স্কুলছাত্রীকে বিয়ে দিতে গিয়ে বাবার কারাদণ্ড

কালীগঞ্জে বাল্যবিয়ে ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। ছবি: আগামীর সময়
ঘরে বিয়ের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এসেছেন মেহমান, আয়োজন চলছে পুরোদমে। তবে শেষ মুহূর্তে আসরে হাজির ভ্রাম্যমাণ আদালত। কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় বিয়ে ভেঙে দেন বিচারক। বাল্যবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করায় সাজা দিয়েছেন কনের বাবাকে।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার দুপুরে গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুনশুরপুর গ্রামে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই কনে স্থানীয় স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। জন্মনিবন্ধনে তার জন্মতারিখ লেখা ১২ অক্টোবর ২০১৪।
আইন অনুযায়ী মেয়েটি বিয়ের উপযুক্ত না হওয়ায় আয়োজন ভেঙে দেন কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা। একই সঙ্গে কনের বাবা মো. রাকিবকে (৩৪) বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ৮ ধারায় ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া বললেন, ‘একটি শিশুর সবচেয়ে বড় পরিচয় তার শৈশব ও শিক্ষাজীবন। অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ের মাধ্যমে সেই অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। জন্মনিবন্ধনের তথ্য যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’




