Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিং পাহারায় ইসলাম
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

তালপাতায় দোয়াত-কালিতে হাতেখড়ির পাঠশালা

বাগেরহাট প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ১৩:০৯
তালপাতায় দোয়াত-কালিতে হাতেখড়ির পাঠশালা

বাগেরহাটের চিতলমারীতে তালপাতায় লেখা শিখাচ্ছেন পণ্ডিত কালিপদ বিশ্বাস। ছবি: আগামীর সময়

ফ্লোরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে তালপাতা। শিশুদের কিচিরমিচির ঘর জুড়ে। এক হাতে বাঁশের কঞ্চি, আরেক হাতে তালপাতা। দোয়াতের কালিতে কঞ্চি ডুবিয়ে পাতায় বর্ণমালা লেখা শিখছে তারা।

এ দৃশ্য হাজার বছর আগের নয়, এই সময়ের। স্লেট-চক, ব্ল্যাকবোর্ড পেরিয়ে বর্ণমালার হাতেখড়ির মাধ্যম যখন নানা ডিভাইস, তখন এমন তালপাতার পাঠশালা চলছে বাগেরহাটে।

ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চিতলমারী উপজেলার দক্ষিণ ডুমুরিয়া গ্রামে ২০০৫ সালে চালু হয় ‘শিশু শিক্ষা নিকেতন’। ২২ বছর ধরে এলাকার শিশুরা এখানে তালপাতায় শিখছে বর্ণমালা। শিক্ষক ৮০ বছরের পণ্ডিত কালিপদ বিশ্বাস। 

ডিভাইসের যুগে তালপাতা কেন? এর উত্তর মিলল এখানকার শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের কথায়। 

ছোট্ট ছাত্রী লক্ষ্মী মজুমদার বলল, ‘তালপাতায় লিখলে ভুল করলে সহজে মোছা যায় না। তাই মনোযোগ দিয়ে লিখতে হয়। এভাবে লেখার অভ্যাসও ভালো হয়।’



অভিভাবক শ্যামলী রানীর মতে, মোবাইল আর টেলিভিশনের কারণে আজকাল শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ দ্রুত হারিয়ে ফেলে। এই পাঠশালায় নিয়মের মধ্যে থেকে লেখা শেখানো হয়। তালপাতায় লিখতে হয় খুব মন দিয়ে। এভাবে একাগ্রতা বাড়ে।

এই স্কুল থেকে শিক্ষাজীবন শুরু হয় সাগর বিশ্বাসের। এখন পড়েন বাগেরহাট শহরের পিসি কলেজে। তার কথা, ‘তালপাতায় লেখার অভ্যাসে আমার হাতের লেখা সুন্দর হয়েছে। পাশাপাশি এখানকার শৃঙ্খলা ও নৈতিক শিক্ষাও আমার অনেক উপকার করেছে।’

নিজ বাড়িতে তিন শিশু নিয়ে পাঠশালা চালু করেছিলেন পণ্ডিত কালিপদ। শিক্ষার্থী বাড়তে থাকলে গ্রামের এক ব্যক্তি স্কুলঘর তৈরির জন্য তাকে দিয়ে দেন এক টুকরো জমি। সেখানে এক কক্ষের ছোট্ট স্কুলে এখন শিক্ষার্থী ৫০ জন। নিয়মিত শেখানো হয় স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ, বানান ও শতকিয়া।

খুদে হাত তুলে নেয় বাঁশের কলম, দোয়াত আর তালপাতা। পাশে বসে হাত ধরে লেখা শিখিয়ে দেন পণ্ডিত। শিশুদের সঙ্গে প্রতিদিন স্কুলে আসেন মায়েরাও। কেউ বসে তালপাতা রোদে শুকান, কেউ বাঁশের কঞ্চি কেটে কলম তৈরিতে ব্যস্ত। 


‘তালপাতায় লেখার ফলে শিশুদের হাতের লেখা সুন্দর হয় এবং তারা নিয়মিত চর্চার মধ্যে থাকে’— বলছিলেন পণ্ডিত কালিপদ।

তিনি জানালেন, স্বরবর্ণ-ব্যঞ্জনবর্ণ শেখাতে মাসে নেওয়া হয় ১৫০ টাকা। বানান ও শতকিয়ার জন্য নেওয়া হয় ২০০ টাকা করে। এই অর্থে চলে পাঠশালার প্রয়োজনীয় খরচপাতি।

কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এই পাঠশালা এলাকার ঐতিহ্যের অংশ বলে মনে করেন স্থানীয় সমাজসেবক গৌরাঙ্গ মণ্ডল। ‘কালিপদ স্যার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শিশুদের শিক্ষা দেন। তিনি প্রতিটি শিশুর হাতে ধরে ধরে লেখা শেখান। তাই আমরা সন্তানদের এখানে পাঠাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি’— বললেন তিনি।

‘শিশু শিক্ষা নিকেতনে’ আছে নানা সীমাবদ্ধতাও। ‘গরমের সময় বিদ্যুতের অভাবে শিশুদের কষ্ট হয়। আবার বর্ষা ও জোয়ারের সময় হাঁটুপানি কাদা পেরিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়’— বলছিলেন অভিভাবক অংকিতা রানী। তার সুরে অন্য অভিভাবকরা জানালেন অবকাঠামোগত সমস্যার কথাও।


তারপরও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপদ্ধতি সংরক্ষণে একজোট এলাকাবাসী। সংকট সমাধানে তাদের প্রত্যাশা— প্রশাসনের নজর আর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা।

‘দক্ষিণ ডুমুরিয়ার এই পাঠশালা আমাদের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা-সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন। এর উন্নয়ন ও সংরক্ষণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে’— আশ্বাস বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের।

বাগেরহাটচিতলমারীতালপাতাহাতেখড়িপাঠশালা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    বনমালী

    বনমালী

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার