নতুন বেতন নির্ধারণ যেভাবে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬’-এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া নতুন বেতন কাঠামোয় ‘পে ফিক্সেশন’ বিধান রয়েছে। গ্রেডভেদে প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০-১৪২ শতাংশ বেড়েছে। ১-১১ গ্রেডে ১০০ শতাংশ এবং ১২-২০ গ্রেডে ১১৫-১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত বেতন নির্ধারিত হবে দুটি পদ্ধতিতে।
প্রথম পদ্ধতিতে বর্তমান স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপে বেতন পাওয়া কর্মচারীদের বেতন নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপেই নির্ধারিত হবে। যেমন— ১৬তম গ্রেডের কর্মচারী পুরনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ ৯ হাজার ৩০০ টাকা মূল বেতন পেলে, নতুন স্কেলেও প্রারম্ভিক ধাপ ২১ হাজার ৯০০ টাকাই বেতন হবে তার।
দ্বিতীয় পদ্ধতিতে যাদের বেতন বর্তমান স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপের চেয়ে বেশি, প্রথমে তাদের বর্তমান বেতন ও প্রারম্ভিক ধাপের পার্থক্য নির্ণয় করতে হবে। এরপর পার্থক্যটি নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপের সঙ্গে যোগ করতে হবে। যোগফল নতুন স্কেলের কোনো ধাপের সমান হলে সেখানেই আর না থাকলে পরবর্তী উচ্চতর ধাপে বেতন নির্ধারিত হবে।
যেমন— ইনক্রিমেন্টসহ কোনো কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন ১৩ হাজার ৭৯০ টাকা হলে প্রারম্ভিক ধাপের (১২ হাজার ৫০০) সঙ্গে পার্থক্য ১ হাজার ২৯০ টাকা। নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ ২৫ হাজার টাকার সঙ্গে এটি যোগ করলে হয় ২৬ হাজার ২৯০ টাকা। এমন ধাপ না থাকায় পরবর্তী উচ্চতর ধাপ ২৬ হাজার ৩০০ টাকায় বেতন নির্ধারিত হবে।
তবে মন্ত্রিপরিষদ ও মুখ্য সচিবের মূল বেতন ১ লাখ ৭২ হাজার, সিনিয়র সচিবের ১ লাখ ৬৪ হাজার এবং গ্রেড-১ কর্মকর্তাদের ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারিত থাকায় তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। কারণ উল্লেখিত পদগুলোর কর্মকর্তাদের মূল বেতন আগে থেকেই নির্দিষ্ট করা আছে। ফলে নতুন এই বেতন কাঠামোয় তাদের মূল বেতন নতুন করে আর বাড়বে না।



