Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
সোয়া লাখ গাছ লাগিয়েছেন রাজ্জাক
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সাহিত্য

প্রয়াণদিনে স্মরণ

টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

শিমুল সালাহ্উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৪
শেয়ার করুন:
টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

টেড হিউজ (১৭ আগস্ট, ১৯৩০ - ২৮ অক্টোবর, ১৯৯৮)

১৯৯৮ সালের ২৮ অক্টোবর টেড হিউজ মারা যান। মৃত্যুর মাত্র তেরো দিন আগে তিনি রাণীর হাত থেকে অর্ডার অব মেরিট গ্রহণ করেছিলে— সেটিই ছিল তার শেষ প্রকাশ্য উপস্থিতি। মৃত্যুর কারণ ছিল হৃদরোগ, তবে তিনি কোলন ক্যানসারের চিকিৎসাধীন ছিলেন। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফেবার পাবলিশার্সের চেয়ারম্যান ম্যাথু ইভান্স তাকে বলেছিলেন ‘বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, এবং অন্যতম অসাধারণ মানুষ’। যে কবি জীবদ্দশায় বিবাহ-ট্র্যাজেডির ছায়ায় ঢাকা ছিলেন, মৃত্যুর পরেও যার সমাধিফলক থেকে পদবি খোদাই করে তুলে ফেলা হয়েছে, তার জন্য এ মূল্যায়ন ভারী, আবার জটিলও।

টেড হিউজ ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইংরেজি কবিতার সবচেয়ে রুক্ষ এবং সহজে শ্রেণিবদ্ধ করা যায় না; এমন কাব্যশক্তির উদাহরণ। প্রায় একা হাতেই তিনি পঞ্চাশের দশকের ব্রিটিশ কবিতার সেই ভদ্র, সংযত ধারার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন— পুরাণ, প্রান্তর, পশুর রক্ত আর মানুষের আদিম প্রবৃত্তিকে আবার ইংরেজি কবিতার শিরায় শিরায় ফিরিয়ে এনেছিলেন তিনি। তার কবিতা কখনো সান্ত্বনা দেয় না, কখনো সমঝোতা করে না; সে কামারশালার প্রস্তরে হাতুড়ির মতো আঘাত করে, আর রেখে যায় দীর্ঘ অনুরণন। আর তার জীবন দুটি আত্মহত্যার কারণে চিরতরে জনমতের বিচারের কাঠগড়ায় পেরেক দিয়ে আটকানো। হিউজকে বুঝতে হলে এই দুটি সূত্র ধরে এগোতে হয়— একটি বাজপাখি ও কাকের রাজ্যের দিকে, অন্যটি লন্ডনের সেই ফ্ল্যাটের দিকে, যেখানে শিশুরা ঘুমিয়ে থাকার সময় গ্যাসের চুলা খোলা হয়েছিল আর নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছিলেন সমকালীন আরেক কবি সিলভিয়া প্লাথ।

ইয়র্কশায়ারের শিকড়: পশু, যুদ্ধের গল্প আর প্রথম শব্দ


এডওয়ার্ড জেমস হিউজ ১৯৩০ সালের ১৭ আগস্ট পশ্চিম ইয়র্কশায়ারের মিথলম্রয়েডের এক মিলশহরে জন্মগ্রহণ করেন, চারপাশে ছিল রুক্ষ প্রান্তর। বাবা উইলিয়াম হেনরি ছিলেন কাঠমিস্ত্রি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ল্যাঙ্কাশায়ার ফুসিলিয়ার্সে কাজ করেছেন, গ্যালিপলি অভিযান থেকে ফিরে আসা অল্প কয়েকজনের একজন। হিউজ পরে বলেছিলেন, বাবার যুদ্ধের গল্প আর সেই গল্পে বয়ে আনা আঘাতই তার শৈশবের কল্পনার ভিত্তি তৈরি করেছিল। সাত বছর বয়সে পরিবার দক্ষিণ ইয়র্কশায়ারের কয়লাখনি শহর মেক্সবরোয় চলে যায়, বাবা-মা সেখানে একটি সংবাদপত্র ও তামাকের দোকান চালাতেন। তিনি বড় হয়েছেন ক্যাল্ডার উপত্যকা আর পেনাইন পাহাড়ি অঞ্চলের খামারগুলোর মধ্যে, মাছ ধরা, শিকার, পশু Observe করা— এ অভিজ্ঞতাগুলোই পরে তার কবিতার সবচেয়ে স্থায়ী উপাদান হয়ে দাঁড়ায়।

