প্রধানমন্ত্রী
স্বৈরাচার ও গুপ্ত এক হয়ে অস্থিরতা তৈরি করছে

সংগৃহীত ছবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচার ও গুপ্ত এক হয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। এদের প্রতিহত করতে হবে।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার বিকালে ফেনীর ফুলগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে। আমরা বন্ধ কারখানা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি। এসব প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি পক্ষ দেশের মানুষের কথা ভাবে না। তাদের জনকল্যাণমূলক কোনো কর্মসূচি নেই। তারা শুধু এক দফা, এক দফা বলে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে ওয়াদা দিয়েছি, সরকারে গেলে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড দেব। আমরা সে ওয়াদা রক্ষা করেছি।
তিনি জানান, এ অঞ্চলের মানুষকে বন্যার ভোগান্তি থেকে বাঁচাতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে এখানে আর কোনো বন্যা হবে না। বরং আমরা বর্ষা মৌসুমে পানি ধরে রেখে সেই পানি পরবর্তী সময়ে শুষ্ক মৌসুমে কাজে লাগাতে পারব।
এক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের হাসপাতালগুলোতে ৩১ শয্যা সংযোজন করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এসব হাসপাতালকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। আমরা এবার হাসপাতালগুলোতে ১৫০ শয্যা সেবা চালু করব।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নে দরকার ভালো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। কেউ এই পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে চাইলে আপনারা তা প্রতিহত করবেন। যেকোনো মূল্যে এটা ধরে রাখতে হবে।
তিনি বিরোধী দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, একটি দল নির্বাচনের আগে বেহেশতের টিকিট দিতে চেয়েছিল। এক আল্লাহ ছাড়া এটা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি একে শিরক বলে উল্লেখ করেন।
বিগত দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর আমাদের নেতাকর্মীদের অকথ্য নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। অনেকেই গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তারা গুপ্ত বেশ ধারণ করেননি। তারা মাঠে ছিলেন। কিন্তু ওনাদের তখন দেখা যায়নি।
তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, আপনারা যদি চান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে, তবে আমাদের সঙ্গে থাকবেন। আর যারা বিশৃঙ্খলা করতে চাইবে- আপনারা তাদের প্রতিহত করবেন।
পতনে সপ্তাহ শুরু
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরেক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির সোনালি সন্তান। তারা রক্ত দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছেন। আমরা তাদের সম্মান করি।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ফেনী-১ আসনের এমপি রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের এমপি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি রেহানা আক্তার রানু প্রমুখ।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর ছাদে ৩৪৯ কিলোওয়াট উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্রকল্প উদ্বোধন করেন।





