Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সড়ক সংস্কার করেন ছাত্তার
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ঢাকা ১০০০

প্রাণ প্রকৃতির শতবর্ষী প্রহরী

agamir somoy
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬
প্রাণ প্রকৃতির শতবর্ষী প্রহরী

বোটানিক্যাল গার্ডেনের ভেতরের দৃশ্য। ছবি: ইমরোজ রাসেল

কংক্রিটের জঙ্গল আর ইটের মস্ত দালানের ভিড়ে ঢাকা যখন হাঁপিয়ে ওঠে, তখন নগরবাসীর ক্লান্ত প্রাণ জুড়াতে পরম মায়ার চাদর বিছিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে বলধা গার্ডেন আর বোটানিক্যাল গার্ডেনের মতো সবুজ আশ্রয়গুলো। যান্ত্রিক শহরের নির্মম দূষণ আর কোলাহল পেরিয়ে প্রতিদিন এসব উদ্যান মানুষকে দেয় প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ, বাঁচিয়ে রাখে পরিযায়ী পাখি ও বিরল উদ্ভিদের প্রাণ। ঢাকার প্রকৃতির এ দুই রূপকূপের গল্প নিয়ে লিখেছেন শম্পা বিশ্বাস

আকাশছোঁয়া শতবর্ষী দেবদারুর ডালপালা এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে, দুপুরের রোদেরও সাধ্য নেই নিচে নেমে আসার। সেই ছায়ায় বিরল ভোজপত্রের ডালে বসে পাখনা শুকানোয় ব্যস্ত ছাতারে আর ডাহুকের দল। পাশেই ছোট্ট জলাধারটিতে ভেসে আছে ‘ভিক্টোরিয়া আমাজোনিকা’— যা মূলত বিশাল থালার মতো দেখতে আমাজন লিলি। বলধা গার্ডেনের পুরনো লোহার ফটকটা পার হতেই পুরো পৃথিবীটা যেন ক্ষণিকের জন্য থেমে যায়। হুট করে গায়ে এসে লাগে একশ বছর আগের এক ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটা।

বলধা গার্ডেন শুধু স্থানীয়দের প্রাতঃভ্রমণের জায়গা নয়। এটি বিশাল প্রাণভাণ্ডার। পুকুরের শান্ত পানিতে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আছে সেঞ্চুরি প্ল্যান্ট। শত বছর ধরে যে চুপচাপ অপেক্ষা করছে জীবনের শেষ দিনে একটিমাত্র ফুল ফুটিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার। এখানের দিনের বেলায় মাড়িয়ে যাওয়া শুকনো পাতার মচমচ শব্দ আর চারপাশ থেকে ভেসে আসা কাঠঠোকরা ও ডাহুকের অবিরাম ডাক— ঢাকার যান্ত্রিক পরিচয়টা একমুহূর্তেই ধুলোয় মিশিয়ে দেয়। পুরান ঢাকার ঘিঞ্জি দালানের ভিড়ে ৩ দশমিক ৩৮ একরের এ ছোট্ট সবুজের টুকরোটি যেন বিষাক্ত শহরকে রক্ষায় কোনো জাদুকরের তৈরি সেরা উপহার।

১৯০৯ সালে জমিদার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরীর হাত ধরে পুরান ঢাকার ওয়ারীতে জন্ম হয় বলধা গার্ডেনের। সুদূর আমাজন বা আফ্রিকার জঙ্গল থেকে একের পর এক বিরল চারা এনে এ ছোট্ট বাগানটিতে রোপণ করছিলেন জমিদার নরেন্দ্রনারায়ণ। ১১৭ বছর পর সেই বলধা গার্ডেনই আজ তপ্ত ঢাকার চার কোটি মানুষের শেষ সতেজ ফুসফুস।

