মহানবী (সা.) সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ: ধর্মমন্ত্রী

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আলোচনা সভায় ধর্ম মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ
সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে আল্লাহ তাআলা প্রেরণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
তিনি বলেছেন, ‘আমরা সৌভাগ্যবান। আমরা মহানবী (সা.)-এর উম্মত।’ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ধর্মমন্ত্রী বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন যুগান্তকারী সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। ধর্মীয় নেতাদের জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে মাসিক সম্মানি ও কল্যাণ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।’
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
তিনি বলেছেন, ‘মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনচরিত পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা আদর্শ জীবনচরিত। তার জীবনাদর্শ মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম অনুসরণীয় আদর্শ।’
উপাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এ দেশে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা হওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ঈদে মিলাদুন্নবী বা সিরাতুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শ সম্পর্কে জানা এবং তা বাস্তব জীবনে অনুসরণ করা।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কেরাত, হামদ, নাতে রাসুল ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরে এসব প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এ ছাড়া ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের পক্ষ থেকে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারীকে ৫০ হাজার টাকা এবং আরও ১১ জন বিজয়ীকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।



