অপ্রতীম হত্যায় অভিযুক্ত দুই কিশোর যাবে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কুমিল্লায় বহুল আলোচিত স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম (১৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে পাঠানো হয়েছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে। তাদের মধ্যে বয়স কম হওয়ায় দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে। রবিবার রাতে কারাগারে পাঠানো হয় চার আসামিকে।
অপ্রতীম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা চারজনকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছি। আদালত দুই কিশোর ফাহাদ ও কামরুলকে সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) থাকবে কুমিল্লা কারাগারে।’
এসআই সাইফুল বলেন, চার আসামির মধ্যে সিয়ামকে মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রবিবার রাত ১১টার দিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, ‘পুলিশ ওই হত্যা মামলায় রাতে চার আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। এদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুর জেলার টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।’
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে অপ্রতীমের মরদেহ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত শুক্রবার নিখোঁজ হয় সে।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়েছে।





