Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
পশুপাখির বন্ধু সাইমুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

শিক্ষার্থী নেই, শিক্ষকও নেই—কাগজে চলছে অটিস্টিক বিদ্যালয়!

মো. আমজাদ হোসেন, কাউনিয়া
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৩৩
শিক্ষার্থী নেই, শিক্ষকও নেই—কাগজে চলছে অটিস্টিক বিদ্যালয়!

ছবি: আগামীর সময়

একটি সাইনবোর্ড, টিনের একটি ঘর, সরকারি কাগজপত্রে আছে শিক্ষার্থী-শিক্ষকের হিসাব—কিন্তু বাস্তবে কোথায় সেই বিদ্যালয়? রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের সাব্দী গ্রামের ‘শহীদবাগ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়’ ঘিরে এমন প্রশ্নই সামনে এসেছে।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠার দাবি করা এই প্রতিষ্ঠানে ১৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। রয়েছে একাধিক শিক্ষকও। কিন্তু সরেজমিন নিয়মিত শিক্ষার্থী-শিক্ষকের উপস্থিতি, পাঠদান কিংবা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা কার্যক্রমের দৃশ্যমান চিত্র পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ উঠেছে, কাগজে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সচল দেখানো হলেও বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। এমনকি প্রশাসনিক পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখাতে বাইরে থেকে শিশুদের এনে শ্রেণিকক্ষে বসানোরও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন

দিল্লিতে ধসে পড়ল ৬ তলা ভবন, আটকা বহু শিক্ষার্থী

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়টি সরকারি স্বীকৃতি, এমপিওভুক্তি বা অনুদানের আওতায় আসবে—এমন প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার স্বামী প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল হাই। তবে প্রধান শিক্ষক এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শনিবার সকালে সরেজমিন বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে দোলার মধ্যে একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর। বাইরে বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড। কিন্তু বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষা উপকরণ, প্রশিক্ষণসামগ্রী কিংবা নিয়মিত পাঠদানের দৃশ্যমান পরিবেশ চোখে পড়েনি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যও একই ধরনের। তাদের দাবি, বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস হয়—এমন দৃশ্য তারা দেখেননি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতিও চোখে পড়ে না।

অথচ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক ১৩০ জন ছাত্র-ছাত্রীর এবং প্রতিষ্ঠান খোলা থাকার কথা বললেও সারোজমিন তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিশেষায়িত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ ও শিক্ষা উপকরণেরও দেখা মেলেনি।

এ ছাড়া বিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনিক পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসবেন—এমন খবরে তড়িঘড়ি করে আশপাশের এলাকা থেকে সাধারণ শিশুদের এনে শ্রেণিকক্ষে বসানো হয়। উদ্দেশ্য বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থী রয়েছে—এমন একটি চিত্র পরিদর্শকদের সামনে তুলে ধরা।

তারা আরও জানান,  কিছুদিন আগে বিদ্যালয় পরিদর্শন হয় কিন্তু সেদিনের পর শিশুদের আর বিদ্যালয়ে দেখা যায়নি। অর্থাৎ, বাস্তবে শিক্ষার্থী না থাকলেও পরিদর্শনের সময় কৃত্রিমভাবে শিক্ষার্থী উপস্থিতির পরিবেশ তৈরি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রধান শিক্ষকের স্বামী আব্দুল হাইয়ের নাম রয়েছে। এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, স্বামী-স্ত্রীর প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যালয়ের পরিচালনা ও নিয়োগ কার্যক্রমে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

জাহিদুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের কার্যক্রম যদি কাগজপত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটি শুধু প্রশাসনিক অনিয়মের বিষয় নয়। এর সঙ্গে শিশুদের শিক্ষার অধিকার এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতার প্রশ্নও জড়িত।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেফালি খাতুনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। বলেন, বিশেষ শিশুদের নিয়ে কাজ করা কঠিন হলেও তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার স্বামী সভাপতি থাকার বিষয়টিও সবার সম্মতিতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে পরিদর্শনের দিন বাইরে থেকে শিশু এনে শ্রেণিকক্ষে বসানোর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মনোনীত ব্যক্তি হিসেবে দাবি করে আব্দুল হাই বলেন,  তার বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

উপজেলার ভারপ্রাপ্ত সমাজসেবা কর্মকর্তা আনছার আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিদর্শনের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল বলেন, পরিদর্শনকালে বিদ্যালয়ের বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছি। অন্যস্থান থেকে শিশু এনে পরিদর্শকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়ে থাকলে তা চরম অন্যায়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা বলেন, বিশেষায়িত বিদ্যালয়ের নামে কোনো ধরনের অনিয়ম, ভুয়া শিক্ষার্থী প্রদর্শন কিংবা নিয়োগ বাণিজ্যের সুযোগ নেই।অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়, বিশেষায়িত শিক্ষার নামে ভবিষ্যতে এ ধরনের ‘কাগজের বিদ্যালয়’ গড়ে ওঠার পথও বন্ধ করবে প্রশাসন।

কাউনিয়াশিক্ষার্থীশহীদবাগ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement placeholder
    Advertisement placeholder
    ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

    ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৭

    বাণিজ্যে জটিলতা কাটাতে ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক

    বাণিজ্যে জটিলতা কাটাতে ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২

    এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাদানে বৈচিত্র্য প্রয়োজন

    এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাদানে বৈচিত্র্য প্রয়োজন

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    বিএনপি সরকারের প্রথম মেট্রো, শিগগিরই একনেকে উঠছে প্রকল্প

    বিএনপি সরকারের প্রথম মেট্রো, শিগগিরই একনেকে উঠছে প্রকল্প

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    পদোন্নতি পেলেন, কিন্তু পোস্টিং দূরে, সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

    পদোন্নতি পেলেন, কিন্তু পোস্টিং দূরে, সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    মুকসুদপুরে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩

    মুকসুদপুরে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১১

    ৫ পরিবারে ৮ খুন, এসবির এসআইকে পিটিয়ে হত্যা

    ৫ পরিবারে ৮ খুন, এসবির এসআইকে পিটিয়ে হত্যা

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০২

    রাবির ভালোবাসা নিয়ে বড় পর্দায় ‘চিরকুট’

    রাবির ভালোবাসা নিয়ে বড় পর্দায় ‘চিরকুট’

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৫

    অটোরিকশার এই বিশাল বাজার তৈরি হলো কেন

    অটোরিকশার এই বিশাল বাজার তৈরি হলো কেন

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪

    জামিন পেলেন বিদিশা, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’

    জামিন পেলেন বিদিশা, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৪

    কনফিউশন নয় সল্যুশন চাই

    কনফিউশন নয় সল্যুশন চাই

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪

    বিতর্কিত আবু জাফরকে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি নিয়োগে তোড়জোড়

    বিতর্কিত আবু জাফরকে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি নিয়োগে তোড়জোড়

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭

    এখনো গলার কাঁটা

    এখনো গলার কাঁটা

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৩

    আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই সালমান: শাবনূর

    আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই সালমান: শাবনূর

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:০৪

    advertiseadvertise