ঐতিহাসিক বলধা গার্ডেনের দুটি অংশের দুটি ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে। একটি সাইকি (Psyche) এবং অন্যটি সিবিলি (Cybele)। সাইকি বলধা গার্ডেনের একটি ছোট অংশ। এর নামকরণ করা হয়েছে গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী ‘আত্মা’ বা মন-এর প্রতীক হিসেবে। এ অংশে শাপলা পুকুর, এনথুরিয়াম, বিভিন্ন দুর্লভ ক্যাকটাস ও অর্কিডের সংগ্রহ রয়েছে। আর সিবিলি হলো উদ্যানের তুলনামূলক বড় অংশ, যার নামকরণ করা হয়েছে প্রকৃতির গ্রিক দেবী সিবিলি বা উর্বরতার দেবীর নামানুসারে। এ অংশে শঙ্খ নদ, ক্যামেলিয়া, আশোক, আফ্রিকান টিউলিপ, সূর্যঘড়ি এবং নানা বিরল প্রজাতির গাছপালা রয়েছে। একসময় বলধা গার্ডেনে ৮০০ প্রজাতির প্রায় ১৮ হাজার গাছ ছিল। তবে অনেক গাছই এখন আর নেই। সূর্যঘড়িটিও অনেক দিন ধরে কাজ করছে না। কারণ সূর্যকে আড়াল করে আশপাশে গড়ে উঠেছে বিশাল অট্টালিকা। গার্ডেনের মাঝখানের পুকুরটির পানি পচে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। তারপরও শীর্ণ শরীরে আজও এ শহরকে সবুজে ভরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর বলধা গার্ডেন।

বেশ কয়েক বছর ধরে প্রতিদিন সকালে এ উদ্যানে প্রাতঃভ্রমণে আসা আবুল বাশার লায়েস আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘আমরা তো বলধা গার্ডেনে এসে শুধু গাছ দেখি কিন্তু এখানে অনেক পাখিও আছে। তাদের চোখে তাকালে বোঝা যায় এ উদ্যান না থাকলে পুরান ঢাকায় একটা ডাহুক, কাঠঠোকরাও বাঁচত না। এত এত দালানের ভিড়ে এই কয়েকটা মাত্র বড় গাছের মগডাল— তাদের ডিম পাড়ার জন্য।’

সবুজ আর পাখির কলতানের এ গল্পের ক্যানভাসটা কিন্তু শুধু পুরান ঢাকাতেই শেষ হয়নি। এখান থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে, মিরপুরের ২০৮ একরের জাতীয় বোটানিক্যাল গার্ডেনের দৃশ্যটা আবার অন্যরকম। সেখানে কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের ভোরে সূর্য ওঠার আগেই শুরু হয় পরিযায়ী পাখিদের ডানার ঝাপটানি। সুদূর সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া আর হিমালয়ের কোল থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পেরিয়ে আসা সরালি, বালিহাঁস আর পিনটেইল যখন পানিতে ডানা ঝাপটায় তখন মনেই হয় না এটা পৃথিবীর অন্যতম দূষিত নগরের কোনো উদ্যান।

ক্যাকটাস হাউজ আর অর্কিডের আর্দ্র গন্ধ পেরিয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনের ভেতরের মেঠোপথ ধরে হাঁটলেই দেখা মেলে ‘রাজকীয়’ নাগলিঙ্গম বৃক্ষের। তার রক্তাভ ফুল থেকে ভেসে আসা তীব্র মিষ্টি সুবাস চারপাশে সৃষ্টি করে এক মায়াবী অনুভূতির, যা দর্শনার্থীদের কোনো এক জাদুবলে নিয়ে যায় আধুনিক সভ্যতার সীমানা থেকে দূরে। মিরপুরের এই জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে ছোট-বড় ও লতা-গুল্ম মিলিয়ে প্রায় ৫৬ হাজার ১২৫টি গাছ রয়েছে, যা প্রায় ৮০০টি ভিন্ন প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। এ বিশাল সংগ্রহশালার মধ্যে সবচেয়ে বিশেষ আকর্ষণ হলো এর ২২৬টি দুর্লভ ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি। এর মধ্যে পৌরাণিক তমাল, মূল্যবান শ্বেত চন্দন এবং সুগন্ধি কর্পূর গাছ অন্যতম। এ ছাড়া বিশালাকার পাতার জন্য বিশেষভাবে নজরকাড়া আমাজন লিলি, ৩০০ প্রজাতির গোলাপ বাগান, ক্যাকটাস ও অর্কিড হাউজের বৈচিত্র্যময় সংগ্রহ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আনা সিলভার ওক বা রামবুটানের মতো আন্তর্জাতিক উদ্ভিদগুলো এ বাগানকে করে তুলেছে অনন্য।

