Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সুমির উদ্যোগে ১৯২ নারীর ভাগ্যবদল
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ১১১৪২ কোটি = ০

জহির রায়হান
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২১
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ১১১৪২ কোটি = ০

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সারা দেশের প্রায় ৫ লাখ ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ও অসহায় পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আশ্রয়ণ-২ নামের প্রকল্প হাতে নিয়েছিল ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। ‘মুজিব শতবর্ষ’ উপলক্ষে ২০২১ সালে শুরু হওয়া ওই প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ হয়েছে আড়াই লাখের বেশি আধাপাকা ঘর। দুই শতক জমিসহ সেসব ঘর পেয়েছিল সুবিধাভোগী পরিবারগুলো। বিভিন্ন এলাকায় রঙিন টিনের সারি সারি ঘরগুলো দেখলেই মনে হতো একেকটি নতুন জনপদ। কিন্তু পাঁচ বছর না যেতেই বহু প্রকল্প এলাকায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বরাদ্দ পাওয়ার পরও এসব ঘরে থাকছেন না অনেকে। কোথাও ঘরে তালা। কোথাও আবার খসে পড়েছে দেয়ালের পলেস্তারা, ভেঙে পড়েছে দরজা-জানালা। কোথাও আবার আগাছা আগ্রাসনে ঘরগুলো কার্যত পরিত্যক্ত। বড় আশার প্রকল্পটি যেন এক আক্ষেপের নাম। ১১১৪২ কোটি টাকার এত বড় প্রকল্প কার্যত এখন বিগ জিরো।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পটি দেশের বড় গৃহায়ন কর্মসূচি। কিন্তু চার ধাপের প্রকল্পটির শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে নির্মাণ মান, সুবিধাভোগী নির্বাচন ও ব্যয় নিয়ে। ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রথম ধাপে ৬৯ হাজার ৯০৪ পরিবারকে ঘর হস্তান্তরের পর কয়েক মাসের মধ্যেই বিভিন্ন জেলায় ঘর ভেঙে পড়া এবং ফাটল দেখা দেওয়ার চিত্র গণমাধ্যমে উঠে আসে। সে সময় সরকারি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বাস্তবায়ন হওয়া প্রকল্পের প্রথম ধাপে প্রতিটি ঘর নির্মাণে নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। দ্বিতীয় ধাপে তা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯০ হাজার, তৃতীয় ধাপে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ এবং চতুর্থ ধাপে তা বেড়ে হয় ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা। প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পটির অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকার বেশি। ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি চতুর্থবার সংশোধনের পর ব্যয় দাঁড়ায় ১১ হাজার ১৪২ কোটি টাকা। অর্থাৎ ব্যয় বাড়ে ৬ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদও বাড়ানো হয় ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু ওই সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুর্নীতি দমন কমিশন প্রকল্পটিতে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে। পরে প্রকল্পটি বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার।

জনশূন্য আশ্রয়ণ: আশ্রয়ণ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল অসহায় পরিবারগুলোকে একটি স্থায়ী জীবনের ঠিকানা দেওয়া। উদ্বোধনের সময় অনেক পরিবারই আনন্দ আর উৎসাহ নিয়ে নতুন ঘরে উঠেছিল। কিন্তু স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সেই আনন্দ ম্লান হয়েছে। গত ৩ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর দেশের ১৮ জেলার ৪০ উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোর সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করেছে আগামীর সময়। এসব এলাকার ১ হাজার ৪১৪টি ঘরের সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করে ৭৭৫টি ঘর ফাঁকা, তালাবদ্ধ বা পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। নমুনাভিত্তিক এ হিসাবে ঘর ফাঁকা থাকার হার ৫৪ দশমিক ৮১ শতাংশ।

সরেজমিনে সবচেয়ে শূন্য পাওয়া গেছে শেরপুরের ভোগাইপাড়ায়। এখানকার ৩০টি ঘরের প্রতিটিতেই তালা দেখা গেছে। স্থানীয় ব্যক্তিরা বললেন, কাজের সন্ধানে বাসিন্দারা ঘর তালাবদ্ধ করে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় চলে গেছেন।

পটুয়াখালীর বাউফলের ছত্রকান্দার ২২টি ঘরের মধ্যে ২১টি পরিত্যক্ত। স্থানীয়রা এসব ঘর গোয়ালঘর ও খড় রাখার কাজে ব্যবহার করছেন। শরীয়তপুরের নড়িয়ার পদ্মার চরের চরআত্রা খাসবাজার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১০০টি ঘরের ৯০টিই শূন্য। মৌলিক সুবিধা ও চরম যোগাযোগ সংকটের কারণে মাত্র তিনটি পরিবার এখানে বাস করছে। চরআত্রা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সামছুদ্দিন ব্যাপারী আগামীর সময়কে বলছিলেন, দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে থাকায় প্রকল্প জুড়ে এখন ভুতুড়ে পরিবেশ। চুরি হয়ে গেছে অধিকাংশ ঘরের চালের টিন, দরজা, জানালা ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম। রক্ষণাবেক্ষণ করার মতো কেউ নেই।

অবশ্য এসব নৈরাজ্যের মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম রাঙামাটির কাপ্তাই। উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১১০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এসব ঘরের সবকটিতেই বরাদ্দপ্রাপ্ত পরিবারগুলো বসবাস করছে। তবে তারা ভুগছেন নিরাপদ পানি, রাস্তা ও ড্রেনেজ সমস্যায়।

ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ: সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আশ্রয়ণের ঘরগুলো হস্তান্তরের কিছুদিনের মধ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে ওঠে। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানকড়া ইউনিয়নে নির্মিত ঘরগুলোতে নিম্নমানের ইট ও খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে, যার কারণে বেঁকে গিয়ে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার চামরুল ইউনিয়নের জোটাল মাঠাই গ্রামের দিলীপ চন্দ্রের ঘরটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পাশে। ২০২৫ সালে বটগাছ ভেঙে পড়ে ঘরটি পুরোপুরি তছনছ হয়ে যায়। দিলীপ চন্দ্র পরিবার নিয়ে পাশে টিনের ছাপরায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকারি কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসে শুধু আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল বাসেদ খন্দকার বললেন, ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় অফিস পুড়ে যাওয়ায় সব নথিপত্র নষ্ট হয়েছে। সে কারণে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সঠিক পরিসংখ্যান জানা নেই। এটি ছিল বিগত সরকারের আমলের প্রকল্প। বর্তমানে এখানে সরকারের কোনো বরাদ্দ নেই।’

অনিয়ম ও সচ্ছলদের গ্রাস: আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অনিয়ম এবং প্রকৃত ভূমিহীনদের বঞ্চিত করার প্রমাণ মিলেছে। অভিযোগ রয়েছে, তখনকার স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রভাবে সচ্ছল ও পাকা বাড়ির মালিকদের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার চর সোনাপোতা আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারীদের নিয়ে গড়া সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম বললেন, ‘পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও লুৎফর মিয়া নামে এক ব্যক্তি ঘর পেয়েছেন।’

খুলনার পাইকগাছায় পুটিমারী প্রকল্পের ৯০টি ঘরের মধ্যে প্রায় ৩০টি ঘর ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বললেন, ‘সরকারি বরাদ্দের ঘর বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই। তদন্তে প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অপরাধের অভয়ারণ্য: জনশূন্য বা অধিকাংশ ফাঁকা পড়ে থাকা এসব আশ্রয়ণ প্রকল্প এখন মাদক কারবারি, জুয়াড়ি ও বখাটেদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। মেহেরপুরের গাংনীর গোপালনগর ও ভাটপাড়া এলাকায় জনবসতিহীন স্থানে নির্মিত ঘরগুলো এখন অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদকের আড্ডাস্থল। মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় বললেন, তদন্ত কমিটির মাধ্যমে খালি ঘরগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপারকে অবগত করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের চর সৈয়দপুর এলাকার তিনটি আশ্রয়ণে ১৫৬টি পরিবারকে ঘর দেওয়া হয়। কিন্তু মাদকসেবী ও চোরের উপদ্রব বাড়ায় পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাসিন্দারা। অবশ্য সরেজমিনে পরিদর্শন করে ওই এলাকায় কী কী সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে একটি দলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জানালেন ইউএনও এস এম ফয়েজউদ্দিন।

আবশ্যিক সুবিধার অভাব: খুলনার কয়রা উপজেলার লালুয়া বাগালি আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নদীর চরে নির্মিত। এই প্রকল্পে তিন বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি বিদ্যুৎ সংযোগ। প্রকল্প এলাকায় স্থাপিত চারটি নলকূপের সবকটিই অকেজো। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলো নির্মাণের আগে অনেক ক্ষেত্রে বাস্তব সম্ভাব্যতা যাচাই বা সঠিক পরিকল্পনা করা হয়নি। অনেক প্রকল্প এলাকা মূল ভূখণ্ড বা বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্গম চরে বা নিচু এলাকায় করা হয়েছে। কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মান্দারগাঁও ও নোয়াগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলো নিচু এবং প্লাবনপ্রবণ জায়গায় করার কারণে সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় দিনের পর দিন নোংরা পানি জমে থাকছে। বগুড়ার শাজাহানপুরের চাঁদবাড়িয়া গুচ্ছগ্রামে ১৫টি ঘরের মধ্যে ১১টি পরিবার বসবাস করলেও পানির তীব্র সংকট রয়েছে। তিনটি টিউবওয়েলের একটি নষ্ট এবং একটিতে আয়রন বেশি ওঠায় ১১টি পরিবারের সম্বল মাত্র একটি নলকূপ।

আশ্বাসেই শেষ নাকি সমাধান: আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের নীতিমালা অনুযায়ী, শুধু ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার ঘর পাওয়ার যোগ্য। বরাদ্দপ্রাপ্ত ঘর বা জমি বিক্রি, ভাড়া বা হস্তান্তর করা যাবে না। এমন প্রমাণ মিললে বরাদ্দ বাতিলের বিধান রয়েছে। চাঁদপুর, গাজীপুর, জামালপুর, মেহেরপুর, পাবনা ও নীলফামারীর মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, ফাঁকা ও বেহাত ঘরের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। নীতিমালা ভঙ্গ করে ঘর বিক্রি বা দখলে রাখার প্রমাণ মিললে বরাদ্দ বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সার্বিক বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ গওহার নঈম ওয়ারা আগামীর সময়কে বললেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ব্যর্থতার প্রধান কারণ সুবিধাভোগী ও এলাকা নির্বাচনে ভুল। তিনি বললেন, ‘এটি শুরু থেকেই অনেকটা ক্র্যাশ প্রোগ্রাম ছিল। কর্মকর্তারা কাজের মানের চেয়ে ঘরের সুন্দর করে ছবি তুলে দেখানোতে বেশি ব্যস্ত ছিলেন। নির্মাণের আগে কোথায় মানুষের জীবিকা আছে, যোগাযোগ কেমন, পানি ও বিদ্যুতের সুযোগ আছে কি না—এসব বিবেচনা জরুরি ছিল। কিন্তু নেওয়া হয়নি। যেখানে জীবিকার সুযোগ নেই, শুধু খাস বা পরিত্যক্ত জমি পেয়ে সেখানে ঘর করলে মানুষ থাকবে না।’

গওহার নঈম ওয়ারার মতে, ভাঙা ঘর পুনর্নির্মাণ, মেরামতযোগ্য ঘর সংস্কার, ফাঁকা ঘর পুনর্বণ্টন এবং সুবিধাভোগীর তালিকা যাচাই করতে হবে নতুন করে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ, যোগাযোগ এবং মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানকে সিদ্ধান্ত ও তদারকিতে যুক্ত করতে হবে।

 

[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিরা]

ভূমিহীনপুনর্বাসনপ্রকল্পআশ্রয়ণজনশূন্যত্রুটিপূর্ণঅভয়ারণ্য
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    সৌদিতে হুতিদের হামলা বন্ধে ইরানকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    সৌদিতে হুতিদের হামলা বন্ধে ইরানকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    র‌্যাব বিলুপ্ত, সরকারি আদেশের অপেক্ষায় এসআরবি

    র‌্যাব বিলুপ্ত, সরকারি আদেশের অপেক্ষায় এসআরবি

    ‘একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর, অথচ সবার পরিচয় ছিল শিল্পী’

    ‘একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর, অথচ সবার পরিচয় ছিল শিল্পী’

    ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি, পলিটিক্স, গ্রুপিং, সিন্ডিকেট ও লবিং অনেক বেশি: স্বাগতা

    ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি, পলিটিক্স, গ্রুপিং, সিন্ডিকেট ও লবিং অনেক বেশি: স্বাগতা

    ২ কেজি ৭০০ গ্রামের ইলিশ, বিক্রি ১৬ হাজারে

    ২ কেজি ৭০০ গ্রামের ইলিশ, বিক্রি ১৬ হাজারে

    লং মার্চ সংকটের সমাধান দিলে তা বিএনপিই করত: তারেক রহমান

    লং মার্চ সংকটের সমাধান দিলে তা বিএনপিই করত: তারেক রহমান

    এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় ৩ আসামির স্বীকারোক্তি

    এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় ৩ আসামির স্বীকারোক্তি

    বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল অনিশ্চিত

    বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল অনিশ্চিত

    মায়ের শেষকৃত্যে অঝোরে কাঁদলেন চিন্ময়

    মায়ের শেষকৃত্যে অঝোরে কাঁদলেন চিন্ময়

    মেঘমল্লার বসুর দরকার একজন প্রকৃত বন্ধুর বিশ্বস্ত হাত: প্রিন্স মাহমুদ

    মেঘমল্লার বসুর দরকার একজন প্রকৃত বন্ধুর বিশ্বস্ত হাত: প্রিন্স মাহমুদ

    শির দিল্লি সফরে কূটনৈতিক বরফ গললেও ব্যবসায়িক সম্পর্কে অবিশ্বাস কি ভাঙবে

    শির দিল্লি সফরে কূটনৈতিক বরফ গললেও ব্যবসায়িক সম্পর্কে অবিশ্বাস কি ভাঙবে