কেমব্রিজের পেমব্রোক কলেজে হিউজ প্রথমে ইংরেজিতে ভর্তি হন, কিন্তু খুব দ্রুত তার দম বন্ধ হয়ে আসতে শুরু করে। প্রাতিষ্ঠানিক সাহিত্যচর্চাকে তিনি বর্ণনা করেছিলেন ‘ভয়াবহ, শ্বাসরোধকারী, মাতৃতান্ত্রিক অক্টোপাস’ হিসেবে এবং শেষে প্রত্নতত্ত্ব ও নৃবিজ্ঞান বিভাগে চলে যান। এ পছন্দ তার কাব্যতত্ত্বকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল: পুরাণ, আচার, প্রাক-ইতিহাস— এগুলোই তার মানুষের অভিজ্ঞতা বোঝার মূল কাঠামো হয়ে দাঁড়ায়। কেমব্রিজেই তিনি সেই মানুষটির সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তার ভাগ্য চিরতরে বদলে দেবেন।

একটি পার্টি, একটি বিয়ে, এবং দুই প্রতিভার সংঘাত

১৯৫৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি হিউজ ও তার বন্ধুরা কেমব্রিজে ছোট পত্রিকা সেন্ট বোটলফস রিভিউ বের করার জন্য একটি পার্টির আয়োজন করেন। আমেরিকান ফুলব্রাইট স্কলার সিলভিয়া প্লাথ সেখানে এলেন। প্লাথের ডায়েরি অনুযায়ী, ঘরে ঢুকেই তিনি দেখলেন ‘একটি উঁচু, কালো, শক্ত-গড়নের ছেলে’, আর হিউজও সোজা তার দিকেই এগিয়ে এসেছিলেন। কথিত আছে, দেখা হওয়ার সময় প্লাথ হিউজের গালে কামড় বসিয়েছিলেন, রক্ত বেরিয়ে এসেছিল। চার মাস পর, ১৬ জুন, তারা লন্ডনে বিয়ে করেন; তারিখটি সচেতনভাবেই ‘ব্লুমসডে’ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল জেমস জয়েসকে সম্মান জানাতে।

বিবাহের প্রথম কয়েক বছর দুজনে একে অপরকে উদ্দীপিত করেছেন। প্লাথ নিজে হাতে টাইপ করে দিয়েছিলেন হিউজের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দ্য হক ইন দ্য রেইন’-এর পাণ্ডুলিপি; বইটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশের পর হিউজ ব্যাপক সমালোচনামূলক প্রশংসা ও সমারসেট মম পুরস্কার পান। সমালোচক রবার্ট বি. শ-র মতে, হিউজের কবিতা তখনকার প্রচলিত ধারা থেকে এক ‘নাটকীয় বিচ্যুতি’ অর্জন করে — যখন সমকালীনরা লিখছিলেন "ভদ্র গৃহস্থালি বিষয়, সংযত ও মৃদু ব্যাঙ্গ", হিউজ তখন 'প্রায় শেক্সপিয়রীয় ভাষিক অনুরণন' দিয়ে পুরাণ ও মৌলিক বিষয় অন্বেষণ করছিলেন। কিন্তু ফাটলও বাড়ছিল। ১৯৬২ সালের গ্রীষ্মে হিউজের সঙ্গে আসিয়া উইভিলের পরকীয়া সম্পর্ক শুরু হয়। একই বছরের শরতে প্লাথকে রেখে তিনি লন্ডনে চলে যান। ১৯৬৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, শিশুরা ঘুমিয়ে থাকার সময় প্লাথ গ্যাসের চুলা খুলে দেন এবং ত্রিশ বছর বয়সে নিজের জীবন শেষ করে দেন।

টেড হিউজ (১৭ আগস্ট, ১৯৩০ - ২৮ অক্টোবর, ১৯৯৮)নীরবতার তিন বছর, আর একটি কাকের জন্ম

প্লাথের মৃত্যুর পর হিউজ প্রায় কবিতা লেখা বন্ধ করে দেন, পুরো তিন বছর। পরে 'বার্থডে লেটার্স'-এ তিনি সেই জমে যাওয়া অবস্থা বর্ণনা করেছেন। সেই বছরগুলোতে তিনি সম্প্রচার সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন, সমালোচনা লিখেছেন, প্যাট্রিক গারল্যান্ড ও চার্লস অসবোর্নের সঙ্গে 'পোয়েট্রি ইন্টারন্যাশনাল' সম্পাদনা করেছেন — ইংরেজি কবিতাকে বিশ্বের অন্য প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।

তারপর কাক এল। ১৯৬৬ সালে শিল্পী লেনার্ড বাসকিনের অনুরোধে হিউজ তাঁর আঁকা কাকের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে কিছু কবিতা লেখেন। এই কবিতাগুলোই শেষে ১৯৭০ সালের 'ক্রো: ফ্রম দ্য লাইফ অ্যান্ড সংস অফ দ্য ক্রো'-তে পরিণত হয়। বইটি সমালোচকদের বিভক্ত করেছিল, কিন্তু হিউজের সবচেয়ে চিহ্নায়ক কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কাক একইসঙ্গে ঈশ্বর, প্রকৃতির রূপ, এবং হিউজের অল্টার ইগো: সৃষ্টির ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে হাসতে থাকা এক টিকে থাকা মানুষ, সান্ত্বনা প্রত্যাখ্যানকারী এক সাক্ষীর প্রতীকরূপে উঠে এসেছিল হিউজের কবিতায়।

রেজিনাল্ড গ্রে (২০০৪) অঙ্কিত হোমেজ টু টেড হিউজেস, ব্যাঙ্কফিল্ড মিউজিয়াম, হালিফ্যাক্সক্রো ব্ল্যাকার দ্যান এভার-এ হিউজ তাঁর সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও অস্বস্তিকর সৃষ্টি-আখ্যান লিখেছেন — ঈশ্বর মানুষের ওপর, মানুষ ঈশ্বরের ওপর বীতশ্রদ্ধ, সবকিছু ভেঙে পড়ার মুখে; তখন কাক তাদের একসঙ্গে গেঁথে ফেলে, কিন্তু জোড়ায় পচন ধরে, দুর্গন্ধ ছড়ায়, 'এক অবর্ণনীয় আতঙ্ক" তৈরি হয়। যাতনা কমে না, মানুষ মানুষ হতে পারে না, ঈশ্বরও ঈশ্বর হতে পারেন না। আর কাক শুধু স্মিত হাসে, বলে 'এটাই আমার সৃষ্টি', নিজের কালো পতাকা উড়িয়ে উড়ে যায়। (অনুবাদ: লেখকের) এখানে প্রায় নিষ্ঠুর এক স্পষ্টতা আছে: হিউজ কোনো সমঝোতা দেন না, মুক্তি দেন না। তিনি দেন এক পাখিকে, যা সবকিছু দেখে ফেলেছে, সব ধ্বংসস্তূপের ওপরে দাঁড়িয়ে কর্কশ হাসি হাসছে।

শেয়াল: কবিতা ঘটে যাওয়ার মুহূর্ত

ক্রো বা কাক যদি হিউজের পুরাণের দিক হয়, তবে দ্য থট ফক্স বা শেয়াল তাঁর সবচেয়ে সূক্ষ্ম কারিগরী। 'দ্য হক ইন দ্য রেইন'-এ সংকলিত এই প্রাথমিক কবিতাটি প্রায় "কবিতা লেখা" কাজটিরই এক অনুভব-বর্ণনা। মধ্যরাতের বরফে একটি শেয়াল শূন্য থেকে আবির্ভূত হয় — প্রথমে একটি নাক ডালপালা ছোঁয়, তারপর চোখ, তারপর এক ল্যাংড়া ছায়া, শেষে হঠাৎ, 'শেয়ালের এক তীব্র তপ্ত গন্ধ" নিয়ে ঢুকে পড়ে "মস্তিষ্কের অন্ধকার গহ্বরে"। কবিতার শেষ দুই পঙক্তি: 'জানালাটি এখনও নক্ষত্রহীন; ঘড়িটি চলে টিকটিক, / পৃষ্ঠাটি মুদ্রিত হয়।' (অনুবাদ: লেখক)

হিউজ এখানে একটি অত্যন্ত কঠিন কাজ করেছেন: তিনি অনুপ্রেরণাকে দৃশ্যমান, স্পর্শসম্ভব, শরীরী করে তুলেছেন। সেই শেয়াল একইসঙ্গে পশু এবং কবিতা নিজে; কাগজে পৌঁছানোর আগে সে অন্ধকারে অনেকটা পথ হেঁটেছে। সমালোচক টমাস নেই 'দ্য টাইমস'-এ তখন লিখেছিলেন, হিউজ 'শুধু জীবন্ত পশু নয়, প্রকৃতির অবস্থায় পশুর সেই জীবন্ত অনুভূতিটি ধরতে চেয়েছেন: তাদের বন্যতা, শেয়ালের শেয়ালত্ব, কাকের কাকত্ব।' বাংলা ভাষায় হিউজের কবিতার অনুবাদ নিয়ে যাঁরা কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে রাজু আলাউদ্দিন 'টেড হিউজের নির্বাচিত কবিতা* নামে বাংলা একাডেমি থেকে একটি সংকলন প্রকাশ করেছেন।

ছায়া: প্লাথের পর, এবং একটি দ্বিতীয় মৃত্যু

প্লাথের মৃত্যুর পর হিউজ ইংরেজী ভাষী জগতের সবচেয়ে বিতর্কিত সাহিত্যিক ব্যক্তিত্বদের একজন হয়ে ওঠেন। কিছু নারীবাদী এবং প্লাথের ভক্ত তাঁর আত্মহত্যার দায় হিউজের ওপর চাপান। হেপটনস্টলে তাঁর সমাধিফলক বারবার ভাঙচুর করা হয়; 'হিউজ' পদবিটি পাথর থেকে খোদাই করে তুলে ফেলার চেষ্টা হয়, যাতে কেবল 'সিলভিয়া প্লাথ' থাকে। কবি রবিন মরগান কবিতায় সরাসরি হিউজকে প্লাথের ওপর শারীরিক নির্যাতন ও তার মৃত্যুর জন্য অভিযুক্ত করেন। বাংলা-ভাষার একটি সূত্রে পাওয়া যায়, হিউজ যখন কোনো সাহিত্য অনুষ্ঠানে যেতেন, নারীবাদী কর্মীরা দল বেঁধে সেখানে যেতেন, 'খুনি, খুনি' বলে চিৎকার করতেন, তাঁর দিকে থুতু ছুড়তেন।

১৯৬৯ সালে আসিয়া উইভিল প্লাথের মতোই গ্যাসে আত্মহত্যা করেন, এবং সঙ্গে নিয়ে যান হিউজের চার বছরের মেয়ে শুরাকে। ট্র্যাজেডির ওপর ট্র্যাজেডি, হিউজ প্রায় জনমতের ক্রুশে পেরেকের মতো গেঁথে যান। তিনি বেছে নেন নীরবতা। প্লাথের সাহিত্যিক নির্বাহী হিসেবে তিনি তার অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপি পরিচালনা করেন, 'অ্যারিয়েল'-এর প্রকাশ তদারকী করেন, কিন্তু প্লাথের শেষ ডায়েরি ধ্বংস করে দেন — এই সিদ্ধান্ত বা বাণী পৃথিবীর পরবর্তী কবিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিতর্কের জন্ম দিয়ে রেখেছে।

১৯৯৮ সালে, মৃত্যুর কয়েক মাস আগে, হিউজ 'বার্থডে লেটার্স' প্রকাশ করেন। ৮৮টি কবিতা, প্লাথকে লেখা, পঁচিশ বছরের নীরবতা ভেঙে। ইভান্স বলেছিলেন, 'এই বই প্রকাশ করা তাঁর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত ছিল। তিনি অন্য দিকটি তুলে ধরলেন, আর বইটি প্রকাশের পর মানুষের মধ্যে অনেক ভুল ভাঙা বোঝাপড়া তৈরি হয়।' বইটিতে অনেক ব্যক্তিগত বিবরণ আছে, কিন্তু কোনো সরল "কারণ" নেই। কেউ পড়েছেন অনুতাপ হিসেবে, কেউ পড়েছেন আত্মপক্ষ সমর্থন হিসেবে, কেউ পড়েছেন এমন এক মানুষের কথা, যিনি শেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্ষতটা খুলে দেখানোর।

রাজকবি, অনুবাদ ও শেষ বছরগুলো

১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে হিউজ জন বেজম্যানের পর ব্রিটেনের রাজকবি (পোয়েট লরিয়েট) নিযুক্ত হন, মৃত্যু পর্যন্ত সেই পদেই ছিলেন। এই পদটি তাঁর ওপর কিছুটা অদ্ভুতভাবে বসেছিল: যিনি বাজপাখি আর কাক লেখেন, যিনি কখনো সত্যিকারভাবে লন্ডনের সাহিত্যিক প্রতিষ্ঠানের অংশ ছিলেন না, তিনি প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ প্রতীকে পরিণত হলেন। কিন্তু তিনি গ্রহণ করেছিলেন, এবং দায়িত্ব পালন করেছেন — রানির জন্য উপলক্ষ্যে উপলক্ষ্যে কবিতা লিখেছেন, আবার এমন কবিতাও লিখেছেন যার সঙ্গে রাজদরবারের কোনো সম্পর্ক নেই। ১৯৯২ সালের 'রেইন চার্ম ফর দ্য ডাচি'তে তাঁর রাজকবি হিসেবে লেখা কাজগুলো প্রথমবার সংকলিত হয়, এবং তা অপ্রত্যাশিতভাবে প্রশংসিত হয়।

তাঁর শেষ জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ 'টেলস ফ্রম ওভিড' (১৯৯৭), ওভিডের 'মেটামরফসিস'-এর মুক্তছন্দে অনুবাদ। বইটি হুইটব্রেড বর্ষসেরা বইয়ের পুরস্কার জেতে। হিউজের কাছে, ওভিডের সেই মানুষ ও দেবতারা যাঁরা আবেগের কারণে রূপান্তরিত হন, আর তিনি নিজে সারা জীবন যে ধ্বংস ও রূপান্তর দেখেছেন — একই কথা বলে। জীবনের শেষ বছরগুলোতে তিনি ডেভনের খামারে মাছ ধরেছেন, নদী দেখেছেন, পরিবেশ নিয়ে ভেবেছেন। তিনি ওয়েস্টকান্ট্রি রিভারস ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিদের একজন ছিলেন, কারণ স্থানীয় নদীগুলোতে মাছের সংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। সারা জীবন পশু নিয়ে লিখেছেন যে মানুষ, শেষে মাছের জন্য চিন্তা করছেন — এটা নিশ্চয়ই কোনো বিরোধ নয়।

কাব্যধারার প্রকৃতি: কেন হিউজ অন্যরকম

হিউজের কবিতার মূল উপাদান তিনটি: পশু, পুরাণ এবং প্রান্তর। তাঁর পশুরা প্রতীক নয়, তারা নিজেরাই নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে বেঁচে থাকে। বাজপাখি যখন শিকার করে, তখন সে কোনো মানবিক নৈতিকতার প্রতীক নয়; সে ক্ষুধার্ত, তার নখ ধারালো, আর কবি সেই ধারালোতাকে ভাষায় ধরতে চান। এই কারণে তাঁর কবিতায় নৈতিকতা প্রায় অনুপস্থিত — তিনি বিচার করেন না, তিনি দেখেন। এই দেখার ভঙ্গিই তাঁকে সমকালীন ব্রিটিশ কবিদের থেকে আলাদা করেছে। যখন ফিলিপ লারকিন লিখছিলেন শহরতলির জীবন, বিবাহ, একাকিত্ব আর মৃদু হাস্যরস, হিউজ তখন লিখছিলেন রক্ত, পালক, হাড় আর আদিম আচার। দুজনেই তাঁদের নিজ নিজ জায়গায় শ্রেষ্ঠ, কিন্তু তাঁদের ভাষা প্রায় দুই ভিন্ন গ্রহের।