কিন্তু এ রূপকথার রাজ্যের পেছনের সত্যটা বেশ নির্মম। প্রতিদিন ঢাকার বিষাক্ত কার্বন শুষে নিয়ে শহরটাকে বাঁচিয়ে রাখা বলধা এবং বোটানিক্যাল গার্ডেন; দুটোই এখন দূষণের কবলে ধুঁকছে। মিরপুরের বোটানিক্যাল গার্ডেন ‘লিভিং জিনব্যাংক’ বা জীবন্ত মিউজিয়াম হলেও নগরায়ণের ফলে এটি নানাভাবে ধ্বংস হচ্ছে। দর্শনার্থীদের প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, সাউন্ডবক্স আর চেঁচামেচিতে প্রতিদিন একটু একটু করে সংকুচিত হচ্ছে এই পাখিদের রাজ্য। যে পাখিরা সুদূর উত্তর মেরু থেকে এ শহরকে বিশ্বাস করে আশ্রয় নিতে আসে— তারাই আজ অস্তিত্বের সংকটে। তাই পরিবেশবিদদের পরামর্শ, ইট-কংক্রিটের নির্দয় খিদের হাত থেকে বাঁচাতে হবে ঢাকার দুই সঞ্জীবনী উদ্যানকে। কারণ, বলধা আর মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের ছায়াটুকু যদি শেষ হয়ে যায় তবে এ শহরের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।

বোটানিক্যাল গার্ডেনউদ্যান
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    আইফোন দিতে চায়নি অপ্রতিম, খুন করা হয় বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে

    আইফোন দিতে চায়নি অপ্রতিম, খুন করা হয় বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে

    ন্যাম ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    ন্যাম ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    বাড়ির পাশেই চিরঘুমে অপ্রতিম

    বাড়ির পাশেই চিরঘুমে অপ্রতিম

    যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

    যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

    মেঘনায় তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বন্ধু

    মেঘনায় তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বন্ধু

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল

    শেষ ১২ দিনে ‘পাগলাটে’ কাজে যেন নিজেকেও ছাড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প

    শেষ ১২ দিনে ‘পাগলাটে’ কাজে যেন নিজেকেও ছাড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প

    ৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

    ৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

    কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

    কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

    ইতালির স্কুলে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ ও বিদেশি শিক্ষার্থী সীমিতের ঘোষণা মেলোনির

    ইতালির স্কুলে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ ও বিদেশি শিক্ষার্থী সীমিতের ঘোষণা মেলোনির

    বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৃদ্ধিতে টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

    বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৃদ্ধিতে টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

    আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, জ্যামে আটকা ফায়ার সার্ভিস

    আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, জ্যামে আটকা ফায়ার সার্ভিস

    ডিজেলসহ সব জ্বালানি তেলে লিটারে বাড়ল ২০ টাকা

    ডিজেলসহ সব জ্বালানি তেলে লিটারে বাড়ল ২০ টাকা

    জুতা সেলাইয়ে ৩৫ বছর পার, এখন দিনে আয় ১০০-২০০ টাকা

    জুতা সেলাইয়ে ৩৫ বছর পার, এখন দিনে আয় ১০০-২০০ টাকা

    ২১৬ দিন পর যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু

    ২১৬ দিন পর যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু