ভুল চুমু থেকে ফেক ডেটিং, কেমন হলো ‘দ্য লাভ হাইপোথিসিস’?

‘দ্য লাভ হাইপোথিসিস’ সিনেমায় লিলি রেইনহার্ট ও টম বেটম্যান
আলি হ্যাজেলউডের ২০২১ সালের বেস্টসেলার রোমান্টিক উপন্যাস ‘দ্য লাভ হাইপোথিসিস’ নিয়ে বইপ্রেমী ও রোমান্টিক সিনেমাপ্রেমীদের উন্মাদনার শেষ ছিল না। অবশেষে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে লিলি রেইনহার্ট এবং টম বেটম্যান অভিনীত এই বহুপ্রতীক্ষিত রোমান্টিক-কমেডি সিনেমাটি।
ছবিটি মুক্তির পর সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ মিশ্র কিন্তু অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
গল্পে বায়োলজি পিএইচডি শিক্ষার্থী অলিভ (লিলি রেইনহার্ট) তার বেস্টফ্রেন্ডকে বোঝাতে এক অপরিচিত তরুণকে হঠাৎ চুমু খেয়ে বসে। কিন্তু সেই অচেনা ব্যক্তিটি আর কেউ নয়, বরং কলেজের সবচেয়ে রাশভারী ও খিটখিটে প্রফেসর ডক্টর অ্যাডাম কার্লসেন (টম বেটম্যান)। পরবর্তীতে দুজনের নিজ নিজ স্বার্থে এক মাসের জন্য ‘ফেক ডেটিং’ বা ভুয়া প্রেম করার চুক্তি হয়।
সিনেমায় লিলি রেইনহার্ট ও টম বেটম্যানের রোমান্স এবং কেমিস্ট্রি দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ এক দর্শক লিখেছেন, ‘দুই অভিনেতার উচ্চতার পার্থক্য, একে অপরকে জড়িয়ে ধরা আর কিউট রোমান্স দেখে চোখ জুড়িয়ে গেছে। অসাধারণ এক রমকম উপভোগ করলাম’।
অন্য এক নেটিজেনের মতে, ‘হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে আসার মতো অবস্থা হয়েছিল, আর সিনেমাটির রোমান্স ছিল একেবারে সুইট’।
তবে সিনেমার কিউট রোমান্স আমজনতার মন জয় করলেও মূল বইয়ের ভক্তরা চিত্রনাট্যকারের ওপর কিছুটা মনক্ষুণ্ন। বইয়ে অ্যাডাম কার্লসেন চরিত্রটি বছরের পর বছর ধরে অলিভের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিল—যা সিনেমায় পরিবর্তন করা হয়েছে।
এক ক্ষুব্ধ বইপ্রেমী লিখেছেন, ‘সিনেমা হিসেবে এটা চমৎকার রমকম ছিল, কিন্তু বইয়ের চেয়ে ভালো হতে পারেনি। সিনেমায় অ্যাডাম কেন আগে থেকে অলিভের প্রেমে পড়ে ছিল না? মনে হচ্ছে স্ক্রিপ্টরাইটার মূল বইয়ের অ্যাডামের অংশটাই পড়েননি’।
আবার অন্য এক নেটিজেন কমেন্ট করেছেন, ‘উভয় চরিত্র দেখতে সুন্দর হলেও তাদের মধ্যে সেই লেভেলের ইমোশনাল ব্যাকুলতাটা ফুটিয়ে তোলা যায়নি’।
সমালোচনা যাই থাকুক না কেন, উইকএন্ডে হালকা মেজাজের একটি মিষ্টি রোমান্টিক সিনেমা উপভোগ করার জন্য ‘দ্য লাভ হাইপোথিসিস’ হতে পারে দুর্দান্ত এক পছন্দ। সিনেমাটি এখন প্রাইম ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে।




