হোন্ডা ওয়াই-ই-এস অ্যাওয়ার্ড পেলেন চার তরুণ প্রকৌশলী

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে স্বীকৃতি দিতে চার শিক্ষার্থীর হাতে মর্যাদাপূর্ণ ‘হোন্ডা ইয়ং ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড সায়েন্টিস্ট’স (ওয়াই-ই-এস) অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ তুলে দেওয়া হয়েছে।
বিজয়ীরা হলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাকিফ নাঈব রাইয়ান, কাজী তাজগীর তাহমিন রেভান, মো. আদনান রহমান এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) লাইলাতুল বরাত সিদ্দিকা। সম্প্রতি রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
বিজয়ী চারজনের প্রত্যেককে তিন হাজার মার্কিন ডলার, মেডেল ও সনদ প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে জাপানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ গ্রহণে ‘হোন্ডা ওয়াই-ই-এস প্লাস’ কর্মসূচির আওতায় তাঁরা সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাবেন।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখার সম্ভাবনা তৈরি করতে হোন্ডা ফাউন্ডেশন ২০০৬ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে, যা বাংলাদেশে ২০১৯ সালে প্রথম চালু হয়। বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের সহযোগিতায় আয়োজিত এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান দূতাবাসের মন্ত্রী ও উপপ্রধান নাওকি তাকাহাশি বলেন, হোন্ডা সবসময় মানুষ ও সমাজের কল্যাণে প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশ্বাসী। ওয়াই-ই-এস অ্যাওয়ার্ড বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাময় তরুণ প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের জন্য একটি চমৎকার উদ্যোগ। তিনি আশা প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, পুরস্কারপ্রাপ্ত তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সমাধান ভবিষ্যতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানে হোন্ডা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের মূল্যায়নকারী অধ্যাপক টাটিও আরিমোতো জানান, হোন্ডা ওয়াই-ই-এস অ্যাওয়ার্ডের লক্ষ্য হলো প্রতিভাবান তরুণ প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের স্বীকৃতি দেওয়া ও উৎসাহিত করা। বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আগ্রহ ও সম্ভাবনা দেখে তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্য, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা তাদের জ্ঞান ও দক্ষতাকে আরও সমৃদ্ধ করবেন, দৃষ্টিভঙ্গির পরিধি প্রসারিত করবেন এবং একটি অধিক টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখবেন। একই সঙ্গে তারা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা ও অনুষ্ঠানের মূল্যায়নকারী এস এ আবুল হায়াত, বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সুসুমু মরিসাওয়া, চিফ মার্কেটিং অফিসার শাহ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, হোন্ডা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব গাকু আজুমাই, জাইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর ইউকিয়োশি মাতসুদা এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিরা।







