অতিরিক্ত মাদক সেবনেই অভিনেত্রী হেইডেন পেনেটিয়েরের মৃত্যু

হেইডেন পেনেটিয়ের
সাউথ ক্যারোলিনার একটি বাড়ি থেকে গত মাসে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় হেইডেন পেনেটিয়েরকে। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৬ বছর।
ময়নাতদন্তের চাঞ্চল্যকর তথ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে, অতিরিক্ত মাত্রায় ফেনটানিল, জানাক্স সহ একাধিক শক্তিশালী প্রেসক্রিপশন ড্রাগের বিষক্রিয়াতেই মারা গেছেন এ অভিনেত্রী।
গ্রিনভিল কাউন্টি করোনারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই মৃত্যু একটি দুর্ঘটনাবশত হওয়া ড্রাগ ওভারডোজ। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধার করার পরপরই জরুরি চিকিৎসাসেবা দল তাকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।
এ ঘটনার নেপথ্যে কোনো মাদকচক্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করতে স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি।
জীবদ্দশাতেই নিজের মাদকাসক্তি এবং মানসিক অবসাদ নিয়ে একাধিকবার খোলামেলা কথা বলেছেন হেইডেন। মৃত্যুর মাত্র কয়েক মাস আগে প্রকাশিত নিজের আত্মজীবনীতেও তিনি জীবনের এ অন্ধকার অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেছিলেন।
হেইডেন জানিয়েছেন, মাত্র ১৬ বছর বয়সে ‘হিরোস’ সিরিজের রেড কার্পেটে হাঁটার সময় তারই প্রচার টিমের এক সদস্য শক্তির জন্য তাকে একটি ‘হ্যাপি পিল’ খেতে দেন। সেখান থেকেই শুরু হয় বিষাক্ত মাদকের পথচলা। পরে বিষণ্নতা কাটানো ও স্বাভাবিক থাকার জন্য মদ এবং মাদকের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন এই তারকা।
হেইডেনের ছোট ভাই জানসেন পেনেটিয়েরও হৃদরোগ ও অতিরিক্ত ড্রাগ সেবনের কারণে মাত্র ২৮ বছর বয়সে মারা যান। ভাই হারানোর শোক এবং নিজের মানসিক অবসাদের লড়াই শেষে মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই বিদায় নিতে হলো হলিউডের এ পরিচিত মুখকে।




