Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় অর্থনীতি

সাক্ষাৎকার

রপ্তানি ১ বিলিয়ন ডলারে নিতে চাই

ইব্রাহিম হোসাইন রেজোয়ান
ইব্রাহিম হোসাইন রেজোয়ান
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪
রপ্তানি ১ বিলিয়ন ডলারে নিতে চাই

আশরাফুল হক চৌধুরী, সভাপতি, এসএবিসিসিআই

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করছে সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসএবিসিসিআই)। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো, তাদের বিনিয়োগ আনা এবং বাংলাদেশি জনশক্তিকে আরও দক্ষ করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৌদি আরব জাতীয় দিবস উপলক্ষে এসব বিষয় নিয়ে আগামীর সময়ের সঙ্গে কথা বলেছেন এসএবিসিসিআই সভাপতি মো. আশরাফুল হক চৌধুরী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিশেষ প্রতিনিধি ইব্রাহিম হোসাইন রেজোয়ান

প্রশ্ন: বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে এসএবিসিসিআই প্রতিষ্ঠার পেছনের মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যগুলো আসলে কী?

আশরাফুল হক: সৌদি আরব ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নতুন ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করতে আমরা কাজ করছি।

প্রশ্ন: আমরা জানি, বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বেশ বড় ঘাটতি রয়েছে। ঘাটতি কমাতে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?

আশরাফুল হক: সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে মূলত পেট্রোকেমিক্যাল, সার, রাসায়নিক ও প্লাস্টিকজাত পণ্য আসে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকসহ কিছু পণ্য সৌদি আরবে যায়। বাণিজ্যের এই বড় ব্যবধান কমাতে আমরা বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য, ২০২৭ সালের মধ্যে সৌদি আরবে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি ১ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া।

প্রশ্ন: যে লক্ষ্যমাত্রার কথা আপনারা বলছেন, সেটি অর্জনে সামনের দিনগুলোতে কী কী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে?

আশরাফুল হক: আগামী অক্টোবরে সৌদি আরবে ট্রেড প্রমোশন মিশন ও পণ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। আমাদের সঙ্গে ২০ জন ব্যবসায়ী নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও এর মধ্যে ২৩ জন ব্যবসায়ী অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। তারা বিভিন্ন খাতের পণ্য নিয়ে সৌদি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন। মক্কা, জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মামসহ বিভিন্ন এলাকার চেম্বারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়াতে প্রধানত কোন কোন পণ্যগুলোকে আপনারা সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন?

আশরাফুল হক: তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, কৃষি ও খাদ্যপণ্য, রাসায়নিক, সিরামিক এবং হস্তশিল্পের মতো কয়েকটি খাতকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। সৌদি বাজারে এসব পণ্যের সম্ভাবনা আমরা তুলে ধরতে চাই।

প্রশ্ন: বর্তমানে সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশিদের দক্ষতা ও জীবনমান উন্নয়নে কী ধরনের উদ্যোগ রয়েছে?

আশরাফুল হক: সৌদি আরবে প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশি আছেন, যারা দেশে উল্লেখযোগ্য রেমিট্যান্স পাঠান। আমরা তাদের দক্ষতা বাড়াতে চাই। কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষা ও আরবি ভাষার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের জন্য আরও ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহও বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।

প্রশ্ন: কৃষি খাতে এই দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ আসলে ঠিক কতটা বলে আপনি মনে করেন?

আশরাফুল হক: সৌদি আরবের খাদ্যনিরাপত্তার জন্য কৃষি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বাংলাদেশের কৃষি খাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। আমাদের কৃষিবিদ, বীজ উন্নয়ন, ফসল উৎপাদন ও সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত দক্ষ জনবলকে কাজে লাগিয়ে সৌদি আরবের কৃষি খাতে সহযোগিতা করা যেতে পারে।

প্রশ্ন: প্রবাসীদের ছোট ব্যবসার সুবিধার্থে ক্ষুদ্রঋণ ও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করার ক্ষেত্রে বর্তমান পরিকল্পনাগুলো কী অবস্থায় আছে?

আশরাফুল হক: বাংলাদেশ ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরিতে অনেক এগিয়েছে। সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশিদের ছোট ব্যবসার জন্য ক্ষুদ্রঋণ ও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করতে আমরা আগ্রহী। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে।

প্রশ্ন: অন্যান্য পেশার পাশাপাশি, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতেও কি দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির কাজের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব?

আশরাফুল হক: অবশ্যই। নার্স, ধাত্রী, মেডিকেল টেকনিশিয়ান, রেডিওলজিস্টসহ বিভিন্ন পেশার জনবলকে যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে সৌদি আরবের হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কাজের উপযোগী করা যেতে পারে। এ বিষয়েও আমরা কাজ করছি।

প্রশ্ন: পরিশেষে জানতে চাই, আগামী দিনের মেগা ইভেন্টগুলোকে সামনে রেখে আপনাদের চেম্বারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যগুলো কী কী?

আশরাফুল হক: ২০৩০ সালের সৌদি ভিশন এবং ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আমরা দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাই। বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করাই আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

সৌদি আরববাণিজ্যবিনিয়োগএসএবিসিসিআইরপ্তানি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: