১৮ বছর শেষ নয়, নতুন অধ্যায়ের শুরু: ইমরান

ইমরান মাহমুদুল। ছবি: সংগৃহীত
‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ’-এর মঞ্চে প্রথম রানারআপ হিসেবে যে তরুণ সংগীতপ্রেমী ছেলেটির পথচলা শুরু হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তিনি আজ দেশের সংগীতাঙ্গনের মধ্যমণি। শূন্য থেকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সেই নাম ইমরান মাহমুদুল। গাইতে গাইতে কেটে গেল দীর্ঘ ১৮টি বছর, তৈরি হলো একের পর এক ইতিহাস!
অডিও, চোখধাঁধানো মিউজিক ভিডিও কিংবা রুপালি পর্দার হিট গান, সবখানেই আজ ইমরান অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও একক রাজত্বে সমাসীন। ব্যর্থতার মেঘ সরিয়ে স্বপ্নের রাজপ্রাসাদ ছোঁয়ার এই দেড় যুগের অবিশ্বাস্য গল্পটি যেন এক জীবন্ত অনুপ্রেরণা।
২০০৮ সালের ৩১ আগস্ট চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট রানার-আপ হওয়ার মাধ্যমে সংগীতাঙ্গনে ইমরানের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়। সেই স্মৃতির কথা স্মরণ করে ইমরান সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘আজ আমার সংগীত জীবনের ১৮ বছর পূর্ণ হলো। আজকের এই দিনেই, ১৮ বছর আগে, চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়ে মিডিয়ায় আমার আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়েছিল। সেদিনের সেই ছোট্ট স্বপ্নটা আজ ১৮ বছরের এক বিশাল যাত্রা।’
সুদীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট গান, দেশ-বিদেশের মঞ্চ পরিবেশনা আর সাফল্যের পাশাপাশি নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মুখোমুখি হয়েছেন এই গায়ক। ভক্তদের ভালোবাসাকেই নিজের সেরা প্রাপ্তি উল্লেখ করে তিনি জানালেন, ‘এই ১৮ বছরে পেয়েছি অসংখ্য গান, মঞ্চ, সাফল্য, ব্যর্থতা, ভালোবাসা, অভিমান আর হাজারো স্মৃতি। কিন্তু সবচেয়ে বড় পাওয়া, আপনাদের ভালোবাসা। আমি জানি না এই দীর্ঘ সময়ে কতটা ভালো গান আপনাদের দিতে পেরেছি। তবে প্রতিটা গান, প্রতিটা সুর, প্রতিটা মঞ্চ, আমি সবসময় হৃদয় দিয়ে করেছি।’
পথচলার এই বিশেষ মুহূর্তে শ্রোতা, সমালোচক ও পাশে থাকা সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইমরান। তিনি লিখেছেন, ‘যারা আমার গান শুনেছেন, গেয়েছেন, শেয়ার করেছেন, ভালোবেসেছেন, পাশে থেকেছেন, এমনকি সমালোচনা করেছেন, আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।’
১৮ বছর পার হলেও এই সাফল্যকে শেষ নয়, বরং নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন এই শিল্পী। গানের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানিয়ে তিনি যোগ করেছেন, ‘১৮ বছর শেষ নয়… এটা শুধু আরেকটা নতুন অধ্যায়ের শুরু। যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, ততদিন গান করে যেতে চাই। আর আপনাদের ভালোবাসা নিয়েই পথটা পাড়ি দিতে চাই।’
স্ট্যাটাসের শেষে ইমরান লেখেন, ‘১৮ বছরের সংগীত। ১৮ বছরের স্বপ্ন। ১৮ বছরের স্মৃতি। ১৮ বছরের আপনাদের ভালোবাসা। সবাইকে ভালোবাসা। পাশে থাকবেন।’








