Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
ফুটবলের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লাইজু
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

প্রতিদিন ১০ খুন, অভিযানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল

মাহবুব আলম লাবলু
মাহবুব আলম লাবলু
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬
প্রতিদিন ১০ খুন, অভিযানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল

সংগৃহীত ছবি

‘যখন-তখন যা কিছু ঘটতে পারে’, তা হোক কারণে বা অকারণেই। এমন আতঙ্ক মানুষের মনে। স্কুল থেকে সন্তান অপহরণ। বাসায় ফেরার পথে বাবার ছিনতাই। শোয়ার ঘরে পরিবারসহ খুন। এসব থেকে নিরাপদ থাকতে মানুষের ভরসা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিন্তু দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন? পরিসংখ্যান বলছে, পারিবারিক, সামাজিকসহ সব ধরনের অপরাধ এখন ঊর্ধ্বমুখী। এ বছর প্রথম চার মাসে প্রতিদিন গড়ে খুন হয়েছে ১০ জন।

৫ আগস্ট-পরবর্তী মনোবল হারানো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শক্তি ফেরানোর চেষ্টায় আছেন। বদলাচ্ছেন কৌশল, পাল্টাচ্ছেন পোশাক। কিন্তু অপরাধ বাড়ছে মহামারী রূপে। এর মধ্যেও চলছে বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার করা হচ্ছে অপরাধীদের। কিন্তু কািঙ্ক্ষত ফল মিলছে না।

ধর্ষণ-অপহরণের মতো অপরাধের দিকেই তাকানো যাক; চলতি বছর জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিকার শিশুসহ ৩১৫ জন। এর মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যা ১৮ জনকে। এ পাঁচ মাসে অপহরণের শিকার ৩৪৭ ব্যক্তি। বিভিন্ন সংস্থার মাসিক অপরাধ পরিসংখ্যান দিচ্ছে এমন তথ্য।

‘দারিদ্র্য হলো অপরাধের জননী’— প্রাচীনকালে সমাজের বঞ্চনা, বৈষম্য দেখে এমন উচ্চারণ করেছিলেন দার্শনিক অ্যারিস্টটল। এখনো আমাদের বিশ্লেষকরা অপরাধের মূলে কারণ হিসেবে দেখছেন সামাজিক অবক্ষয়, মানবিক বোধের ক্ষয় ও মানসিক বিপর্যয়কে। কিন্তু বাড়ন্ত অপরাধ দমনে কতটা প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? চেষ্টা চালিয়েও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা। এমনকি হামলারও শিকার হচ্ছেন তারা। একই সময়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা অন্তত ২৬৮টি।

গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান ঘোষণা ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। কিন্তু চার মাসেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে দূর হয়নি জনমনে অস্বস্তি। এ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ থেকে শুরু হয়ে সমালোচনা ঠেকেছে জাতীয় সংসদে। পরিস্থিতি অনুকূলে আনতে পুলিশকে নতুন কর্মকৌশল তৈরির নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত ১৪ জুন সাতটি বিশেষ কমিটিও গঠন করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

কমিটিগুলোর সঙ্গে যুক্ত কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে এসব কমিটি। কর্মকৌশল তৈরি করার পাশাপাশি সমন্বিতভাবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান, নিজেদের সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার, সক্রিয় অপরাধী গ্রুপগুলোকে আইনের আওতায় আনতে মাঠপর্যায়ের সদস্যদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন কমিটির সদস্যরা।

‘দীর্ঘ সময় ধরে গড়ে ওঠা অপরাধচক্র নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় রাতারাতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজন সময়’— মত দিলেন কমিটির একাধিক সদস্য।

সময় লাগবে নাকি সক্ষমতার প্রশ্ন— এ নিয়েও ভাবছেন বিশেষজ্ঞরা। সাবেক মহাপুলিশ পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার উন্নতির জন্য প্রথমত পুলিশকে ট্রমা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অবস্থা বুঝে ব্যবহার করতে হবে লাঠি, গ্যাস, গুলি— সবই।’

অপরাধ দমনে পুলিশের হারানো সাহস ফেরাতে তাগিদ দিলেন সাবেক এ আইজিপি। তার মতে, পুলিশকে সাহস না দিলে কাজ করতে পারবে না বাহিনীর সদস্যরা। দ্বিতীয়ত, পুলিশের জ্যেষ্ঠ লেভেলে যারা, তারা খুব নাজুক অবস্থায়। অনেকের চাকরি ছিল না, চাকরিতে ফিরেছে। তারা কী করবে, কী করতে গিয়ে কী করে ফেলবে— ভুগছে এমন সিদ্ধান্তহীনতায়।

‘এখন সরকার বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত কঠোর নির্দেশনা দেওয়া যে, এ অবস্থা আমরা দেখতে চাই না। তখন হয়তো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকে প্রশ্ন আসবে, তারা কি ফোর্স অ্যাপ্লাই করবে? তখন এটাই বলতে হবে যে, ফোর্স অ্যাপ্লাই করতে হলে করবা, গুলি করতে হলে গুলি করবা’— পরামর্শ িদলেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হকের ব্যাখ্যা, অপরাধ বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। একটা দেশের অপরাধ যখন ঊর্ধ্বমুখী থাকে তখন নিশ্চিতভাবে বলা যায় সেখানে দুটি বিষয় অনুপস্থিত; এক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার যে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তারা তা নিতে পারছে না। দুই, অপরাধী গোষ্ঠী বা যারা অন্যায় ও অস্থিরতা তৈরি করে সুবিধা নিতে চায় তারা নানাভাবে পাচ্ছে আশ্রয়-প্রশ্রয়। এ দুটি নির্দেশক যখন দৃশ্যমান হয় তখন সামাল দেওয়া কঠিন হয় পরিস্থিতি।

‘নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বা আইনশৃঙ্খলার উন্নতিতে যেভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, সেটা আমরা দেখছি না। ভয়ের কথা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাই বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণের শিকার। তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে আসামি। থানা ঘেরাও করে বাধ্য করা হচ্ছে পিছু হটতে’— যোগ করলেন তিনি।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর প্রথম চার মাসে সারা দেশে হত্যাকাণ্ড ১ হাজার ১৪২টি। এ হিসাবে দিনে গড়ে ১০ জন খুন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে দেশে খুনের মামলা হয়েছে ১ হাজার ৬টি। ২০২৫ সালের প্রথম চার মাসে হত্যা মামলা ১ হাজার ১৭টি। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, হত্যার হার ২০২৪ সালের প্রথম চার মাসের তুলনায় ১৩ দশমিক ৫২ শতাংশ আর ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়েছে।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন বলছে, গত মে মাসে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসের ঘটনায় নিহত ৩২। এর আগের মাসে অনুরূপ ঘটনায় খুন ২১ জন। মার্চে নিহত ১৯, ফেব্রুয়ারিতে ১৮ এবং জানুয়ারিতে ২১ জন। এ পরিসংখ্যান দেশে খুনোখুনি বেড়ে যাওয়ার চিত্রই স্পষ্ট করে।

পুলিশের অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে অপরাধপ্রবণতা সবচেয়ে বেশি। চলতি বছর প্রথম পাঁচ মাসে ঢাকা রেঞ্জে খুন, চুরি, ডাকাতি, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ নানা অপরাধের ঘটনায় মামলা ১১ হাজার ৮৭১টি।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম রেঞ্জে মামলা ৯ হাজার ৯০৮টি। তৃতীয় রংপুরে ৫ হাজার ৩৯০টি। এরপর যথাক্রমে খুলনায় ৫ হাজার ৩৫২ এবং রাজশাহীতে ৫ হাজার ২২৪টি মামলা হয়েছে। একই সময়ে ঢাকা মহানগর এলাকায় সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় ৫ হাজার ১৮৬টি মামলা। অন্য রেঞ্জ ও মহানগর এলাকায় তুলনামূলক মামলার সংখ্যা কম।

বেড়েছে অপহরণের ঘটনাও; ২০২৪ সালের প্রথম চার মাসে ২০০টি। ২০২৫ সালের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫৪টিতে। চলতি বছর চার মাসে অপহরণের শিকার ৩৪৭ জন। এ ছাড়া খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজির মতো অপরাধের ঘটনা এখন নিত্যদিনের চিত্র। সারা দেশে চাঁদাবাজির মামলার আলাদা তথ্য পুলিশের পরিসংখ্যানে নেই। তবে রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনায় বড় থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পর্যন্ত সবাই অতিষ্ঠ।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির প্রতিবেদন বলছে, গত মে’তে সারা দেশে ৩০৫ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন ও ৭৬ নারী-শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ১৭ জন।

তথ্যমতে, চলতি বছর প্রথম পাঁচ মাসে দেশে ১ হাজার ৩৫ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার। এর মধ্যে ২৫০ জন ধর্ষণ, ৬৫ সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ১৮ জন ধর্ষণের পর হত্যার শিকার। এ হিসাবে প্রতি মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৫০টি।

জানা গেছে, এপ্রিলে ৯৮টি ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং ৫৩৩ জন আহত। এর মধ্যে ৩৭ জন গুলিবিদ্ধ। মার্চে ১১৩টি ঘটনায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৯১২ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ ১৫ জন। মব সহিংসতায় নিহত ৩১ ও আহত ৬৮ জন। ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতায় ৫ জন নিহত, আহত আরও ২৮৯, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।

এদিকে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও থামেনি। এ কারণে শক্ত মনোবল নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারছেন না মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা। চলতি বছর প্রথম পাঁচ মাসেই (জানুয়ারি-মে) পুলিশের ওপর অন্তত ২৬৮টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছর মে পর্যন্ত এ সংখ্যা ৮৭০ ছাড়িয়েছে। আসামি গ্রেপ্তার, মাদক ও অপরাধবিরোধী অভিযান কিংবা আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে এমন হামলার শিকার হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা।

এই যখন পরিস্থিতি, দেশ সামলাতে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ— এমন প্রশ্নের জবাবে বাহিনীর সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (অপরাধ ও অপস) খন্দকার রফিকুল ইসলামের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে অব্যাহত রয়েছে আমাদের নানামুখী প্রচেষ্টা। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ দমনে বেশ কিছু কর্মকৌশল প্রণয়নের কাজ চলমান। পুলিশের মনোবল ফেরাতেও করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মোটিভেশনাল ওয়ার্ক।



হত্যাখুনঅভিযানআসামিহত্যাকাণ্ড
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ৩
    অস্ট্রিয়া
    ০
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৫:০০ টা
    পর্তুগাল
    ০
    ক্রোয়েশিয়া
    ০
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৯:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    আলজেরিয়া
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ১২:০০ টা
    অস্ট্রেলিয়া
    ০
    মিসর
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    কেপ ভার্দে
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৭:৩০ টা
    কলম্বিয়া
    ০
    ঘানা
    ০
    advertisement
    advertisement
    নরওয়ের স্ট্রাইকার নুসা লেখকও, তার বই হয়েছে বেস্টসেলার

    নরওয়ের স্ট্রাইকার নুসা লেখকও, তার বই হয়েছে বেস্টসেলার

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০০

    ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন

    ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩০

    জীবন কোথায় নিয়ে যাবে জানি না

    জীবন কোথায় নিয়ে যাবে জানি না

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭

    কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীকে শোকজ

    কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীকে শোকজ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩১

    ৩৪ হাজারের বেশি হজযাত্রী ফিরিয়েছে বিমান

    ৩৪ হাজারের বেশি হজযাত্রী ফিরিয়েছে বিমান

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫

    বিশ্বকাপ নিয়ে আবার নোরা-সঞ্জয়ের গান

    বিশ্বকাপ নিয়ে আবার নোরা-সঞ্জয়ের গান

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮

    ইরানের নির্দেশ না মানলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি

    ইরানের নির্দেশ না মানলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:১৩

    নারীর রাজনৈতিক বৈধতা ভাঙার চেষ্টা

    নারীর রাজনৈতিক বৈধতা ভাঙার চেষ্টা

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫২

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৭

    জুনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৯, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ৩৫২

    জুনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৯, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ৩৫২

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২২

    অজানা উড়ন্ত বস্তু ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

    অজানা উড়ন্ত বস্তু ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫১

    নৌবাহিনীর বহরে জাপানের ৫ পেট্রোল বোট

    নৌবাহিনীর বহরে জাপানের ৫ পেট্রোল বোট

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৬

    প্রকৃতি ধনী-গরিব দেখে না

    প্রকৃতি ধনী-গরিব দেখে না

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৯

    আযমীসহ ১৫০ সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি

    আযমীসহ ১৫০ সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০

    বিদ্যুৎ বিলে ভূতের আসর

    বিদ্যুৎ বিলে ভূতের আসর

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৬

    advertiseadvertise