Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
সোয়া লাখ গাছ লাগিয়েছেন রাজ্জাক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় খোলা হাওয়া

বিপন্ন প্রাণের পাহারাদার

ইশতিয়াক হাসান
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১২
শেয়ার করুন:
বিপন্ন প্রাণের পাহারাদার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বিচিত্র ছদ্মবেশে অভিযানে নামেন তারা বন্যপ্রাণী পাচারকারী, শিকারি আর অবৈধ ব্যবসায়ীদের ধরতে। সম্প্রতি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার পাওয়া বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে লিখেছেন ইশতিয়াক হাসান

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সোর্স খবর দিল দুই চোরা কারবারির কাছে দুটি চিতা বিড়াল আছে। বিক্রির জন্য তারা ক্রেতা খুঁজছে। সরাসরি অভিযান চালালে কাজ হবে না। ঠিক হলো অপরাধীদের ফাঁকি দিতে ছদ্মবেশ নিতে হবে। যোগাযোগ করা হলো ক্রেতা পরিচয়ে। লেনদেনের স্থান ঠিক হলো কুমিল্লার কোর্টবাড়ী এলাকা। নির্ধারিত দিনে সেখানে পৌঁছালেন ইউনিটের সদস্যরা। ওষুধ কোম্পানির কর্মী সেজে। এমনকি গাড়ির গায়েও ওষুধ কোম্পানির স্টিকার। সন্দেহ না করেই ফাঁদে পা দিল

ছদ্মবেশে বন্যপ্রানী উদ্ধারের এ ঘটনাটি শুনলাম বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানার মুখে।

আগারগাঁওয়ের বন ভবনে হাজির হয়েছিলাম সকাল সকাল। সেখানে আমার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি ছাড়াও ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিটের অন্য দুই ওয়াইল্ডলাইফ ইন্সপেক্টর অসীম মল্লিক ও আব্দুল্লাহ আস সাদিক। তাদের মুখে শোনা গেল এমন কিছু কাহিনি, যেগুলো শুনলে মনে হতে পারে কোনো গোয়েন্দা উপন্যাসের অংশ; কিন্তু ঘটনাগুলো বাস্তব। যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী।

ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিটের জব্দ করা পাখি।

আব্দুল্লাহ আস সাদিকের গল্পটি অন্য রকম। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর জিওর রথমেলা। মেলায় পাহাড়ি ময়না বিক্রি হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে সেখানে যান তিনি, অসীম মল্লিকসহ কয়েকজন। ভিড় এত বেশি যে, গাড়ি নিয়ে এগোনোই কঠিন। অবশেষে তারা পৌঁছালেন বিশাল এক বটগাছের নিচে। সেখানে সারি সারি খাঁচা। ভেতরে বিক্রির জন্য রাখা অন্তত দেড়শ পাহাড়ি ময়না। পাখিগুলো জব্দ করে গাড়িতে তোলা হলো। কিন্তু ফেরার পথে পরিস্থিতি বদলে গেল। বিক্রেতা ও তাদের সমর্থকরা রাস্তা

ঝাঁপিয়ে পড়ল জনতা। যে যার মতো পাখি নিয়ে পালাতে শুরু করল। শুধু ময়নাই নয়, গাড়িতে থাকা অন্য পাখি ও বানরও নিয়ে গেল তারা। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে যাদের মুক্ত আকাশে ফেরার কথা ছিল, তারা আবার হারিয়ে গেল মানুষের হাতেই।

উদ্ধারকৃত সাদা পেঁচা।


গল্পগুলো শুনতে শুনতে একটা প্রশ্ন মাথায় আসে। এ কাজগুলো করেন কতজন? উত্তরটা অবাক করার মতো। সারা দেশের জন্য বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটে বর্তমানে কর্মরত মাত্র ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। সীমিত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ২০১২-এর জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ইউনিটটি ৬১ হাজার ১৫০টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার বা জব্দ করেছে। দেশের ৫৬ জেলায় অসংখ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়েছে।

