পুঁজিবাজারে আস্থা কমায় সঞ্চয়পত্রে চমক
- জুলাইয়ে নতুন বিক্রি ২ হাজার কোটি টাকা

সংগৃহীত ছবি
পতিত সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। এতে অনেক ব্যাংক দুর্বল হয়ে পড়েছে। দুর্দশাগ্রস্ত অন্তত দেড় ডজন ব্যাংক গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। আবার সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আওতায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫ ব্যাংকসহ দুর্বল ব্যাংকগুলো বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত দিচ্ছে না। এতে অনেক গ্রাহক পুঁজিবাজার ও ব্যাংকের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। অনেকে এখন ব্যাংকে টাকা রাখতে চাইছেন না। এমনকি ব্যাংকে আমানতের সুদ বাড়লেও মানুষের আস্থা পুরোপুরি ফেরেনি। এতে মানুষ আবার জাতীয় সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ইতিবাচক চমক লক্ষ করা গেছে। গত জুলাই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ইতিবাচক চমক লক্ষ করা গেছে। যদিও বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি প্রায় নেতিবাচক ছিল। অর্থাৎ গত অর্থবছরে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল মাত্র ৪৩৬ কোটি টাকা। কিন্তু গত জুলাই মাসে আগের বছরের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি বিক্রি হয়েছে সঞ্চয়পত্র। মূলত চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে আগের আসল-সুদ পরিশোধের চেয়ে সঞ্চয়পত্র বিক্রিই বেশি হয়েছে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। এমনকি তার আগে বিদায়ী অর্থবছরের জুনে সঞ্চয়পত্র বিক্রির চেয়ে আগের সুদ-আসল পরিশোধ করতে হয়েছিল ৩৬৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।



