ভবিষ্যতের বাহন স্বয়ংক্রিয় ড্রোন

এরই মধ্যে ভারী মালপত্র নিয়ে দুর্গম এলাকায় দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই ড্রোন চমৎকার কাজ করছে
শহুরে জীবনে সড়কের চাপ সামলাতে যাত্রী পরিবহনে ভবিষ্যতে বিকল্প হয়ে উঠতে পারে ড্রোন। লিখেছেন ইমরানুর রহমান
অফিসে বা কোনো প্রোগ্রামে পৌঁছাতে দেরি হয়ে গেছে। বসকে বাহানা হিসেবে দিচ্ছেন ট্রাফিক জ্যাম। কিন্তু এমন অজুহাত মনে হচ্ছে না খুব বেশিদিন দেওয়া যাবে। কারণ, শিগগির চীনের কোম্পানিগুলোর তৈরি চালকবিহীন উড়ন্ত ড্রোন জ্যাম এড়িয়ে নিমেষে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে আপনাকে।
চীনের গুয়াংঝু বা শেনজেন শহরের বাসিন্দারা এরই মধ্যে আকাশপানে তাকিয়ে দেখছেন এক নতুন সমীকরণ। সেখানে প্রপেলারের মৃদু গুঞ্জন তুলে মেঘের কোল ঘেঁষে ছুটে চলেছে স্বচালিত ড্রোন। আর এই আকাশজয়ের পেছনে রয়েছে রাষ্ট্রীয় নীতি এবং সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, যাকে বলা হচ্ছে ‘লো-অ্যালটিটিউড ইকোনমি’ বা নিম্ন-আকাশের অর্থনীতি। ২০২৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকার এই খাতকে তাদের কৌশলগত উদীয়মান শিল্পের মর্যাদা দিয়েছে। শেনজেন, গুয়াংঝু ও হেফেইয়ের মতো প্রযুক্তিগত হাব বা শহরগুলো এখন স্বচালিত ড্রোনের উন্মুক্ত চারণভূমি।
বেইজিংয়ের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দ্রুততার সঙ্গে নিরাপত্তা প্রটোকল যাচাই করে এই চালকবিহীন যানগুলোর বাণিজ্যিক পরিচালনার সবুজসংকেত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশটির এই নিম্ন-আকাশের অর্থনৈতিক বাজারের মূল্যমান ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় দুই হাজার কোটি ইউয়ানে পৌঁছাবে। এটি শুধু যাতায়াত ব্যবস্থাই বদলাচ্ছে না; বরং ব্যাটারি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের এক বিশাল বাজার তৈরি করছে।
চীনের এই ড্রোনের সাফল্যের মুকুটে সবচেয়ে উজ্জ্বল পালকটি যুক্ত করেছে গুয়াংঝুভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইহাং। তারা বিশ্বকে দেখিয়েছে কীভাবে চালকবিহীন যানকে নিরাপদ ও বাণিজ্যিক রূপ দিতে হয়। ইহাংয়ের তৈরি ‘ইএইচ২১৬-এস’ বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ স্বচালিত এবং টিকিটভিত্তিক যাত্রীবাহী এয়ার ট্যাক্সি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ থেকে টাইপ, প্রোডাকশন ও স্ট্যান্ডার্ড এয়ারওর্থিনেস সার্টিফিকেট পাওয়া বিশ্বের একমাত্র যান। প্রতিষ্ঠানটি গুয়াংঝু ও হেফেই শহরের পর্যটন এলাকাগুলোতে নিয়মিত আকাশ-ভ্রমণ সেবা দিচ্ছে।
সম্প্রতি তারা শেনজেন ও হংকংয়ের মধ্যে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রস-বর্ডার রুট চালু করে ইতিহাস গড়েছে, যা স্থলপথের ৯০ মিনিটের সফরকে মাত্র ২০ মিনিটে নামিয়ে এনেছে।
যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য বা লজিস্টিকস পরিবহনেও চীনের ড্রোন কোম্পানিগুলো অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। এ তালিকার অন্যতম শীর্ষ নাম অটোফ্লাইট। তাদের তৈরি ‘ভি৪০০ অ্যালবাট্রস’ কার্গো ড্রোনের মাধ্যমে লজিস্টিকস খাতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। ভারী মালপত্র নিয়ে দুর্গম এলাকায় দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই ড্রোন চমৎকার কাজ করছে। সম্প্রতি কোম্পানিটি শেনজেন থেকে ঝুহাই পর্যন্ত পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ ইভিটিওএল রুট সফলভাবে পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে।
পার্ল রিভার ডেল্টার ওপর দিয়ে ৫০ কিলোমিটারের এই পথ অতিক্রমে গাড়িতে যেখানে তিন ঘণ্টা সময় লাগত, সেখানে অটোফ্লাইটের স্বচালিত ড্রোন তা মাত্র ২০ মিনিটে অতিক্রম করেছে। এ ছাড়া ইনফ্লাইঙ্কের মতো নতুন ও সম্ভাবনাময় কোম্পানিগুলো শহরের ভেতরে স্বল্প দূরত্বে পার্সেল ও জরুরি ওষুধ সরবরাহের জন্য স্বয়ংক্রিয় ড্রোন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট, যেমন— মেইতুয়ান ও জেডি ডটকম প্রতিদিন হাজার হাজার ফুড ও পার্সেল ডেলিভারি করছে এই ড্রোনগুলোর মাধ্যমে। এগুলোতে কোনো চালক থাকে না, এমনকি কোনো রিমোট কন্ট্রোলারেরও প্রয়োজন হয় না। এতে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম স্বয়ংক্রিয়ভাবে জিপিএস রুট নির্ধারণ করে।
এ ছাড়া ড্রোনের গায়ে যুক্ত থাকা লেজারভিত্তিক লিডার ও রাডার সেন্সর প্রতি মিলিসেকেন্ডে চারপাশের পরিবেশ স্ক্যান করে একটি নিখুঁত ত্রিমাত্রিক ম্যাপ তৈরি করে। ফলে আকাশে পাখি, ঘুড়ি বা অন্য কোনো ড্রোন চলে এলে এটি মুহূর্তের মধ্যে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। সুরক্ষায় যুক্ত থাকে বিশেষ ব্যাকআপ সিস্টেমও। যদি উড্ডয়ন অবস্থায় একটি বা দুটি মোটর বন্ধও হয়ে যায়, বাকি মোটরগুলো যানটিকে নিরাপদে ল্যান্ড করাতে পারে। চরম বিপদের জন্য এতে যুক্ত থাকে অ্যাভিয়েশন-গ্রেড প্যারাসুট।
এত দ্রুত সাফল্যের পরও এই ড্রোন বিপ্লবকে কিছু বাস্তবমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বর্তমান প্রযুক্তিতে এই ড্রোন একটানা ৩০ থেকে ৩৫ মিনিটের বেশি উড়তে পারে না। তবে চীনের ব্যাটারি জায়ান্টগুলো সলিড-স্টেট ব্যাটারি নিয়ে কাজ করছে, যা উড্ডয়ন সময় দ্বিগুণ করে দেবে।
পাশাপাশি শহরের আকাশসীমায় শত শত ড্রোন একসঙ্গে উড়লে যে প্রপেলার বা পাখার শব্দ হবে, তা নাগরিক অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
চীনের প্রকৌশলীরা এখন শব্দহীন বা ‘সাইলেন্ট প্রপেলার’ ডিজাইনের ওপর গবেষণা চালাচ্ছেন। এ ছাড়া হাজার হাজার চালকবিহীন যানের জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় আকাশ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করা অত্যন্ত জটিল কাজ। ফাইভ-জি ও সিক্স-জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই সেন্ট্রাল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উন্নত করার কাজ চলছে।
দেশটির এই স্বচালিত ড্রোন শিল্প শুধু তাদের নিজস্ব যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাচ্ছে না; বরং পুরো পৃথিবীর সামনে ভবিষ্যতের গণপরিবহনের এক নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরেছে। আজ চীন যে প্রযুক্তির সফল বাণিজ্যিকীকরণ করে দেখিয়েছে, তা আগামী দিনে সারা বিশ্বের আকাশপথকে নিয়ন্ত্রণ করবে।অফিসে বা কোনো প্রোগ্রামে পৌঁছাতে দেরি হয়ে গেছে। বসকে বাহানা হিসেবে দিচ্ছেন ট্রাফিক জ্যাম। কিন্তু এমন অজুহাত মনে হচ্ছে না খুব বেশিদিন দেওয়া যাবে। কারণ, শিগগির চীনের কোম্পানিগুলোর তৈরি চালকবিহীন উড়ন্ত ড্রোন জ্যাম এড়িয়ে নিমেষে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে আপনাকে।
চীনের গুয়াংঝু বা শেনজেন শহরের বাসিন্দারা এরই মধ্যে আকাশপানে তাকিয়ে দেখছেন এক নতুন সমীকরণ। সেখানে প্রপেলারের মৃদু গুঞ্জন তুলে মেঘের কোল ঘেঁষে ছুটে চলেছে স্বচালিত ড্রোন। আর এই আকাশজয়ের পেছনে রয়েছে রাষ্ট্রীয় নীতি এবং সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, যাকে বলা হচ্ছে ‘লো-অ্যালটিটিউড ইকোনমি’ বা নিম্ন-আকাশের অর্থনীতি। ২০২৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকার এই খাতকে তাদের কৌশলগত উদীয়মান শিল্পের মর্যাদা দিয়েছে। শেনজেন, গুয়াংঝু ও হেফেইয়ের মতো প্রযুক্তিগত হাব বা শহরগুলো এখন স্বচালিত ড্রোনের উন্মুক্ত চারণভূমি।
বেইজিংয়ের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দ্রুততার সঙ্গে নিরাপত্তা প্রটোকল যাচাই করে এই চালকবিহীন যানগুলোর বাণিজ্যিক পরিচালনার সবুজসংকেত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশটির এই নিম্ন-আকাশের অর্থনৈতিক বাজারের মূল্যমান ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় দুই হাজার কোটি ইউয়ানে পৌঁছাবে। এটি শুধু যাতায়াত ব্যবস্থাই বদলাচ্ছে না; বরং ব্যাটারি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের এক বিশাল বাজার তৈরি করছে।
চীনের এই ড্রোনের সাফল্যের মুকুটে সবচেয়ে উজ্জ্বল পালকটি যুক্ত করেছে গুয়াংঝুভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইহাং। তারা বিশ্বকে দেখিয়েছে কীভাবে চালকবিহীন যানকে নিরাপদ ও বাণিজ্যিক রূপ দিতে হয়। ইহাংয়ের তৈরি ‘ইএইচ২১৬-এস’ বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ স্বচালিত এবং টিকিটভিত্তিক যাত্রীবাহী এয়ার ট্যাক্সি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ থেকে টাইপ, প্রোডাকশন ও স্ট্যান্ডার্ড এয়ারওর্থিনেস সার্টিফিকেট পাওয়া বিশ্বের একমাত্র যান। প্রতিষ্ঠানটি গুয়াংঝু ও হেফেই শহরের পর্যটন এলাকাগুলোতে নিয়মিত আকাশ-ভ্রমণ সেবা দিচ্ছে।
সম্প্রতি তারা শেনজেন ও হংকংয়ের মধ্যে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রস-বর্ডার রুট চালু করে ইতিহাস গড়েছে, যা স্থলপথের ৯০ মিনিটের সফরকে মাত্র ২০ মিনিটে নামিয়ে এনেছে।
যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য বা লজিস্টিকস পরিবহনেও চীনের ড্রোন কোম্পানিগুলো অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। এ তালিকার অন্যতম শীর্ষ নাম অটোফ্লাইট। তাদের তৈরি ‘ভি৪০০ অ্যালবাট্রস’ কার্গো ড্রোনের মাধ্যমে লজিস্টিকস খাতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। ভারী মালপত্র নিয়ে দুর্গম এলাকায় দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই ড্রোন চমৎকার কাজ করছে। সম্প্রতি কোম্পানিটি শেনজেন থেকে ঝুহাই পর্যন্ত পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ ইভিটিওএল রুট সফলভাবে পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে।
পার্ল রিভার ডেল্টার ওপর দিয়ে ৫০ কিলোমিটারের এই পথ অতিক্রমে গাড়িতে যেখানে তিন ঘণ্টা সময় লাগত, সেখানে অটোফ্লাইটের স্বচালিত ড্রোন তা মাত্র ২০ মিনিটে অতিক্রম করেছে। এ ছাড়া ইনফ্লাইঙ্কের মতো নতুন ও সম্ভাবনাময় কোম্পানিগুলো শহরের ভেতরে স্বল্প দূরত্বে পার্সেল ও জরুরি ওষুধ সরবরাহের জন্য স্বয়ংক্রিয় ড্রোন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট, যেমন— মেইতুয়ান ও জেডি ডটকম প্রতিদিন হাজার হাজার ফুড ও পার্সেল ডেলিভারি করছে এই ড্রোনগুলোর মাধ্যমে। এগুলোতে কোনো চালক থাকে না, এমনকি কোনো রিমোট কন্ট্রোলারেরও প্রয়োজন হয় না। এতে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম স্বয়ংক্রিয়ভাবে জিপিএস রুট নির্ধারণ করে।
এ ছাড়া ড্রোনের গায়ে যুক্ত থাকা লেজারভিত্তিক লিডার ও রাডার সেন্সর প্রতি মিলিসেকেন্ডে চারপাশের পরিবেশ স্ক্যান করে একটি নিখুঁত ত্রিমাত্রিক ম্যাপ তৈরি করে। ফলে আকাশে পাখি, ঘুড়ি বা অন্য কোনো ড্রোন চলে এলে এটি মুহূর্তের মধ্যে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। সুরক্ষায় যুক্ত থাকে বিশেষ ব্যাকআপ সিস্টেমও। যদি উড্ডয়ন অবস্থায় একটি বা দুটি মোটর বন্ধও হয়ে যায়, বাকি মোটরগুলো যানটিকে নিরাপদে ল্যান্ড করাতে পারে। চরম বিপদের জন্য এতে যুক্ত থাকে অ্যাভিয়েশন-গ্রেড প্যারাসুট।
এত দ্রুত সাফল্যের পরও এই ড্রোন বিপ্লবকে কিছু বাস্তবমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বর্তমান প্রযুক্তিতে এই ড্রোন একটানা ৩০ থেকে ৩৫ মিনিটের বেশি উড়তে পারে না। তবে চীনের ব্যাটারি জায়ান্টগুলো সলিড-স্টেট ব্যাটারি নিয়ে কাজ করছে, যা উড্ডয়ন সময় দ্বিগুণ করে দেবে।
পাশাপাশি শহরের আকাশসীমায় শত শত ড্রোন একসঙ্গে উড়লে যে প্রপেলার বা পাখার শব্দ হবে, তা নাগরিক অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
চীনের প্রকৌশলীরা এখন শব্দহীন বা ‘সাইলেন্ট প্রপেলার’ ডিজাইনের ওপর গবেষণা চালাচ্ছেন। এ ছাড়া হাজার হাজার চালকবিহীন যানের জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় আকাশ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করা অত্যন্ত জটিল কাজ। ফাইভ-জি ও সিক্স-জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই সেন্ট্রাল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উন্নত করার কাজ চলছে।
দেশটির এই স্বচালিত ড্রোন শিল্প শুধু তাদের নিজস্ব যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাচ্ছে না; বরং পুরো পৃথিবীর সামনে ভবিষ্যতের গণপরিবহনের এক নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরেছে। আজ চীন যে প্রযুক্তির সফল বাণিজ্যিকীকরণ করে দেখিয়েছে, তা আগামী দিনে সারা বিশ্বের আকাশপথকে নিয়ন্ত্রণ করবে।




