Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিশ্ব চলচ্চিত্র

কীভাবে সাদ্দাম ইরাকের সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে আনতে চেয়েছিলেন

বিবিসি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৯
কীভাবে সাদ্দাম ইরাকের সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে আনতে চেয়েছিলেন

সংগৃহীত ছবি

ইরাকের প্রয়াত একনায়ক সাদ্দাম হোসেনের নৃশংসতা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা বিশ্ববাসী জানলেও, তার সিনেমাপ্রীতির কথা হয়তো অনেকেরই অজানা।

১৯৭৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরপরই সাদ্দামের মাথায় এক অদ্ভুত ভূত চাপে। তিনি টাইগ্রিস নদীর তীরে বাগদাদ শহরকে আন্তর্জাতিক সিনেমার কেন্দ্রবিন্দু অর্থাৎ ‘বলিউড অন টাইগ্রিস’ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন! আর সেই লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে আজকের মূল্যে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে তিনি নির্মাণ শুরু করেছিলেন হলিউড স্টাইলের এক ঐতিহাসিক যুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘ক্ল্যাশ অব লয়ালটিজ’।

সম্প্রতি বিবিসির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই সিনেমার প্রযোজক ও অভিনেতারা প্রকাশ করেছেন এর পেছনের এমন কিছু গা শিউরে ওঠা ও হাস্যরসাত্মক তথ্য, যা যেকোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়!

১৯২০ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ইরাকিদের সশস্ত্র বিপ্লবের সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হচ্ছিল এই ছবি। হলিউড থেকে আনা হয়েছিল শত শত ক্রু ও দামি সেট। কিন্তু শুটিং শুরুর ঠিক দুই সপ্তাহের মাথায় আচমকা ইরাক আক্রমণ করে ইরান! শুরু হয়ে যায় ঐতিহাসিক ইরান-ইরাক যুদ্ধ।

ছবির ব্রিটিশ-ইরাকি প্রযোজক লতিফ জোরেফানি জানালেন, ‘আমার ১৪০ জন ক্রু হলিউড-লন্ডনে এসি স্টুডিওতে কাজ করতে অভ্যস্ত ছিল। তারা হঠাৎ আবিষ্কার করল, তারা এমন এক মরুভূমির মধ্যে দাঁড়িয়ে সিনেমা বানাচ্ছে, যার মাথার ওপর দিয়ে দিন-রাত আসল মিসাইল আর যুদ্ধবিমান উড়ে যাচ্ছে!’

সাদ্দামের কঠোর নির্দেশ ছিল— যুদ্ধ চললেও শুটিং থামানো যাবে না, বিশ্বকে দেখাতে হবে ইরাকের পরিস্থিতি একদম স্বাভাবিক। এমনকি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নকল বন্দুক ও প্রপস যখন লরিতে করে আনা হচ্ছিল, তখন তুর্কি বর্ডারের গার্ডরা সেগুলোকে আসল অস্ত্র ভেবে আটকে দেয়। পরে সমুদ্র ও মরুভূমির এক দীর্ঘ ও বিপজ্জনক রুট দিয়ে সেই কস্টিউম ও প্রপস বাগদাদে আনা হয়েছিল।

যুদ্ধের চেয়েও এই সিনেমার বড় ভীতি ছিলেন এর প্রধান হলিউড তারকা অলিভার রিড। পর্দায় ব্রিটিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করা রিড বাস্তবজীবনে ছিলেন চরম মদ্যপ ও খামখেয়ালি। একদিন বাগদাদের এক অভিজাত হোটেলের রেস্তোরাঁয় বসে মদ্যপ অবস্থায় তিনি একটি খালি ওয়াইনের বোতলে প্রস্রাব করে ওয়েটারকে বলেছিলেন, ‘পাশের টেবিলে এটা গিফট হিসেবে দিয়ে এসো!’

এই কাণ্ডে সাদ্দাম হোসেনের মন্ত্রীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং প্রযোজককে টেলেক্স পাঠিয়ে রিডকে অবিলম্বে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু কোটি কোটি টাকার প্রজেক্টের মাঝপথে হিরোকে তাড়ালে ছবিটাই ফ্লপ হয়ে যাবে, তাই প্রযোজক জোরেফানি ইরাকি সরকারের হাত-পা ধরে আপ্রাণ চেষ্টা করে অলিভার রিডকে সিনেমায় টিকিয়ে রাখেন।

সহ-অভিনেত্রীদের মতে, অলিভার রিড নিজেই ছিলেন একটা আস্ত ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র’! অন্য এক রাতে রিডের কাণ্ডে বিরক্ত হয়ে তার ফরাসি বডিগার্ড রিডকে হোটেলের ৫ তলার জানালা দিয়ে পা ধরে উল্টো করে ঝুলিয়ে রেখেছিল, আর রিড নাকি তখন হা হা করে হাসছিলেন!

ছবির এক দৃশ্যে ব্রিটিশদের একটি সৈন্যবাহী ট্রেনে ইরাকি বিদ্রোহীদের ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য ছিল। একমাত্র পরিত্যক্ত রেললাইনটি ছিল ইরান সীমান্তের কাছে। শুটিংয়ের জন্য সেখানে বিশাল বিস্ফোরণ ঘটানো হলে তার পরের দিনই ইরানি রেডিও-টিভিতে ব্রেকিং নিউজ দেওয়া হয়, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড ইরাকের ভেতরে ঢুকে তাদের এক সামরিক ট্রেন উড়িয়ে দিয়ে শত শত ইরাকি সেনাকে খতম করেছে! অথচ ওটা ছিল স্রেফ সিনেমার শুটিং!

আরও পড়ুন

বিয়ের আগে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন, স্বীকার করলেন আকাঙ্ক্ষা

০৫ জুলাই ২০২৬

সিনেমার অন্যতম অভিনেতা মার্ক সিন্দেনকে যুক্তরাজ্য ছাড়ার আগে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা অনুরোধ করেছিল, তিনি যেন ইরাকে গিয়ে পর্যটকের বেশে সাদ্দামের বিভিন্ন প্রাসাদ, সরকারি ভবন ও সামরিক অ্যান্টেনার ছবি তুলে আনেন। মার্ক সেই ফাঁদে পা দিয়ে বাগদাদে ছবি তুলতে গিয়ে সাদ্দামের সিক্রেট পুলিশের হাতে ধরা পড়েন এবং তাদের টর্চার সেলে স্থান পান।

তবে সিন্দেন দারুণ চতুর ছিলেন। তিনি জেরা কর্মকর্তাকে বলেছিলেন, ‘আরে ভাই, আমি তো আপনাদের মহান নেতা সাদ্দাম হোসেনের অতিথি! তিনি নিজেই আমাদের ছবিতে টাকা দিচ্ছেন। এক সপ্তাহ আগেই তো তার সঙ্গে ডিনার করলাম!’ এই কথা শুনে পুলিশ ভয় পেয়ে তাকে ছেড়ে দেয় এবং সিন্দেন পরদিনই শুটিংয়ের মিলিটারি কস্টিউম ও নকল পিস্তলসহ প্লেনে চড়ে ইরাক থেকে পালিয়ে বাঁচেন।

১৯৮৩ সালের জুলাই মাসে মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ছবিটি প্রিমিয়ার হয় এবং একটি পুরস্কারও জেতে। কিন্তু সাদ্দামের কুয়েত আক্রমণ এবং পরে জাতিসংঘের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে সিনেমাটি বিশ্ব জুড়ে আর কখনোই মুক্তি পেতে পারেনি।

সাদ্দামের ‘বলিউড’ বানানোর বিশাল স্বপ্ন সারের এক অন্ধকার গ্যারেজের ক্যানেস্টারের ভেতর চিরতরে বন্দি হয়ে পচে নষ্ট হয়ে যায়।

সাদ্দাম হোসেনক্ল্যাশ অব লয়ালটিজসিনেমা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise