দাবি ইউপি চেয়ারম্যানের
মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোহারা নেন এসআই

এসআই মিজানুর রহমান ও চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ। ছবি: সংগৃহীত
মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোহারা (মাসিক চাঁদা) নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হবিগঞ্জের মাধবপুরে কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ছাড়াও ঘুষ গ্রহণ, অনিয়ম এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ। তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গত রবিবার উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের আরিছপুর গ্রামে স্থানীয় একটি স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব অভিযোগ তোলেন বিএনপি নেতা সোহাগ।
চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দাবি, চিহ্নিত মাদক কারবারিদের নাম পুলিশকে দেওয়া হলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয়দের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে অর্থ আদায় এবং মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোহারা নিচ্ছেন।
তার ভাষ্য, এসব কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিষয়টি পুলিশ সুপার ও ডিআইজিকে জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই মো. মিজানুর রহমান বলেছেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার ভাষ্য, চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অন্যায় তদবির রক্ষা না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন।
‘দুটি ইউনিয়নের দায়িত্ব একাই পালন করার পাশাপাশি নিয়মিত মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। ঘুষ বা মাসোহারা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। যাদের গ্রেপ্তারের কথা বলা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি’— যোগ করেন এসআই মিজানুর রহমান।
মাধবপুর থানার ওসি মো. সোহেল রানা জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






