Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় পাখি সব করে রব

টিকটিকি

দন্ত্যস রওশন
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২১
টিকটিকি

অলংকরণ করেছেন রজত

এক বাসায় ছিল হিংসুটে একটি টিকটিকি। একদিন সে ওই বাসার বাকি প্রাণী ও পতঙ্গকে বের করে দিল। তারপর যখন সে একদম একা তখন ঘটল বিপদ। কী বিপদ? কীভাবে উদ্ধার পেল সে? কী শিক্ষা পেল? সেই গল্প লিখেছেন দন্ত্যস রওশন

টিকটিকি কথা বলছে। কথা বলছে সবার উদ্দেশে। সে দাঁড়িয়েছে একটা সোফায় ওপর। বলছে, ‘এ বাসায় শুধু আমি থাকব। পিঁপড়া থাকবে না। তেলাপোকা থাকবে না। অন্য আর কেউ থাকবে না।’

টিকটিকির কথা শুনল সবাই। তারপর বাসা থেকে একে একে চলে গেল। চলে গেল অনেক পিঁপড়া। চলে গেল অনেক তেলাপোকা। চলে গেল ছোট ইঁদুর।

টিকটিকি একা একা বাসায় থাকে। সে খুব খুশি। সে পোকা ধরে খেত। হঠাৎ টিকটিকি দেখল, বাসায় কোনো পোকা নেই । সে কী খাবে? পোকারাও নেই। চলে গেছে।

একদিন টিকটিকি সিলিং ফ্যানের কাছে ঘুরছিল। কোনো খাবার নেই। তার মন খুব খারাপ হলো। হঠাৎ তার লেজটা খসে পড়ে গেল। খুব ব্যথা পেল সে। লেজটা নড়ছে সোফার সামনে।

লাল পিঁপড়ারা লাইন ধরে যাচ্ছে। একটি লাল পিঁপড়া দৌড়ে এলো। সে যাচ্ছিল অন্যদিকে। বলল, ‘তোমরা শুনেছ? টিকটিকির লেজ পড়ে গেছে। আহা ওর কত কষ্ট!’

একটি কালো পিঁপড়া বলল, ‘চল যাই। ওকে দেখে আসি।’ এ কথা শুনে সবাই বলল, ‘চল, চল।’ তারা ছুটল টিকটিকিকে দেখতে। সেই বাসায়। পিঁপড়াদের দলে যোগ দিল তেলাপোকা, পোকামাকড় ও ছোট ইঁদুর।

লাল পিঁপড়া বলল, ‘আমাদের ডাক্তার পিঁপড়া কোথায়?’ ছুটে এলো ডাক্তার পিঁপড়া। ডাক্তার পিঁপড়াও চলল তাদের সঙ্গে।

বাসায় ঢোকার পর তারা দেখল, টিকটিকির লেজটা পড়ে আছে। পিঁপড়ারা লেজ তাদের মাথায় তুলে নিল।

লেজ মাথায় নিয়ে তারা ছুটছে। হাঁটতে হাঁটতে তারা টিকটিকিকে খুঁজে পেল। টিকটিকির খুব মন খারাপ। ডাক্তার পিঁপড়া বলল, ‘আমি তোমার লেজ জোড়া দিয়ে দিচ্ছি। কোনো অসুবিধা নেই।’

অনেক কষ্টে পিঁপড়ারা টিকটিকির লেজ জোড়া লাগিয়ে দিল। ছোট্ট ইঁদুর দিল লেজে সেলাই করে। ফড়িং নিয়ে এলো খাবার। সে বলল, ‘বেশি করে খাও। তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যাবে।’

টিকটিকি খুব খুশি। ডাক্তার পিঁপড়া বলল, ‘এবার যাই।’ ইঁদুর বলল, ‘চল, চলে যাই।’ ফড়িং-পোকারা বলল, ‘চল, যেতে তো হবেই। আমরা তো আর থাকতে পারব না।’

টিকটিকি ছোটাছুটি করছে। লাফালাফি করছে। তার অনেক আনন্দ। পিঁপড়ারা লাইন ধরেছে, তারা চলে যাবে। লাইনের পেছনে ইঁদুর ও ফড়িং। তারা পেছন ফিরে দেখছে টিকটিকিকে।

টিকটিকি ডাকল, ‘অ্যাই, কোথায় যাচ্ছ তোমরা? যেও না। আমি তোমাদের যেতে দেব না।’

ডাক্তার পিঁপড়া বলল, ‘তুমি তো একাই থাকতে চাও, তাই না? আমরা চলে যাই।’

টিকটিকি বলল, ‘না। আমি সরি বলছি। এ বাসায় আমরা সবাই থাকব। মিলেমিশে থাকব। তোমাদের আর চলে যেতে বলব না। সবাই মিলে অনেক মজা করব।’

এখন ওরা সবাই একই বাসায় থাকে। টিকটিকি আর একা থাকতে চায় না।

টিকটিকিপতঙ্গপিঁপড়াতেলাপোকাকবিতা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: