মেঘনায় ট্রলারডুবি: একই পরিবারের তিনজনের দাফন, একজন নিখোঁজ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় একই পরিবারের নিহত তিনজনের মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাড়িতে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
এ ঘটনায় ওই পরিবারের আরও একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত তিনজন হলেন হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব (২৭), সজিবের স্ত্রী সামিনা (১৮) ও তাদের ছেলে সামিন (৬)। নিখোঁজ রয়েছেন হেলাল উদ্দিন (৫০)।
শনিবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের নবী মিয়ার ট্রলারে করে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের উদ্দেশে রওনা হন যাত্রীরা। ট্রলারটি মেঘনার মৈশারচর এলাকা পেরিয়ে সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজারের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে। প্রচণ্ড বাতাস ও উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এ সময় কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অনেকে নিখোঁজ হন।
পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ওই দিনই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের রাহেলা বেগম (৬০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের হেলাল উদ্দিন, তার ছেলে সজিব, পুত্রবধূ সামিনা ও নাতি সামিন নিখোঁজ ছিলেন।
পরবর্তীতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে হেলাল উদ্দিন ছাড়া পরিবারের বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার হোমনার চরেরগাঁও কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
শনিবার বিকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের জীবিত বা মৃত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।



