Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
বেলালের ‘মানবতার স্কুল’
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

তদবির করলেই তথ্য উঠে যাবে ব্যক্তিগত নথিতে

  • প্রশাসনের তদবির ঠেকাতে জিরো টলারেন্স সরকারের
  • ব্যবস্থা নিতে সচিব ডিসি ও ইউএনওদের চিঠি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
উবায়দুল্লাহ বাদল
উবায়দুল্লাহ বাদল
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫
তদবির করলেই তথ্য উঠে যাবে ব্যক্তিগত নথিতে

ফাইল ছবি

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবন। একজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের টেবিলের সামনে সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদের প্রশাসকসহ কয়েক কুড়ি মানুষ বসে-দাঁড়িয়ে। তিল ধারণের জায়গা নেই দপ্তরের ভেতর। বাইরের ভিড় ঠেকাতে রীতিমতো হিমশিম ও গলদঘর্ম প্রতিমন্ত্রীর স্টাফরা। একজন সংসদ সদস্য এক কর্মকর্তাকে দেখিয়ে প্রতিমন্ত্রীর উদ্দেশে বললেন— ‘উনি আমার আত্মীয়, আমার এলাকায় তাকে পোস্টিং দেন। এখন যিনি আছেন তিনি কথা শুনছেন না।’ সেখানে উপস্থিত আরেক সংসদ সদস্য বললেন, ‘আমার জেলার প্রকৌশলীটা চেঞ্জ করে দেন। সে কোনো কাজের না।’ বিরক্ত হয়ে প্রতিমন্ত্রীর স্বগতোক্তি— ‘ভাই! আমি এখন কী করব? এক এমপির অনুরোধে পোস্টিং দিলে অন্য এমপি বলেন বাতিল করেন। বাধ্য হয়ে সেটাও করতে হয়! আর পারছি না।’

একই চিত্র স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে।

প্রতিদিন এ মন্ত্রণালয়ে অন্তত দুশর বেশি বদলি, পদায়ন ও চলতি দায়িত্ব দেওয়ার আবেদন জমা পড়ে। তবে যত আবেদনই জমা পড়ুক না কেন, তা নথিজাত করা হয় না। যে আবেদনে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা বা দুই সচিবের যেকোনো একজনের সুপারিশ থাকবে, সেটাই বিবেচনা করা হয়। এই মন্ত্রণালয়ে দৈবচয়নের মাধ্যমে সাত আবেদন যাচাই করে দেখা গেছে, এর চারটি নার্স বদলির আবেদনেই সুপারিশ করেছেন একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী। বাকি তিনটি আবেদনেও সুপারিশ করেছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী মন্ত্রী, হুইপ, প্রতিমন্ত্রীদের কেউ না কেউ।

এ ধরনের অযাচিত তদবির বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। সরকারি কর্মচারীদের চাকরি-সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একই সঙ্গে কোনো কর্মচারীর পক্ষে অন্য ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের করা তদবিরের বিস্তারিত তথ্য ডোসিয়ারে (চাকরি-সংক্রান্ত নথি) সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, “সরকারি কর্মচারীরা কী ধরনের আচরণ করবেন তা ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর সংশ্লিষ্ট বিধিতে উল্লেখ রয়েছে। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সরকারি কর্মচারীদের কেউ কেউ চাকরি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তদবির করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বিভিন্ন দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে পাঠাচ্ছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর বিধি ২০-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের শামিল।”

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলেছে, কোনো সরকারি কর্মচারী তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে চাকরি-সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করলে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়া এ ধরনের যেকোনো তদবিরের বিষয় বিস্তারিতভাবে ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে কোনো কর্মচারী তার চাকরি-সংক্রান্ত বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের আবেদন সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে।

চিঠিতে এ বিষয়ে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার। তিনি গতকাল আগামীর সময়কে বললেন, ‘আমি সরকারের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। কারণ সিভিল সার্ভিস নষ্ট করার অন্যতম প্রধান কারণ তদবিরবাজি। অতীতে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ফলপ্রসূ হয়নি। সরকার যদি সত্যিই তদবিরবাজি বন্ধ করতে চায়, তাহলে যার পক্ষে তদবির করা হবে তাকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। শুধু আর্থিকভাবেই সৎ হলে হবে না, নৈতিকভাবেও সৎ থাকতে হবে।’

অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিক্ষায় সবচেয়ে বেশি অবৈধ লেনদেন ও তদবির চলে বদলি-বাণিজ্যে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবন অবকাঠামো অনুমোদন করানোর নামেও চলে তদবির। এই তদবিরে যুক্ত হন রাজনৈতিক দলের নেতারাও। তদবিরবাজরা কখনো সাংবাদিক, কখনো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কিংবা রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করছেন। তদবিরবাজদের থেকে বাঁচতে নিজ দপ্তর থেকে রাগ করে বের হওয়ার একাধিক নজির রয়েছে শিক্ষা সচিবের। প্রায় অভিন্ন চিত্র গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতেও। নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, বিভাগীয় মামলার নিষ্পত্তি ও দরপত্রের বিল তুলে দেওয়াসহ নানা কাজে প্রকাশ্যে তদবির হচ্ছে। তদবিরের চাপ সামাল দিতে হচ্ছে স্বরাষ্ট্র, ভূমি, জনপ্রশাসন, আইন, যোগাযোগ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কেও। এসব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের দপ্তরে সকাল ১০টা থেকেই তদবিরের চাপ শুরু হয়ে যায়। সাধারণ মানুষের তদবিরের চেয়ে দলীয় পরিচয়ের তদবিরই বেশি। কেউ মন্ত্রীর লোক, এমপি, কিংবা দলীয় নেতা, এমপির আত্মীয়স্বজন প্রভৃতি পরিচয়ের। স্বাভাবিক তদবিরের বাইরে প্রভাবশালী মহলের তদবিরের চাপেও আমলারা বিপাকে রয়েছেন।

এ ছাড়া পছন্দ অনুযায়ী কর্মকর্তা পোস্টিং দিতে গিয়ে নানামুখী তদবিরের চাপে মন্ত্রণালয় হিমশিম খাচ্ছে। ডিসি, ইউএনও এবং প্রেষণ পদসহ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে পোস্টিং নিয়ে তদবির বেশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। বিশেষ করে, লোভনীয় পদে পোস্টিং পেতে কর্মকর্তাদের অনেকে যে যার লাইনে জোর তদবির চালাচ্ছেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়জিরো টলারেন্সতদবির
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    একদিনে রাজধানীর ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত রিকশাচালক

    একদিনে রাজধানীর ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত রিকশাচালক

    কোটি টাকার বর্জ্য অপসারণের গাড়ি গ্যারেজে কঙ্কাল

    কোটি টাকার বর্জ্য অপসারণের গাড়ি গ্যারেজে কঙ্কাল

    ৬ মাসের সংসার শেষ ৭০ হাজার টাকার বিরোধে

    ৬ মাসের সংসার শেষ ৭০ হাজার টাকার বিরোধে

    প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন নাহিদ

    প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন নাহিদ

    দেশে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হলে দায় জামায়াত-এনসিপির

    দেশে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হলে দায় জামায়াত-এনসিপির

    মক্কায় আলোচিত যত হামলা

    মক্কায় আলোচিত যত হামলা

    যে দেশ ছাড়েন, চাইলে আবার ঢুকতেও পারেন: রুমিন ফারহানা

    যে দেশ ছাড়েন, চাইলে আবার ঢুকতেও পারেন: রুমিন ফারহানা

    ভিডিও ভাইরালের পর ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ!

    ভিডিও ভাইরালের পর ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ!

    তেজগাঁও মসজিদে ‘গোপন বৈঠক’, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩

    তেজগাঁও মসজিদে ‘গোপন বৈঠক’, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩

    পরীক্ষায় নকল করায় ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতাকে শাস্তি দিল ঢাবি

    পরীক্ষায় নকল করায় ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতাকে শাস্তি দিল ঢাবি

    চার বছর পর গড়াইয়ের বুকে নৌকাবাইচ

    চার বছর পর গড়াইয়ের বুকে নৌকাবাইচ

    পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে আজ

    পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে আজ

    ডেঙ্গু থেকে সতর্ক হোন

    ডেঙ্গু থেকে সতর্ক হোন

    বেশি দামের আশায় মজুত, পচে গেল ৩০ হাজার মণ আলু

    বেশি দামের আশায় মজুত, পচে গেল ৩০ হাজার মণ আলু

    ফুটপাত ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে সেই গোলাপি বেগম

    ফুটপাত ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে সেই গোলাপি বেগম