ডিপফেক নিয়ে ম্রুণালের কড়া আইনি হুঁশিয়ারি

ম্রুণাল ঠাকুর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের বিকৃত ছবি ও ভিডিও বানানোর দৌরাত্ম্য যেন থামছেই না! এবার এই সাইবার অপরাধ ও ডিপফেকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর।
তার ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা যেকোনো ভুয়া ও বিকৃত কনটেন্টের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই তারকা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়ে ম্রুণাল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এ ধরনের অপরাধমূলক কাজ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সম্প্রতি নিজের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ফরমাল নোটিশ প্রকাশ করেছেন ম্রুণাল ঠাকুর। ডিপফেক সৃষ্টিকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি লেখেন, ‘অবিলম্বে এই নোংরামি বন্ধ করুন, অন্যথায় এটিকে আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শেষ আইনি নোটিশ হিসেবে ধরে নিন। আমার রূপ বা পরিচয়ের যেকোনো ধরনের অপব্যবহার করা হলে আমি সরাসরি আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।’
সাইবার বুলিং ও ডিপফেক চক্রকে রুখে দিতে কেবল হুঁশিয়ারিতেই থেমে থাকেননি ম্রুণাল। তার এক্স অ্যাকাউন্টের একটি বিশেষ পোস্টের লিঙ্ক ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে ভক্তদের সাহায্য চেয়েছেন তিনি।
অনলাইনে হেনস্তাকারীদের কটাক্ষ করে ম্রুণাল লেখেন, ‘সেই সব স্ক্রিন বা কিবোর্ড যোদ্ধাদের জন্য একরাশ করুণা, যারা ভেবেছিল এসব অপকর্ম করে কোনোদিন কোনো আইনি শাস্তির মুখে পড়তে হবে না! আপনারা যদি অনলাইনে কাউকে হেনস্তা করতে কিংবা সম্মতি ছাড়া এআই দিয়ে তৈরি কোনো অশালীন ছবি বা ভিডিও শেয়ার করতে দেখেন, তবে সেই অ্যাকাউন্টগুলোকে আমার এই পোস্টে ট্যাগ করে রিপোর্ট করুন।’
সাম্প্রতিক সময়ে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার ভারতীয় বিনোদন জগতে এক বড় আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ম্রুণাল ঠাকুরের আগে রাশমিকা মান্দানা, ক্যাটরিনা কাইফ, আলিয়া ভাট এবং রণবীর সিংয়ের মতো শীর্ষ তারকারাও এই ডিপফেকের শিকার হয়েছেন।
বিশেষ করে ২০২৩ সালে লিফটের ভেতর এক নারীর শরীরে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে রাশমিকা মান্দানার মুখ বসিয়ে তৈরি করা একটি নোংরা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। ঘটনাটি নিয়ে অমিতাভ বচ্চনের মতো বর্ষীয়ান অভিনেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এবং কঠোর আইনের দাবি তুলেছিলেন।
কাজের দিক থেকে ম্রুণাল ঠাকুরকে সর্বশেষ দেখা গেছে বরুণ ধাওয়ান ও পূজা হেগড়ের সঙ্গে ডেভিড ধাওয়ানের সিনেমা ‘হ্যায় জাওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’-তে।





