Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় প্রাণী থেকে মানুষ, সবার পাশেই বাচ্চু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

তিস্তায় পানি কমেছে, মাছও কমেছে মন্টু মিয়ার

শাহজালাল মিয়া (শ্রাবণ), গঙ্গাচড়া
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:১১
তিস্তায় পানি কমেছে, মাছও কমেছে মন্টু মিয়ার

জাল দিয়ে মাছ ধরছেন মন্টু মিয়া (৪৩)

তিস্তার পাড়ে দাঁড়িয়ে জাল গোছাচ্ছিলেন মন্টু মিয়া (৪৩)। নদীতে পানি কমে গেছে। কোথাও কোথাও জেগে উঠেছে চর। অগভীর পানির দিকে তাকিয়ে জাল ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মন্টু। মাছ ধরা তার পেশা নয়, তবে ছোটবেলা থেকেই মাছের প্রতি নেশা রয়েছে। বাড়ির পাশেই তিস্তা নদী। সুযোগ পেলেই জাল নিয়ে চলে আসেন মাছ ধরতে তিনি।

মন্টু মিয়ার বাড়ি রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের গান্নারপাড় এলাকায়। বাড়ির পাশে তিস্তা নদী হওয়ায় এই নদীর সঙ্গে তার পরিচয় ছোটবেলা থেকে। বাপ-চাচাদের সঙ্গে নদীতে যেতে যেতেই মাছ ধরার হাতেখড়ি তার।

ছোটবেলার কথা মনে করে মন্টু মিয়া বলেন, ‘ছোট থাকি বাপ-চাচার সাথে তিস্তাত মাছ মারি আসছি। আগোত নদীত ম্যালা মাছ আছলো। জাল ফেলাইলে মাছ পাওয়া গেছলো। কাতল (কাতলা), বোয়াইল (বোয়াল), শোইল (শোল), টেংনা‌ (টেংরা)সহ কত রকম মাছ যে পাছনো, তার হিসাব নাই।’

কথা বলতে বলতে কিছুক্ষণ নদীর দিকে তাকিয়ে থাকেন তিনি। এরপর বলেন, ‘আগের মতো এলা তিস্তা নদীত মাছ নাই। আগোত ম্যালা মাছ আছলো। এলা নদীর পানিও কমছে, মাছও কমছে। তারপরেও মাছ ধরার নেশাটা আর যায় নাই।’

মাছ ধরে সংসার চালান না মন্টু। অবসর সময়েই জাল নিয়ে নদীতে আসেন। কখনো মাছ মেলে, কখনো খালি হাত নিয়েই বাড়ি ফিরতে হয়। তবুও তিস্তায় আসা বন্ধ হয়নি তার।


আরও পড়ুন

বাসের পর লঞ্চের ভাড়াও বাড়ল

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কথায় কথায় মন্টু মিয়া বলেন, ‘মাছ ধরা মোর কাম নোয়ায়, কবার পান এটা মোর নেশা। মাছ পাং বা না পাং, তিস্তাত আসলে মোর মনটা জুরি যায়।’


তিস্তায় পানি কমলে নদীর অনেক জায়গায় চর জেগে ওঠে। পানির ধারা সংকীর্ণ হয়ে যায়। অল্প পানির জায়গাগুলোতেই স্থানীয়রা জাল ফেলেন। মন্টুও সেখানেই জাল ফেলছিলেন।
একপর্যায়ে জালের ভেতর কিছু একটা নড়তে দেখে মন্টু জাল টেনে তুললেন। বড় কোনো মাছ নয়, তবুও মুখে হাসি ফুটল তার। জালটা আবার গুছিয়ে নিলেন। কিছুক্ষণ পর আবার ছুড়ে দিলেন নদীতে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে তিস্তার গান্নারপাড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীর পানি কমে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে উঠেছে। কোথাও কোথাও পানির ধারা সংকীর্ণ হয়ে এসেছে। অগভীর পানিতে স্থানীয় কয়েকজনকে জাল ফেলতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে একজন মন্টু মিয়া।

তিস্তার পানি কমেছে, কমেছে মাছও। নদীর চেহারায় এসেছে পরিবর্তন। তবে ছোটবেলা থেকে তিস্তাকে ঘিরে যে টান তৈরি হয়েছে মন্টুর, সেটি এখনো রয়ে গেছে।

তিস্তামাছমন্টু মিয়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: