Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মোবাইল আসক্তি ঠেকাতে খোকনের ‘পথ পাঠাগার’
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

নিকলী

‘বৈদ্যুতিক শক মেশিন’ দিয়ে মাছ শিকার, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৩১
‘বৈদ্যুতিক শক মেশিন’ দিয়ে মাছ শিকার, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য

ছবি: আগামীর সময়

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে নদী ও হাওরের বিভিন্নস্থানে ব্যাটারিচালিত ‘বৈদ্যুতিক শক মেশিন’ দিয়ে মাছ শিকার করছে স্থানীয় কিছু লোক। এতে হুমকির মুখে পড়েছে জলজ জীববৈচিত্র্য। এভাবে মাছ শিকারের ফলে দিন দিন নদী-হাওরে মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ জেলেরা।

সরেজমিন দেখা গেছে, রোদারপুড্ডা এলাকার রাজেল ও খাইরুলকে বিদুৎতের শক দিয়ে মাছ শিকার করতেছে। শুধু রোদারপুড্ডাতে সীমাবদ্ধ নয়, সিংপুর, ছাতিরচর, দামপাড়া, আলিয়াপাড়া, কারপাশাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন নদী ও হাওরের নানান স্থানে অবাধে মাছ শিকার করছেন।

নিষিদ্ধ এসব পদ্ধতিতে মাছ শিকারের কারণে ছোট-বড় মাছের পাশাপাশি মাছের পোনা, ডিমসহ অন্যান্য জলজ প্রাণীও মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় এক জেলে নুরু মিয়া (৩৫) বলেন, আগে নদীতে জাল ফেললেই প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। এখন সারাদিন জাল ফেলেও মাছের দেখা মেলে না। আর যা পাওয়া যায়, তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

একদিকে কারেন্ট জাল ও চায়না চাই দিয়ে ব্যাপকভাবে মাছ ধরা হচ্ছে, অন্যদিকে এখন আবার বৈদ্যুতিক মেশিন ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন

ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ৭, এক পরিবারেরই ৪ জন

০২ অক্টোবর ২০২৬

আরেক জেলে শুভাষ দাস (৪৫) বলেন, নদীতে আগের তুলনায় মাছ পাওয়া যায় না। আমরা সারাদিন জাল নিয়ে বসে থাকলেও ৪০০-৫০০ টাকার মাছও পাচ্ছি না। মেশিন দিয়ে ছোট-বড় সব মাছ মেরে ফেলা হচ্ছে। ফলে দিন দিন মাছের অভাব দেখা দিচ্ছে। অনেক সময় সারাদিনে ২০০-৩০০ টাকার মাছও পাওয়া যায় না। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার-পরিজন নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাতে হবে।

স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, অবৈধ ও নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ শিকার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা না করলে নিকলীর নদী ও হাওরের মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে। এতে একদিকে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে, অন্যদিকে মাছের ওপর নির্ভরশীল হাজারো জেলে পরিবারও চরম সংকটে পড়বে।

নদী ও হাওরপাড়ের স্থানীয়রা জানান, কারেন্ট জাল, রিং জাল ও চায়না চাই ব্যবহারের কারণে আগে থেকেই মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে নদী-হাওরে কাঙ্ক্ষিত মাছ মিলছে না। এর মধ্যে নতুন করে যোগ হয়েছে বৈদ্যুতিক ‘শক মেশিন’।

এসব মেশিন ব্যবহার করে মাছ শিকারের ফলে জলজ প্রাণীর ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে একসময় মাছের জন্য হাহাকার দেখা দেবে বলে মনে করছেন তারা।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, ব্যাটারির সাহায্যে বিদ্যুৎ শক দিয়ে মাছ ধরার বিষয়টি নিকলীতে এই প্রথম শুনলাম। এ পদ্ধতিতে মাছ শিকার করলে মাছ, রেণু, ডিম, পোকামাকড়সহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী ধ্বংস হয়ে যায়। এটি আইনত দণ্ডনীয়।

বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে এ ধরনের অবৈধ মাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

নিকলীবৈদ্যুতিক শকজীববৈচিত্র্য
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

    প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    পদত্যাগের নির্দেশ পেয়ে এমপি মিষ্টি স্পিকারের দপ্তরে

    পদত্যাগের নির্দেশ পেয়ে এমপি মিষ্টি স্পিকারের দপ্তরে

    পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মিষ্টি

    পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মিষ্টি

    মাদক নির্মূলের নামে সালিশ, কান ধরে উঠবস ও টাকা আদায়ের অভিযোগ

    মাদক নির্মূলের নামে সালিশ, কান ধরে উঠবস ও টাকা আদায়ের অভিযোগ

    ৪৯তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ গোপালগঞ্জের ৯ সুপারিশপ্রাপ্ত

    ৪৯তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ গোপালগঞ্জের ৯ সুপারিশপ্রাপ্ত

    বাসে ওঠার পর নিখোঁজ বাউফলের ব্যবসায়ী, ১২ দিনেও সন্ধান নেই

    বাসে ওঠার পর নিখোঁজ বাউফলের ব্যবসায়ী, ১২ দিনেও সন্ধান নেই

    বাউফলের সাবেক মেয়র জুয়েল ঢাকায় গ্রেপ্তার

    বাউফলের সাবেক মেয়র জুয়েল ঢাকায় গ্রেপ্তার

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা