বৃত্তটা ভাঙতে।
০৩ জুলাই ২০২৬, রাত ৩:১৫
ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন
অবিশ্বাস্যই ছিল পরিসংখ্যানটা। ২০১০ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে এতদিন জয় পায়নি স্পেন। ব্যর্থতার সেই বৃত্তটা তারা ভাঙল আজ। অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-র টিকিট পেল তারা।
স্পেনের হয়ে জোড়া গোল মিকেল ওইয়ারসাবালের। অপর গোলটি পেদ্রো পারোর। লামিন ইয়ামালকে নিয়ে মাতামাতি হলেও ৪ গোল করে এবারের বিশ্বকাপটা যেন নিজের করে নিচ্ছেন ওইয়ারসাবাল।
অস্ট্রিয়া প্রতি আক্রমণে গোলের চেষ্টা করলেও তাদের রক্ষণ ছিল যাচ্ছেতাই। তৃতীয় গোলের সময় ওইয়ারসাবালের ৩০ গজের মধ্যে ছিলেন না কোন ডিফেন্ডার।
স্পেন পোস্টে ২৩টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রেখেছিল ১০টি। সেখানে কোন শটই লক্ষ্যে ছিল না অস্ট্রিয়ার। ম্যাচ জুড়ে পাসের ফুল ফুটিয়ে অস্ট্রিয়াকে অসহায় করে রেখেছিল স্পেন।
লাইভটি এখানেই শেষ হল। আগামীর সময়ের সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।