সিলভিয়া প্লাথ, টেড হিউজের সাথে ইংল্যান্ডে, ১৯৫৬ আর্কিভিওর সৌজন্যে

হিউজের দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো পুরাণের প্রতি তাঁর আকর্ষণ। তিনি প্রত্নতত্ত্ব ও নৃবিজ্ঞান পড়েছিলেন, এবং সারা জীবন বিশ্বাস করতেন যে আধুনিক মানুষের অচেতন মনে সেই প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠানগুলো এখনও সক্রিয়। তাই তাঁর কবিতায় ঈশ্বর, কাক, শেয়াল, ঘোড়া— সবাই একইসঙ্গে জীবন্ত প্রাণী এবং প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক চিহ্নের প্রতিনিধিত্ব করে। 'ক্রো'-তে এই প্রবণতা চরমে পৌঁছেছে: কাককে তিনি বানিয়েছেন এক বিকল্প সৃষ্টিকর্তা, যে ঈশ্বরের ব্যর্থতার ওপর হাসির ক্রুরতা ছড়িয়ে দেয়। এই ধৃষ্টতা ইংরেজি কবিতায় বিরল, এবং এটাই তাঁকে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে সাহসী কবিদের একজন করে তুলেছে।

তৃতীয় বৈশিষ্ট্য তাঁর ভাষা। হিউজ তাঁর শৈশবের ইয়র্কশায়ার উপভাষার শব্দভাণ্ডার কবিতায় ঢুকিয়েছেন, যা তাঁর পঙক্তিকে করেছে মূর্ত, সংক্ষিপ্ত, পেশীবহুল। তাঁর কবিতা পড়তে গিয়ে পাঠক প্রায় শুনতে পান পাথরে পাথরের ঘষা, বাতাসে ডালপালার শব্দ। এই শরীরী ভাষাই তাঁর কবিতাকে অনুবাদের জন্য কঠিন করে তোলে, এবং একইসঙ্গে অনুবাদকের জন্য এক চমৎকার চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।

এক দ্বিখণ্ডিত জীবনের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি

হিউজের জীবনকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। প্রাপ্তির জীবন আর অপ্রাপ্তির জীবন। প্রাপ্তির দিকে আছে অসাধারণ কাব্য-প্রতিভা, মাত্র সাতাশ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, রাজকবির পদ, অর্ডার অফ মেরিট, বিশ্বজুড়ে পাঠক। কিন্তু অপ্রাপ্তির দিকটাও কম নয়। তিনি যে দুটি নারীকে ভালোবেসেছিলেন, দুজনেই আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর দুই সন্তান বাবাকে হারিয়েছে ছোটবেলায়; তাঁর পুত্র নিকোলাস ২০০৯ সালে নিজেই আত্মহত্যা করেন। তাঁর কন্যা ফ্রিদা এবং সৎমা ক্যারলের মধ্যে উত্তরাধিকার নিয়ে প্রকাশ্য বিবাদ হয়েছে। যে মানুষটি সারা জীবন পশুর সহিংসতা আর সৌন্দর্য নিয়ে লিখেছেন, তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন মানুষের সহিংসতার লক্ষ্য — সমাধিফলক ভাঙচুর, প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অপমান, চিঠিতে হুমকি।

এক অর্থে হিউজের জীবনীকাররা বলেন, তিনি দুই মানুষ ছিলেন: একজন কবি, যিনি নিজের কাজে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতেন; আর একজন ব্যক্তি, যিনি নিজের জীবনকে কখনো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এই দ্বিধা তাঁর কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে: 'ক্রো'-তে যে কাক সবকিছু দেখে হাসে, সে আসলে হিউজের সেই অংশ, যে নিজের ব্যক্তিগত ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো সমবেদনা চায়নি।

টেড হিউজ ও সিলভিয়া প্লাথ, হানিমুনে, ম্যাসাচুসেটসে, ২০ মে, ১৯৫৯পরবর্তী প্রজন্মের ওপর প্রভাব

হিউজের প্রভাব পরবর্তী কবিদের ওপর গভীর। শিমাস হিনি তাঁকে শ্রদ্ধা করতেন এবং তাঁর শেষকৃত্যে বলেছিলেন, তাঁর মৃত্যু কবিতাকে এতটা আঘাত করেছে যা জীবদ্দশায় কোনো কবির মৃত্যু করেনি। সাইমন আর্মিটেজ, পল মালডুন, অ্যান্ড্রু মোশন — এঁরা প্রত্যেকেই হিউজের ভাষার সেই শরীরি শক্তি থেকে শিখেছেন। নারী কবিদের মধ্যে অ্যালিস অসওয়াল্ড এবং ক্যারল অ্যান ডাফি হিউজের প্রকৃতি-কবিতার সেই কাঠিন্য উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন। শিশুসাহিত্যে 'দ্য আয়রন ম্যান' আজও পাঠ্য, এবং এর চলচ্চিত্ররূপ 'দ্য আয়রন জায়ান্ট' হিউজের নাম পৌঁছে দিয়েছে এক সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজন্মের কাছে।

কবিতার বাইরেও তাঁর প্রভাব রয়েছে। তিনি এবং ড্যানিয়েল ওয়াইসবোর্ট 'মডার্ন পোয়েট্রি ইন ট্রান্সলেশন' পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করে পূর্ব ইউরোপীয় কবিদের ইংরেজিভাষী জগতের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, যা পরবর্তী দশকগুলোতে ইংরেজি কবিতার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। তাঁর ওভিড অনুবাদ আজও পাঠ্য, এবং তাঁর সম্পাদনা-কাজ ইংরেজি কবিতার আন্তর্জাতিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

টেড হিউজ এবং সিলভিয়া প্লাথ, প্রেমের দিনগুলিতেবিশ্বকবিতায় অবস্থান ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

হিউজ মারা যাওয়ার পর তাঁর খ্যাতি কমেনি, বরং বেড়েছে। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের 'দ্য টেড হিউজ গাইড'-এ বলা হয়েছে, একুশ শতকের প্রথম দশক শেষে 'কবি হিসেবে হিউজের খ্যাতি আগে কখনো এত উঁচুতে ছিল না — স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রমে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, এবং সামগ্রিকভাবে ব্রিটিশ সংস্কৃতিতে।' আমেরিকায়ও সমালোচক ও শিক্ষকরা শেষে তাঁর কাজকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে শুরু করেছেন; হার্ভার্ডের লরেন্স বুয়েলের 'রাইটিং ফর অ্যান এনডেঞ্জার্ড ওয়ার্ল্ড' এবং স্ট্যানফোর্ডের জন ফেলস্টাইনারের 'ক্যান পোয়েট্রি সেভ দ্য আর্থ?'-এ হিউজ প্রায়ই একমাত্র যুদ্ধ-পরবর্তী ব্রিটিশ কবি হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।

২০০৮ সালে 'দ্য টাইমস' পত্রিকা ১৯৪৫ সালের পরবর্তী সেরা পঞ্চাশজন ব্রিটিশ লেখকের তালিকায় হিউজকে চতুর্দশ স্থানে রেখেছে। ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবের 'পোয়েটস কর্নার'-এ তাঁর স্মৃতিফলক আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়, টি. এস. এলিয়টের স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে। সেই অনুষ্ঠানে অ্যান্ড্রু মোশন হিউজকে গত শতাব্দীর উত্তরার্ধের 'দুই মহান কবির একজন' বলে অভিহিত করেন (অন্যজন ফিলিপ লারকিন)। বাংলা-ভাষার একটি সূত্রে পাওয়া যায়, সমকালীন জর্জিয় সাহিত্য-সমালোচনা মনে করে হিউজ "আজ ইংরেজিভাষী জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি, অন্য যে কোনো কবির চেয়ে বেশি', তাঁর কবিতা পাঠককে আকর্ষণ করে 'প্রাণশক্তি, চিত্র ও ইমেজের স্বচ্ছতা, পঙক্তির শক্তি ও শিরা' দিয়ে। তাঁর সমাধিফলকে খোদাই করা আছে 'দ্যাট মর্নিং' কবিতার কয়েকটি পঙক্তি, যা ইংরেজি কবিতার ইতিহাসে এক বিরল সম্মান।

সিলভিয়া প্লাথ এবং টেড হিউজ; গভীর প্রেমের দিনগুলিতেনেহাইয়ের শব্দ

টেড হিউজের কবিতাকে সুন্দর বলা কঠিন। এটি বেশি নেহাইয়ের ওপর হাতুড়ির আঘাতের মতো, নির্ভুল, ভারী, অনুরণনশীল। তিনি বিশ্বাস করতেন কবিতা শক্তি বহন করবে, সান্ত্বনা নয়। সারা জীবন তিনি দুটি পরিচয়ের মধ্যে নিজেকে ছিঁড়েছেন; একজন কবি, আর একজন 'সিলভিয়া প্লাথের স্বামী'। দ্বিতীয়টির জন্য এমনকি মৃত্যুর বিশ বছরেরও বেশি পরে নতুন চিঠি ও উপাদান প্রকাশ পেয়েছে, নতুন বিতর্ক উঠেছে।

তবে সম্ভবত হিউজ নিজেই এটি আগে থেকেই বুঝেছিলেন। 'ক্রো'-তে সেই পাখিটি দেখে ঈশ্বর ও মানুষ পরস্পরকে বিরক্ত করে, পরস্পরকে পেরেক দিয়ে গেঁথে ফেলে, তারপর মুখ টিপে হাসে, বলে: এটাই আমার সৃষ্টি। তিনি কোনো কিছুর জন্য ক্ষমা চাননি। তিনি শুধু নেহাইয়ের শব্দটি রেখে গেছেন, যাতে পরের মানুষ নিজেরা শুনতে পারে। ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবের সেই পাথরে খোদাই করা আছে তাঁর 'দ্যাট মর্নিং' কবিতার কয়েকটি পঙক্তি: 'তাই আমরা আমাদের যাত্রার শেষ খুঁজে পেলাম / তাই আমরা আলোর নদীতে জীবিত দাঁড়ালাম / আলোর প্রাণীদের মধ্যে, আলোর প্রাণীদের মতো।" (অনুবাদ: লেখক)

যে মানুষটি সারা জীবন অন্ধকার লিখেছেন, শেষে পাথরে খোদাই হয়ে রইল আলো। এটাই সম্ভবত হিউজের বিশ্বকবিতাকে দেওয়া সবচেয়ে নির্ভুল টীকা: তিনি কখনো সমঝোতার প্রতিশ্রুতি দেননি, কিন্তু তিনি সবসময় জানতেন আলো কোথায় — যদিও তিনি নিজে সারা জীবন ছায়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁর কবিতা আজও পাঠককে সেই একই প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, যা তিনি সারাজীবন ধরে নিজেকে ছুড়েছিলেন: মানুষের ভেতরের পশুটি যখন জেগে ওঠে, তখন কবিতা কি তাকে শান্ত করতে পারে, নাকি কেবল তার গর্জনকে আরও স্পষ্ট করে তোলে? হিউজের উত্তর ছিল: কবিতা শান্ত করে না, কবিতা সাক্ষ্য দেয়। আর সেই সাক্ষ্যই তাঁর সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার।

টেড হিউজ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    নিজের এক টাকাও নেই আইএফআইসি ব্যাংকের

    নিজের এক টাকাও নেই আইএফআইসি ব্যাংকের

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কথা ঘুরিয়ে রুমি এখন বললেন, কেন দেশ ছাড়ব?

    কথা ঘুরিয়ে রুমি এখন বললেন, কেন দেশ ছাড়ব?

    ঢাকা মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু

    ঢাকা মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু

    মেট্রোরেলে হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

    মেট্রোরেলে হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

    সিলভিয়া প্লাথের বিক্ষত হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

    সিলভিয়া প্লাথের বিক্ষত হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

    বাসায় তালা, শাহজালাল রুমি কোথায় জানে না কেউ

    বাসায় তালা, শাহজালাল রুমি কোথায় জানে না কেউ

    জামায়াত এমপি মাসুদ সাঈদীর পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন

    জামায়াত এমপি মাসুদ সাঈদীর পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন

    আইজিপিকে কি সরানো হবে? উপদেষ্টা বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা

    আইজিপিকে কি সরানো হবে? উপদেষ্টা বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা

    ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মাকে খুঁজছে চার বছরের মৈত্রী

    ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মাকে খুঁজছে চার বছরের মৈত্রী

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর ট্রফি

    হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর ট্রফি

    সিলভিয়া প্লাথের একমাত্র সাক্ষাৎকার

    সিলভিয়া প্লাথের একমাত্র সাক্ষাৎকার

    নির্মলেন্দু গুণ বলেছিলেন, সৌন্দর্যের সুষম বিকাশ আছে পরীমনির দেহাবয়বে

    নির্মলেন্দু গুণ বলেছিলেন, সৌন্দর্যের সুষম বিকাশ আছে পরীমনির দেহাবয়বে

    শ্যালিকাকে বিয়ে, চুনকালি মাখিয়ে গ্রামছাড়া করা হলো টিকটকারকে

    শ্যালিকাকে বিয়ে, চুনকালি মাখিয়ে গ্রামছাড়া করা হলো টিকটকারকে