এর মধ্যেই কক্ষে ঢুকলেন বন্যপ্রাণী ফরেনসিক ল্যাবের সিনিয়র ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট কনক রায়। একের পর এক অভিযানের গল্প চলছিল। কোথাও ছদ্মবেশ, কোথাও শিকারি ধরার ফাঁদ ছিল কৌশল।

গল্পের মোড় এবার ঘুরল অন্যদিকে। দীর্ঘদিন বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রকল্প হিসেবে চলার পর কর্মীদের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ফলে অন্তত বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা নেই; কিন্তু সমস্যাটা আরও জটিল।বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবসে অপরাধ দমন ইউনিটের স্টল পরিদর্শন করছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী

কারণ ইউনিটটি এখনো পুরোপুরি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পায়নি। অসীম মল্লিক জানালেন, অনেক সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে উদ্ধার অভিযানের খবর আসে। কোথাও বানর, কোথাও সাপ, কোথাও পাচার হওয়া বিরল পাখি। দ্রুত পৌঁছানো দরকার। কিন্তু সেই জরুরি অভিযানে বের হওয়ার জন্য নিজেদের ব্যবহারযোগ্য কোনো গাড়িই নেই। ইউনিটের একমাত্র গাড়িটিও অচল।

ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম ইন্সপেক্টরদের সঙ্গে কোনো অস্ত্র থাকে না। অথচ যাদের বিরুদ্ধে তারা অভিযান চালান, তাদের অনেকেই সংঘবদ্ধ এবং কখনো কখনো বিপজ্জনক। ফলে প্রায় প্রতিটি অভিযানে

স্থানীয় বনকর্মী ও প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হয়।

কনক রায় জানালেন, বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী অপরাধের তদন্তে ফরেনসিক বিশ্লেষণের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। কোন চামড়া কোন প্রাণীর, জব্দ করা মাংস কোন প্রজাতির— এসব প্রশ্নের উত্তর অনেক সময় খুঁজতে হয় পরীক্ষাগারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থাও কখনো নমুনা পাঠায় তাদের কাছে। কিন্তু গবেষণাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্টের অভাব প্রকট।

তারপর যোগ করলেন, বিরল পাখি, সরীসৃপ, কচ্ছপ কিংবা বন্যপ্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ— অনেক কিছুই বিমানবন্দর ও নৌবন্দর দিয়ে পাচার হয়। এসব জায়গায় নজরদারি বাড়ানো জরুরি।উদ্ধারকৃত কচ্ছপদের জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

সমস্যার কথা শুনতে শুনেতে একটু অধৈর্য হয়ে পড়েছেন! তাহলে বরং নার্গিস সুলতানার সেই ভালুকের ঘটনাটি শুনি। কুমিল্লার ডিওএইচএস এলাকায় একটি বাণিজ্য মেলায় সার্কাসে ব্যবহার করা হচ্ছিল ভালুকটি। খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছান নার্গিস সুলতানা। কিন্তু মেলা কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই প্রাণীটি দিতে রাজি নয়। শুরু হয় টালবাহানা। তারপর ভয়ভীতি ও প্রভাবশালীদের নাম। কিন্তু নার্গিস নাছোড়বান্দা। জায়গা থেকে নড়লেন না। এক ঘণ্টা, দুই ঘণ্টা, তিন ঘণ্টা...শেষ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। অবশেষে

তার কথা শেষ হতে না হতেই অসীম মল্লিক শুরু করলেন। খবরটা পান এক ইনফরমারের মাধ্যমে। সুন্দরবনের পাশে একটি বাড়িতে বিপুল বন্যপ্রাণীর চামড়া মজুদ রয়েছে। চারপাশে মাছের ঘের। বসতি নেই বললেই চলে। দূর থেকে কাউকে আসতে দেখলে সহজেই সতর্ক হয়ে যেতে পারবে শিকারিরা। অসীম সিদ্ধান্ত নিলেন, এবারও দরকার অভিনয়। শিকারি চক্রের মূল ব্যক্তিকে ফোন করে পরিচয় দিলেন চামড়ার ব্যবসায়ী হিসেবে। অর্ডার দিলেন ১০-১২টি হরিণের চামড়ার। শিকারিরা নৌপথের কথা

পাখিদের অবমুক্ত করা হচ্ছে প্রকৃতিতে।তবে শিকারিদের অভিযানের আগের রাতে জানানো হলো, সকাল ৮টায় নয়, ৬টায় চামড়া দেওয়া হবে। খুলনা থেকে তখন অসীমদের সময়মতো পৌঁছানো অসম্ভব। ঠিক হলো ডিবি সদস্যরা যাবেন। পরদিন ভোর। আকাশ জুড়ে বৃষ্টি। কাদা আর জল পেরিয়ে ডিবির সদস্যরা ছোট ছোট দলে এগোতে থাকলেন। শিকারিরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধরা পড়ে তিনজন। বাকিরা দৌড়ে পালিয়ে যায় বনের দিকে। মোট

রোমাঞ্চকর গল্পের ভান্ডার ফুরোচ্ছে না এই বন্যপ্রাণী রক্ষায় কাজ করা মানুষগুলো। কিন্তু ঘড়ির কাটা এগিয়ে চলেছে। বিদায় নিয়ে দেখা করতে গেলাম ইউনিটের পরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঙ্গে। সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অরণ্যে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা এই বন কর্মকর্তা কথার ফাঁকে খুব সংক্ষেপেই সমস্যার সারমর্ম তুলে ধরলেন।

‘বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে আইন আছে; কিন্তু তার কার্যকর প্রয়োগ দরকার। মানুষের সচেতনতা দরকার। আর আমাদের লজিস্টিক সাপোর্ট খুবই সীমিত। কর্মীরও সংকট আছে। তারপরও আমাদের সদস্যরা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।’

 

বন্যপ্রাণীঅপরাধ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    লাইসেন্স লাগবে না অটোরিকশাচালকের

    লাইসেন্স লাগবে না অটোরিকশাচালকের

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    ‘সংস্কার-সংস্কার’ রবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা

    ‘সংস্কার-সংস্কার’ রবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা

    কক্ষে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর

    কক্ষে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর

    আইজিপিকে নিয়ে নরম সুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    আইজিপিকে নিয়ে নরম সুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    মেট্রোরেলে নজীবুর রহমানের মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে যাত্রীদের ‘কমনসেন্স’

    মেট্রোরেলে নজীবুর রহমানের মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে যাত্রীদের ‘কমনসেন্স’

    একসঙ্গে পথচলা, স্বামীর মৃত্যুর পরই স্ত্রীর মৃত্যু

    একসঙ্গে পথচলা, স্বামীর মৃত্যুর পরই স্ত্রীর মৃত্যু

    দুই
    তরুণ।
    তাদের
    কাছ
    থেকে
    উদ্ধার
    করা
    হলো
    চিতা
    বিড়ালগুলো।
    আটকে
    দিল।
    উত্তেজনা
    বাড়লে
    পুলিশ
    ডাকা
    হলো।
    কিন্তু
    পরিস্থিতি
    আরও
    খারাপ
    হলে
    মব
    ঠেকাতে
    যার
    যার
    পাখি
    নিয়ে
    যেতে
    বলল
    পুলিশ।
    আয়োজকেরা
    হাল
    ছেড়ে
    ভালুকটি
    হস্তান্তর
    করল।
    বলেছিল
    ,
    অসীম
    সড়কপথে
    আসার
    কথা
    বললেন।
    অভিযানে
    যুক্ত
    হলো
    ডিবি
    পুলিশও।
    ১০টি
    হরিণ
    ,
    একটি
    গন্ধগোকুল
    এবং
    একটি
    মেছো
    বিড়ালের
    চামড়া
    উদ্ধার
    করা
    হয়।