অর্থনীতিতে বাড়ছে ডিমের গুরুত্ব

সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক এগ কমিশন (আইইসি) ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে বিশ্ব ডিম দিবস পালনের ঘোষণা দেয়। সেই হিসাবে এবার দিবসটির ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে। এ উপলক্ষে এবারের আয়োজনে ‘এগউইন’ নামে একটি মাসকটও যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডিম উৎপাদিত হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিদিন উৎপাদন হচ্ছে ৬ কোটির বেশি ডিম। এতে দেশে বার্ষিক মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৭টি। ২০৩০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা ২০০টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
ডিমের উৎপাদন বাড়লেও খামারিদের জন্য উৎপাদন ব্যয় ও বাজারমূল্যের ব্যবধান বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে। পোলট্রি ফিড, বাচ্চা, ওষুধ ও জ্বালানির দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব ও সরবরাহব্যবস্থার নানা ত্রুটির কারণে খামারি পর্যায়ের বিক্রয়মূল্য এবং খুচরা বাজারের দামের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকছে। এতে অনেক সময় প্রান্তিক খামারিকে লোকসান গুনতে হচ্ছে।
বিশ্বব্যাপীও ডিমের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়ছে। মোট উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে চীন। দেশটি বছরে প্রায় ৬১ হাজার ৭০০ কোটি ডিম উৎপাদন করে, যা বিশ্ব উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বাংলাদেশে মাথাপিছু ব্যবহার এখনো তুলনামূলক কম।



