প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে গঙ্গাচড়ার ৬৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়

সংগৃহীত ছবি
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ১৭৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৬৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। এসব বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মোট বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৭ শতাংশেই প্রধান শিক্ষক নেই। ফলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। এতে তাদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়ছে।
শিক্ষকদের সঙ্গে কথা হলে নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ, শিক্ষক সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বাড়তি সময় দিতে হচ্ছে।
অভিভাবকদের কয়েকজন বলেন, বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক থাকা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার দাবি তাদের।
পশ্চিম নবনীদাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মাহমুদুল হক বলেন, ‘বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে একজন শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে তাকে প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের পাঠদানও সামলাতে হচ্ছে। এতে একজন শিক্ষকের পক্ষে একসঙ্গে প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।’
গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ আগামীর সময়কে বলেন, ‘৬৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম চলছে। শূন্য পদ পূরণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’






