শিশুর লাশ কচুরিপানায়, ধর্ষণ-হত্যার দায় স্বীকার দুই আসামির

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় সাত বছরের ছেলেশিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা এবং লাশ গুমের দায় স্বীকার করেছেন দুই আসামি। গতকাল বুধবার রাতে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন মো. আরমান, মো. ছৈয়দ হোসেন প্রকাশ মানিক ওরফে কাবিলা ও মো. তারেক। এর মধ্যে জবানবন্দি দেননি আরমান। তিনজনকে আদালত থেকে কারাগারে পাঠান বিচারক মুহাম্মদ ফারহান সাদিক।
চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. নূর আলম মাসুম সিদ্দিকী এসব নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, আসামি ছৈয়দ ও তারেক জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হন। ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় সাত বছরের ছেলেটিকে। ঘটনা গোপন করতে হত্যা করা হয় তাকে। লাশ গুম করতে ফেলা হয় খালের কচুরিপানায়।
প্রধান আসামি ছৈয়দের তথ্যেই শিশুর মরদেহ উদ্ধার এবং অন্য দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ— জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা।
মামলার এজাহার বলছে, গত রবিবার বিকালে খেলতে বের হয় শিশুটি। এরপর আর খোঁজ না পাওয়ায় চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা। গত মঙ্গলবার সকালে মাতামুহুরীর একটি পরিত্যক্ত খালে কচুরিপানায় মেলে ছেলেটির মরদেহ। গতকাল বুধবার শিশুর বাবা চকরিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।
আসামিদের কাঠগড়ায় তোলার খবরে বুধবার ওই শিশুর স্বজন ও এলাকাবাসী আদালত ফটকের সামনে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে সরে যান তারা।






