Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

মক্কা প্রতিরক্ষা জোট সুযোগ নাকি ঝুঁকি?

ড. গোলাম রসূল
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩১
শেয়ার করুন:
মক্কা প্রতিরক্ষা জোট সুযোগ নাকি ঝুঁকি?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা উদ্যোগ ধীরে ধীরে একটি সংগঠিত জোটে রূপ নিচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারও উদ্যোগটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে, যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আমন্ত্রণ আসেনি। কিন্তু কোনো উদ্যোগকে স্বাগত জানানো আর সরাসরি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়া এক কথা নয়। বাংলাদেশের জন্য আসল প্রশ্ন হলো— এই জোটে যোগ দিলে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ কতটা বাড়বে আর ভবিষ্যতে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা কতটা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

তাই ঢাকার উচিত নয় তাড়াহুড়ো করে সদস্যপদ গ্রহণ করা, আবার আগেভাগে উদ্যোগটি প্রত্যাখ্যান করাও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। আগে পরিষ্কারভাবে দেখতে হবে— বাংলাদেশ কী সুবিধা পেতে পারে এবং কী ধরনের দায় নিতে হবে। সহযোগিতার সুযোগ নিতে হবে, কিন্তু কূটনৈতিক স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়ে নয়।

বাংলাদেশের নিরাপত্তার প্রয়োজন মক্কা জোটের তিন প্রতিষ্ঠাতা দেশের চেয়ে আলাদা। সৌদি আরবের প্রধান উদ্বেগ মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চল ঘিরে, তুরস্ককে সামলাতে হয় আঞ্চলিক সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক টানাপড়েন আর পাকিস্তানের নিরাপত্তা ভাবনায় ভারত একটি বড় বিষয়।

মক্কা জোটে যোগ দিলে গোয়েন্দা তথ্যবিনিময়, সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প ও পাকিস্তানের সামরিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে। তবে সুবিধার পাশাপাশি দায়ও থাকে। মক্কা চুক্তির মূল অঙ্গীকার হলো, কোনো সদস্যের ওপর হামলা হলে তা তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে; কিন্তু এই অঙ্গীকার বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তাই প্রশ্ন শুধু ‘কী

অর্থনৈতিক দিক থেকে সম্ভাবনা তুলনামূলক স্পষ্ট। সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রবাসী আয়ের উৎস— ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসেছে প্রায় ৫ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার, মোট প্রবাসী আয় ৩৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে। তুরস্কের সঙ্গে উৎপাদন, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, ওষুধ ও অবকাঠামোয় সহযোগিতার সুযোগ আছে; পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত হলেও বাড়ানো সম্ভব। তবে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব, নিরাপত্তা সহযোগিতা আর সামরিক জোট— এই তিনটি এক জিনিস নয়। আর একটির সুবিধা নিতে

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান যেমন সুযোগ তৈরি করে, তেমনি কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি করে। ভারত ও চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, পশ্চিমা বাজারনির্ভর রপ্তানি এবং ভারত মহাসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি বাংলাদেশের ওপর প্রভাব ফেলে। এই অবস্থানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার সুযোগ। তাই কোনো একটি পক্ষের দিকে অতিরিক্ত ঝুঁকে পড়া ভালো নাও হতে পারে।

মক্কা প্রতিরক্ষা জোট নিয়ে ভারতও ভাবছে। ১১ আগস্ট নয়াদিল্লি জানিয়েছে, তারা চুক্তিটির নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব পর্যালোচনা করছে; এমন সময়ে, যখন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এরই মধ্যে বেশ কিছু সংবেদনশীল বিষয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে— সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অমীমাংসিত অনুরোধ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা এবং অভিন্ন নদীর পানি নিয়ে আলোচনা। গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বরেই শেষ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশেরই সার্বভৌম সিদ্ধান্তের বিষয়— কার সঙ্গে সম্পর্ক গড়া হবে, তা ঢাকা নিজের বিচার-বিবেচনাতেই ঠিক করবে। তবে দীর্ঘ সীমান্ত ও ঘনিষ্ঠ পানি-সম্পর্কের বাস্তবতায় নতুন কোনো প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিলে ভারত তা কীভাবে দেখবে, সেটিও হিসাবে রাখতে হবে। একইভাবে পাকিস্তানের সঙ্গেও স্বাভাবিক সম্পর্ক থাকা দরকার; রাজনৈতিক জটিলতা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ আছে। তবে পাকিস্তান ও ভারতের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রতিদ্বন্দ্বিতা

বাংলাদেশের নিরাপত্তা শুধু সামরিক বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িত সীমান্ত ও সমুদ্র নিরাপত্তা, পানি ও জ্বালানি, খাদ্য, অর্থনীতি, প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ, রপ্তানি বাজার, জলবায়ু ঝুঁকি এবং স্বাধীনভাবে পররাষ্ট্রনীতি চালানোর সক্ষমতা। কোনো একটি ক্ষেত্রে লাভ হলেও অন্য কয়েকটিতে স্বাধীনতা কমে গেলে সেটিকে নিঃশর্ত লাভ বলা যাবে না

বাংলাদেশের নিরাপত্তা শুধু সামরিক বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িত সীমান্ত ও সমুদ্র নিরাপত্তা, পানি ও জ্বালানি, খাদ্য, অর্থনীতি, প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ, রপ্তানি বাজার, জলবায়ু ঝুঁকি এবং স্বাধীনভাবে পররাষ্ট্রনীতি চালানোর সক্ষমতা। কোনো একটি ক্ষেত্রে লাভ হলেও অন্য কয়েকটিতে স্বাধীনতা কমে গেলে সেটিকে নিঃশর্ত লাভ বলা যাবে না। এখানে একটি সহজ পরীক্ষা কাজে লাগতে পারে— কোনো অংশীদারত্ব কি বাংলাদেশের সুযোগ বাড়াচ্ছে, নাকি সুযোগের চেয়ে বেশি নতুন দায় তৈরি করছে? সুযোগ

এই হিসাবে বাংলাদেশের সামনে তিনটি পথ আছে। প্রথমত, পূর্ণ সদস্য হওয়া। এতে সুযোগ বেশি, তবে দায়ও বেশি। দ্বিতীয়ত, সহযোগী সদস্য বা বিশেষ অংশীদার হিসেবে কাজ করা। এতে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা করা যাবে; কিন্তু সম্মিলিত সামরিক দায় নিতে হবে না। তৃতীয়ত, তিন দেশের সঙ্গে আলাদাভাবে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানো। এতে স্বাধীনতা বেশি থাকবে, তবে জোটের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা কম পাওয়া যাবে।

ঢাকার অন্তত পাঁচটি বিষয়ে স্পষ্ট উত্তর দরকার। প্রথমত, ‘আক্রমণ’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হবে আর তা কে নির্ধারণ করবে? দ্বিতীয়ত, সব সদস্যের কি সমান সিদ্ধান্ত-ক্ষমতা থাকবে আর নিজের স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কহীন কোনো সংঘাতে বাংলাদেশ কি অংশ না নেওয়ার সুযোগ পাবে? তৃতীয়ত, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রবাসী কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বাণিজ্যে বাংলাদেশ কি সুনির্দিষ্ট সুবিধা পাবে? চতুর্থত, এই জোটে যোগ দিলে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইরানের

বাংলাদেশকে নির্ভরশীলতা ও বিচ্ছিন্নতার মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে হবে না। এর চেয়ে কার্যকর পথ হলো কৌশলগত স্বাধীনতা রক্ষা করা— সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করা; একই সঙ্গে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ইউরোপের সঙ্গেও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখা। ঝুঁকি তখনই তৈরি হয়, যখন একটি সম্পর্ক এত বড় হয়ে ওঠে যে তা অন্য সম্পর্কগুলোকে সংকুচিত করে ফেলে।

মক্কা উদ্যোগ তাই বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার প্রশ্ন নয়; এটি বিভক্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিশ্বে বাংলাদেশের কৌশলগত পরিপক্বতারও পরীক্ষা। বাংলাদেশের উচিত মক্কা উদ্যোগের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সম্ভাবনা কাজে লাগানো; কিন্তু জাতীয় স্বার্থের বৃহত্তর পরিসরে সম্ভাব্য লাভ, ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ দায় বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া।

বাংলাদেশের নীতি হওয়া উচিত— আগে সহযোগিতা, প্রয়োজনে পরে জোট; সহযোগিতা বাড়াতে হবে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়ে নয়; সম্পর্কের বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে, এক নির্ভরতার বদলে আরেক নির্ভরতা তৈরি করতে নয়।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি সরল— মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্স কি বাংলাদেশের কৌশলগত পরিসর বাড়াবে, নাকি সংকুচিত করবে? এই প্রশ্নের উত্তরই ঠিক করবে বাংলাদেশের পরবর্তী পদক্ষেপ।

 

লেখক: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)

 

মক্কাঝুঁকিপ্রত্যাখ্যানপ্রতিরক্ষাগোয়েন্দাকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    সুতোয় ঝুলছে ফকিরের ভাগ্য, নতুন আইজিপির আলোচনায় অনেক নাম

    সুতোয় ঝুলছে ফকিরের ভাগ্য, নতুন আইজিপির আলোচনায় অনেক নাম

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    পাওয়া
    যাবে
    ’
    নয়
    ,
    বরং
    ‘
    কী
    দায়িত্ব
    নিতে
    হবে
    এবং
    অন্যের
    সংঘাতে
    জড়িয়ে
    পড়ার
    ঝুঁকি
    কতটা
    ’
    ।
    অন্যটিতে
    যেতে
    হবে
    ,
    এমন
    কোনো
    বাধ্যবাধকতা
    নেই।
    হচ্ছে
    ,
    নবায়ন
    নিয়ে
    আলোচনা
    চলছে
    আর
    তিস্তার
    হিস্যাও
    এখনো
    অমীমাংসিত
    —
    বাংলাদেশের
    জন্য
    এটি
    নিছক
    কূটনীতির
    প্রশ্ন
    নয়
    ;
    সরাসরি
    কৃষি
    ,
    জীবিকা
    ও
    খাদ্য
    নিরাপত্তার
    সঙ্গে
    জড়িত।
    একটি
    বাস্তবতা।
    ফলে
    ইসলামাবাদের
    নেতৃত্বাধীন
    কোনো
    জোটে
    বাংলাদেশের
    যোগদানকে
    নয়াদিল্লি
    যেভাবে
    দেখবে
    ,
    ঢাকার
    প্রকৃত
    উদ্দেশ্য
    হয়তো
    ঠিক
    সেভাবে
    বিবেচিত
    হবে
    না।
    আন্তর্জাতিক
    রাজনীতিতে
    নিজের
    উদ্দেশ্যের
    পাশাপাশি
    অন্যরা
    তা
    কীভাবে
    দেখছে
    ,
    সেটিও
    গুরুত্বপূর্ণ।
    বেশি
    হলে
    সহযোগিতা
    বাড়ানো
    উচিত
    ;
    অস্পষ্ট
    হলে
    আগে
    শর্ত
    ঠিক
    করা
    দরকার
    ;
    দায়ই
    বেশি
    হলে
    সদস্য
    না
    হয়েও
    সহযোগিতা
    চালিয়ে
    যাওয়া
    ভালো।
    সঙ্গে
    সম্পর্কের
    ওপর
    কী
    প্রভাব
    পড়বে
    ?
    পঞ্চমত
    ,
    প্রতিরক্ষা
    ব্যয়
    ,
    যৌথ
    মহড়া
    বা
    সম্ভাব্য
    সেনা
    মোতায়েনসহ
    আর্থিক
    ও
    সামরিক
    দায়
    কতটা
    হবে
    এবং
    কোনো
    শাস্তিমূলক
    পরিণতি
    ছাড়াই
    ভবিষ্যতে
    জোট
    থেকে
    বেরিয়ে
    আসা
    যাবে
    কি
    না
    ?
    এসব
    প্রশ্নের
    উত্তর
    পরিষ্কার
    না
    হওয়া
    পর্যন্ত
    পূর্ণ
    সদস্যপদে
    যাওয়া
    ঠিক
    হবে
    না।