বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহার

সংগৃহীত ছবি
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার। জনদুর্ভোগ লাঘবে এই চার্জ প্রত্যাহার করে মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল গ্রাহকদের মধ্যে।
এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, ‘বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।’
প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার দেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় মূল্য ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
বিইআরসি জানিয়েছে়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, ক্রয় ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয় এবং সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন মূল্যহার। কমিশনের হিসাবে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ঘাটতি পূরণে সরকারকে বছরে ভর্তুকি দিতে হবে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা।
বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিল্পোৎপাদন ব্যয়, সেচ কার্যক্রম, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়েও এর প্রভাব পড়তে পারে। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা ভোক্তাদের ওপর নতুন করে আর্থিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।




